Logo
শিরোনাম

মালয়েশিয়ায় কর্মী যাওয়া শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

দীর্ঘ সাড়ে চার বছর বন্ধ থাকার পর আবারো কর্মী যাওয়া শুরু করেছে মালয়েশিয়া। সোমবার রাত সাড়ে এগারোটায় বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে তারা ঢাকা ছাড়েন।

তাদের বিদায় জানাতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে উপস্থিত ছিলেন জনশক্তি কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক। তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত টাকায় যেন বাংলাদেশিরা মালয়েশিয়া যেতে পারে সেজন্য নজরদারি করা হবে। প্রথম দিন রিক্রুটিং এজেন্সি ক্যাথারসিস ইন্টারনেশনালের মাধ্যমে ৫৩ জন্য কর্মী ঢাকা ছাড়েন। আগষ্ট মাসেই আরো ১১টি ফ্লাইট কর্মী নিয়ে যাবে মালয়েশিয়া। 


আরও খবর

আসামে গ্রেফতার ১৭ বাংলাদেশি

মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22




মোংলায় হাঁস-মুরগির খোপে মিললো বিশাল অজগর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 

মোংলায় হাঁস-মুরগির খোপ থেকে ১৫ ফুট লম্বা একটি অজগর উদ্ধার করেছেন বনবিভাগের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার (৮ আগষ্ট) সকালে উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের খরমা কাটাখালি গ্রামের মোঃ রুহুল আমিন এর বাড়ি থেকে অজগরটি উদ্ধার করা হয়। ধারনা করা হচ্ছে খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে এসেছে সাপটি।

রুহুল আমিন বলেন, ‘সকালে হাঁস-মুরগির অস্বাভাবিক ডাকাডাকি শুনে খোপের মুখ খুলে দেখি একটি অজগর শুয়ে আছে। ভয়ে দূরে সরে গিয়ে বনবিভাগকে খবর দিই। তারা এসে অজগরটি ধরে নিয়ে যায়।’

তিনি আরও বলেন, খোপে থাকা দুটি মুরগি ও দুটি হাসও খেয়ে ফেলে এই অজগরটি।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের জিউধারা স্টেশন কর্মকর্তা মো. শাহজাহান মোক্তাদির জানান, উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের খরমা কাটাখালি গ্রামের রুহুল আমিনের বাড়ির মুরগির খোপে অজগর সাপটি দেখতে পেয়ে আমাদের খবর দিলে সেখান থেকে সাপটি উদ্ধার করি আমরা। উদ্ধার হওয়া অজগরটি আমরা সুন্দরবনের গহিনে অবমুক্ত করি।

লোকালয় থেকে উদ্ধার হওয়া অজগরটি লম্বায় প্রায় ১৫ ফুট এবং ওজন প্রায় ২৭ কেজি। অজগরটিকে সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ধারণা করা হচ্ছে খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে যেয়ে থাকতে পারে সাপটি।

কোন বন্যপ্রাণী লোকালয়ে চলে আসলে তার ক্ষতি না করে আমাদেরকে খবর দিলে আমরা সেটিকে উদ্ধার করে তার সঠিক নিরাপদ আবাসে ফিরে দিবো। 


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে স্ত্রীর পরকীয়ায় স্বামীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে স্বামী ইব্রাহিম শেখ (৪৫), নামে এক ভ্যান চালকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। জানাগেছে, হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের বদনীভাঙ্গা গ্রামে। সোমবার সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট মর্গে প্রেরণ করেছে। এ নিয়ে এলাকায় সবত্রই চলছে গুঞ্জন।

নিহত ভ্যান চালকের ছেলে আলম শেখ জানান, রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে তার পিতা বাড়িতে খাবার খেতে আসে। ঘরে থাকা চালের পোকা দমনের বিষক্রিয়া ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ সময় তার মা পাশের বাড়িতে ছিলো। পরবর্তীতে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে। কতর্ব্যরত চিকিৎসক তাকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে, পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেওয়ার পথিমথ্যে মৃত্যু হয়। এদিকে মরদেহ আনা হলে স্থানীয় গ্রামবাসী ও ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি মেম্বার হাসপাতাল চত্ত্বরে উপস্থিত হন।

 স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ ও পরিকিয়ার কারনে আত্মহত্যাটি ঘটনা পারে বলে তারা ধারনা করছেন।  

এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান বলেন, ভ্যান চালকের আত্মহত্যার বিষয়টি শুনে ওই রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সকালে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট মর্গে প্রেরণ করা হয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। 


আরও খবর



প্রতারণা, মোটা চাল কেটে ‘মিনিকেট’

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মোটা চাল কেটে ‘মিনিকেট’ নামে ব্র্যান্ডিং করে ‘বড় প্রতারণা’র ছকে শহুরে মানুষের পকেট কাটা বন্ধ হচ্ছেই না। বারবার বিষয়টি নিয়ে কথা উঠলেও তা আমলে নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় শিগগিরই মিনিকেট চালের বাজারজাত বন্ধে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেওয়ার কথা জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, এই চালের যেহেতু কোনো ভ্যারাইটি নেই, তাই আমরা সুপারশপ এবং রাইস মিলগুলোতে চিঠি দেব, যাতে এর বাজারজাত বন্ধ করা হয়। এটা বন্ধের জন্য সময় দেওয়া হবে। পরবর্তীতে আমরা অভিযান শুরু করব।

এক সময় উচ্চ ফলনশীল চিকন জাতের চালের জন্য মিনি প্যাকেটে করে বীজ সংগ্রহ করা হতো। সেই মিনি প্যাক থেকে এসেছে মিনিকেট। এখন সরকারের সায় নিয়ে এই চাল বাজার থেকে তুলে নিতে মিলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অধিদপ্তর।

সম্প্রতি সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিত্যপণ্যের উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও সুপার শপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্যাকেটজাত নিত্যপণ্যের মূল্য বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় সব কিছু ছাপিয়ে মিনিকেট প্রসঙ্গটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

একই দিন সচিবালয়ে আলাদা অনুষ্ঠানে ‘মিনিকেট’ নামে বাজারে প্রচলিত চালের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, বাজার থেকে মিনিকেট চাল সরাতে সরকারের একাধিক মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ তারা পেয়ে গেছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে যারা ধান গবেষণায় যুক্ত, তারা জানিয়েছেন, মিনিকেট নামে চালের কোনো ভ্যারাইটি নেই। এটি একটি প্রতারণার ছক। এর ব্র্যান্ডিং করে মানুষের পকেট কাটা হচ্ছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে মিনিকেট চালের বাজারজাতকরণ বন্ধের জন্য ভোক্তা অধিকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার সচিবালয়ে “মিনিকেটের উৎপত্তি সম্পর্কে মানুষ যদি জানত, তাহলে মিনিকেট চাল খুঁজতে যেতে না। এক সময় আমরা উচ্চ ফলনশীল চিকন জাতের চালের জন্য মিনি প্যাকেটে করে কিছু বীজ সংগ্রহ করি। সেই মিনি প্যাক থেকে এসেছে মিনিকেট। এই হলো মিনিকেটের ইতিহাস। এটা অনেকবার বলা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার মিনেকেট নামটা উচ্ছেদ করার জন্য মোবাইল কোর্ট চালাতে পারে। আমরা একটা আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য দিয়েছি। খসড়া অনুমোদন পেয়েছে। এখন সেটা ভেটিংয়ের অপেক্ষায় আছে। ব্র্যান্ড যেটাই হোক, বস্তার গায়ে অবশ্যই ধানের জাতের কথা উল্লেখ করতে হবে। 

এদিকে, সুপার শপে খোলা বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন পণ্য মোড়কীকরণ করে বিক্রি করতে গিয়ে দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও ভোক্তা অধিকারের ভাষ্য। তবে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়া সুপার শপ প্রতিনিধিরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেন।

 ভোক্তার মহাপরিচালক বলেন, খোলা বাজারে যে চাল ১২০ টাকা বিক্রি হয়, সেটা কিন্তু তিন হাতের লভ্যাংশ দেওয়ার পরই বিক্রি হয়। আপনারা এর সঙ্গে হয়তো একটা প্যাকেট যোগ করেছেন। সেজন্য খরচ হয়তো ৫ টাকা বাড়তে পারে। কিন্তু সেজন্য আপনি ৩০ টাকা লাভ করে বসতে পারেন না। তাছাড়া আজকের বাজারের সঙ্গে মেলালে আপনার হবে না। কারণ আপনি ধানটা কবে কিনে রেখেছিলেন, সেটা স্মরণ করেন। দিনাজপুরে ধানের মজুদের একটা ঘটনা ঘটেছে। সেটা নিয়ে আমি বলতে চাই না। বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যদি এভাবে মজুদ করে, আর বাজারের সঙ্গে তুলনা দেয়, তাহলে তো হবে না।


আরও খবর

লিটারে ১৪ টাকা কমল সয়াবিন তেলের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




কিশোর গ্যাং আতঙ্কে রাজধানী

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : রাজধানীতে ক্রমেই বাড়ছে কিশোর অপরাধ। কিশোর গ্যাং উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে নগরবাসী। গ্যাংয়ের অধিকাংশ সদস্যই ছিন্নমূল ও বস্তিবাসী। যাদের বেশির ভাগের বয়স ১৮ থেকে ২২ বছর। মাদক সেবন ও চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধে জড়িত তারা। মাদক বিক্রি, জমি দখল, চুরি-ছিনতাই এমনকি হত্যা মামলাও রয়েছে অনেক কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে। 

রাজনৈতিক পেশিশক্তির ঢাল ও মাদক কারবারের স্বার্থে কিশোর অপরাধ বাড়ছে বলে মনে করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, সংগত কারণে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন এলাকার প্রভাবশালী কিছু রাজনৈতিক নেতা ও মাদক কারবারি। তবে কিশোর অপরাধ রুখতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তালিকাভুক্ত করা হয়েছে থানাভিত্তিক কিশোর গ্যাং লিডার, সদস্য ও পৃষ্ঠপোষকদের।

পুলিশের তথ্য বলছে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের ৭টি থানায় অন্তত ২৫টির বেশি কিশোর গ্যাং সক্রিয়। এসব গ্যাংয়ে পাঁচ শতাধিক সদস্য রয়েছে। যার বেশিরভাগের বয়স ১৮ থেকে ২২ বছর। পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছেন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা।

নারীদের দিয়ে মাদক বিক্রি করা এ গ্যাংয়ের একটি কৌশল। এ গ্যাংয়ের মাদক কারবারিতে বাধা দেওয়ায় হামলার শিকারও হয়েছেন অনেকে।

পল্লবীর তালতলা মোড়, নাভানা আবাসিক ভবন, ও সবুজ বাংলা আবাসিক গেট এলাকায় আশিক গ্রুপের উৎপাতে অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। আশিকের নেতৃত্বে এ গ্রুপে শামীম, রায়হান, আল-আমিন, রাব্বি, রনি, মহিন ও সুমনসহ ১২-১৩ জন সদস্য সক্রিয় রয়েছে। আশিক গ্রুপকে লিড দিচ্ছে পল্লবী থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিলন ঢালী। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি কোনো কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ বা প্রশ্রয় দেই না। বরং কিশোর গ্যাং উৎপাত রোধে কাজ করছি। যুবলীগের কিছু নেতাকর্মীরা এসব কিশোর গ্যাংদের মদদ দিচ্ছে।’

বি-ব্লক, ঈদগাহ মাঠ এলাকায় রয়েছে- পিন্টু-কাল্লু গ্রুপ। অন্তত ২০ জন সক্রিয় সদস্য রয়েছে এ গ্রুপে। বাউনিয়া বাঁধ বি-ব্লকের কাল্লু, ‘ডি’ ব্লকের উজ্জ্বল, সজিব, সাজ্জাদ, শুক্কুর, ‘ই’ ব্লকের জন্টু এবং ‘এ’ ব্লকের হাসান অন্যতম। অভিযোগ রয়েছে এ গ্যাংয়ে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সদস্য সুলতান। এ বিষয়ে খলিলুর রহমানের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

কিশোর গ্যাংকে মদদ দেওয়া বিষয়টি অস্বীকার করে যুবলীগ নেতা সুলতান বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করি। এর মানে এই নয় যে, কিশোর গ্যাংদের প্রশ্রয় দিব। হয়তো প্রতিপক্ষের বিরোধের জের ধরে আমাকে জড়ানো হচ্ছে।’

রানা মুন্সি নামে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘মিরপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। গ্যাংয়ের বেশির ভাগ সদস্য কিশোর হলেও তাদের পরিচালনা করেন কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতা। বিশেষ করে মাদক কারবারি, ছিনতাই ও রাজনৈতিক অপকর্মে তাদের ব্যবহার করা হয়। এসব গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে হামলা-দামলা এমনকি মামলারও শিকার হতে হয়।

পল্লবীর ই-ব্লকে রয়েছে রোমান্টিক গ্রুপ। কুর্মিটোলা বিহারি ক্যাম্পের বাসিন্দা ভুলু এ গ্রুপের লিডার। মনু, জসিম ওরফে ক্যাডার জসিম, পল্টু, দেলোয়ার ও গুড্ডু এ প্রুগের অন্যতম সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে মাদক কারবার ও মারামারির অভিযোগ রয়েছে। রোমান্টিক গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বিহারি ক্যাম্পের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন ভন্টুর নাম ওঠে আসে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ক্যাম্পের চেয়ারম্যান। আমার কাছে সবাই আসে, তাই বলে কী আমি সবাইকে মদদ দেই! আমাদের এখানে কোনো গ্রুপ নেই। এখানে কোনো কিশোর গ্যাং নেই।



আরও খবর

কল্যাণপুরে ভবনে ফাটল

রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2

রাজধানীর গ্রিনরোডে গ্যারেজ শ্রমিক খুন

শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২




ধর্ষণ মামলায় মামুনুল হকের আদালতে হাজিরা

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁও থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলায়  হেফাজতে ইসলাম সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের আদালতে হাজিরা। দুজন পুলিশ কর্মকর্তা সাক্ষ্য।

নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রির্সোট কান্ডের ঘটনায় থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় ৭ম দফায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে আরও দুজন পুলিশ কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষীরা হলেন- এএসআই বোরহান দর্জি, এবং এএসআই ওবায়েদ হোসেন।৩ অক্টোবর সোমবার নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে সকাল ১০টায় কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয়। কড়া নিড়াপত্তায় সকাল ১১টায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে তাকে উঠানো হয়।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় আরও দু’জন পুলিশ কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ নিয়ে মোট ১৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ মামলার চার্জশিটে সাক্ষী রয়েছেন ৪০ জন। 

প্রসঙ্গত,  ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে মামুনুল হককে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করেন এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। পরে ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন ওই নারী। তবে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছেন মামুনুল হক।


আরও খবর