Logo
শিরোনাম
রাজবাড়ীতে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু রাজবাড়ীতে আবৃত্তি ও কথামালায় প্রকাশনা উৎসব নওগাঁয় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত-মা ও ছোট বোন আহত মোরেলগঞ্জে শ্রমীকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন এমপি মিলন লালমনিরহাটে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারাগেছে স্কুলছাত্র নওগাঁয় বোরো ধান চাষের শুরুতেই বিদ্যুতের লোড শেডিং, দুঃশ্চিন্তায় কৃষকরা নওগাঁয় ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামের শীতকাতর অসহায় মানুষের পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেত্রকোনায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন মোরেলগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দৈন্যদশা শিক্ষার্থী ৮ শিক্ষক ২

সাধনার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জন

প্রকাশিত:Wednesday ০৯ November ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :

মানুষ প্রধানতঃ দুটি আত্মার অধিকারী। একটি জীবাত্মা বা নফস যা মানব সৃষ্টির চার উপাদান আগুন, পানি, মাটি ও বায়ুর সমন্বয়ে সৃষ্ট এবং অপরটি পরমাত্মা বা রূহ যা মহান আল্লাহ্ হযরত আদম (আঃ)-এর মাঝে তাঁর রূহ থেকে ফুঁকে দিয়েছেন। আমরা সবাই হযরত আদম (আঃ)-এর সন্তান হিসেবে আমাদের মাঝেও রূহ বিদ্যমান। জীবাত্মা অত্যন্ত শক্তিশালী। এই জীবাত্মাই মহান আল্লাহ্ তায়ালার সত্তা রূহ্কে ধারণ করেছে। আর রূহই হচ্ছে মানুষের কাছে আল্লাহ্ পাকের আমানত। জীবাত্মা মূলত সচ্ছ ও পরিশুদ্ধ। কিন্তু এর কিছু শত্রু আছে যেগুলো নফসকে আক্রান্ত করে। কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য এই ষড় রিপু নফসকে কলুষিত করে। যেমন জীবানুমুক্ত পানি পান করে জীবের জীবন রক্ষা পায়। যদি পানিতে বিষ মিশ্রিত হয় তখন পানি হয় বিষাক্ত। আর এই বিষাক্ত পানি পান করলে জীবের প্রাণনাশ হয়। তেমনি পরিশুদ্ধ জীবাত্মা যখন ষড়রিপু দ্বারা আক্রান্ত হয় তখন তা কলুষিত হয়ে যায় এবং দুনিয়ার লোভ আর ভোগ বিলাসে মত্ত হয়ে পাপাচারে লিপ্ত হয়ে পড়ে। অশান্তি সৃষ্টি হয় ব্যক্তি জীবন থেকে সামাজিক ও রাষ্ট্রিয় জীবন পর্যন্ত। কলুষিত নফস ধারী ব্যক্তি শান্তি ও ন্যায়ের পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে অশান্তির পথে ধাবিত হয়। কাজেই জীবাত্মা যাতে ষড়রিপু দ্বারা আক্রান্ত হতে না পারে সেজন্যই আত্মশুদ্ধি লাভ করা প্রয়োজন। পরিশুদ্ধ জীবাত্মা হলো বাহন আর রূহ সোয়ারী। এই দুয়ে মিলে আত্মিক জগত ভ্রমণ করতে পারে এবং আত্মিক জগতের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়। তাহলে প্রশ্ন জাগে, কি করে ষড়রিপুর আক্রমণ প্রতিরোধ করে জীবাত্মাকে পরিশুদ্ধ রাখা যায়। জীবাত্মাকে নফস নামেও অভিহিত করা হয়। হযরত রাসূল (সঃ) বলেছেন, “নফসের সাথে যুদ্ধ করাই প্রকৃত জেহাদতিনি আরো বলেন, “যে নিজকে (নিজের নফসকে) চিনতে পেরেছে, সে তার প্রভুকে চিনতে পেরেছেতাহলে আমাদেরকে চিন্তা করতে হবে, হযরত রাসূলে পাক (সঃ)-এর শিক্ষা পদ্ধতি কি ছিল? তিনি কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন না। সুদীর্ঘ ১৫ বছর হেরা পর্বতের নির্জন গুহায় ধ্যান সাধনা তথা মোরাকাবা করেছেন। মক্কা থেকে ৩ মাইল দূরে যে হেরা পর্বতের গুহা প্রায় পৌণে দুইশবছর পরও ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে, যেখানে উঠতে রাসূল (সঃ) প্রেমিকদের আজো হিমসিম খেতে হয়, সেই নির্জন মরু পাহাড়ের গুহায় তিনি যৌবনের ১৫ টি বছর ধ্যান সাধনায় কাটিয়েছেন। এই ধ্যান সাধনার বিদ্যার মাধ্যমেই তিনি তাঁর প্রভুর সন্ধান পেয়ে পবিত্র বাণী প্রাপ্ত হয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি তাঁর অনুসারী তথা মুসলিমদেরকে সেই ধ্যান সাধনার বিদ্যাই শিক্ষা দিয়েছেন। আর ওই বিদ্যায় বিদ্বান হয়ে নিজেদের জীবাত্মা তথা নফসকে পরিশুদ্ধ করে (আত্মশুদ্ধি লাভ করে) মহান আল্লাহ্ ও হযরত রাসূল (সঃ)-এর প্রেমে দেওয়ানা হয়ে গিয়েছেন। সাহাবায়ে কেরাম কাফেরদের শত অত্যচার-নির্যাতন সহ্য করেছেন হাসিমুখে। তাঁরা নিজেদের ধন-সম্পদ, আত্মিয়-স্বজনের মায়া পরিত্যাগ করে রাসূল (সঃ)-এর প্রেমে জন্মভূমি মক্কা ছেড়ে তাঁর সাথে মদিনায় হিযরত করেছেন। অসংখ্য সাহাবায়ে কেরাম রাসূল (সঃ)-এর নির্দেশে কাফেরদের সাথে যুদ্ধ করে হাসিমুখে শহীদের মর্যাদা লাভ করেছেন। আমরা সেই সে জাতি, উম্মতে মোহাম্মদী, মোহাম্মদী ইসলামের অনুসারী। পরম সৌভাগ্য যে, আল্লাহ্ পাক আমাদেরকে দয়া করে উম্মতে মোহাম্মদীর মর্যাদা দান করেছেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, যে শিক্ষায় নিজের জীবাত্মা বা নফসকে পরিশুদ্ধ করা যায়, যে শিক্ষায় আত্মশুদ্ধি লাভ করা যায়, সেই মোহাম্মদী ইসলামের শিক্ষা, ধ্যান সাধনার শিক্ষা, মোরাকাবার শিক্ষা আমরা হারিয়ে ফেলেছি। ফলে নফসের খায়েসে, শয়তানের ধোঁকায় পড়ে দুনিয়া লোভী হয়ে পাপাচারের মাধ্যমে যেমন নিজেদেরকে (জীবাত্মা বা নফসকে) কলুষিত করে অশান্তিতে ভুগছি, তেমনি আমাদের এমন কার্যাদিতে সমাজেও অশান্তি বাড়ছে। ধর্ম পালন করেও ধর্মের প্রকৃত স্বাদ বা ফল আমরা ভোগ করতে পারছিনা।

হযরত রাসূল (সঃ)-এর যুগে তাঁর কাছ থেকে সাহাবায়েকেরাম ধ্যান সাধনার বিদ্যার মাধ্যমে আত্মিক পরিশুদ্ধতা অর্জন করে ধর্ম পালন করতঃ শান্তির পধে চলার ক্ষমতা অর্জন করেছেন। এমনকি তাঁরা আত্মিক জগতের সাথে যোগাযোগ করতেও সক্ষম হয়েছেন। তাঁরা ছিলেন উজ্জল নক্ষত্র। আর তাঁরা তা করতে পেরেছেন, হযরত রাসূল (সঃ)-কে অনুকরণ ও অণুসরণ করে। পবিত্র হাদিসে হযরত রাসূল(সঃ) বলেছেন, “শরীয়ত আমার বাক্য(কথা), তরীকত আমার কাজ, হাকীকত আমার অবস্থা এবং মারেফাত আমার নিগুঢ় রহস্য।হযরত রাসূল (সঃ) তাঁর অনুসারীগণকে শরীয়ত, তরীকত, হাকীকত ও মারেফাতের বিদ্যা শিক্ষা দিয়েছেন। শরীয়ত যেমন দেহ পরিষ্কার করে তেমনি মারেফাত আত্মিক পরিশুদ্ধতা অর্জনে সহায়তা করে। হযরত রাসূল (সঃ)-এর ওফাত লাভের পর চার খলিফার যুগ পর্যন্ত হযরত রাসূল (সঃ)-এর মৌলিক শিক্ষা চালু ছিল। এজন্য ওই যুগকে ইসলামের স্বর্ণ যুগ বলা হতো। পরবর্তীতে বিশেষ করে কারবালা যুদ্ধের পর দুরাচার এজিদ ক্ষমতায় আসার পর থেকে ইসলাম হয়ে পড়ে শুধু শরীয়ত সর্বস্ব। বেলায়েতের যুগে যাঁরা এজিদের বিরুদ্ধাচরণ করেছেন, এজিদকে সমর্থন করেননি, তাঁরা ছিলেন মোহাম্মদী ইসলামের প্রকৃত ধারক ও বাহক। আর তাঁদের মাধ্যমেই দুনিয়াতে টিকে আছে প্রকৃত মোহাম্মদী ইসলামের শিক্ষা-এলমে শরীয়ত ও এলমে মারেফাত যা মানুষের বাহ্যিক ও আত্মিক পরিশুদ্ধতা আনয়ন করে। বেলায়েতের যুগে অসংখ্য অলী-আল্লাহ্, মোর্শেদ তথা পথপ্রদর্শক জগতে আগমন করেছেন, যাঁরা হযরত রাসূল (সঃ)-এর শিক্ষায় মানুষকে শিক্ষিত করেছেন। যাঁরা শরীয়ত, তরীকত, হাকীকত ও মারেফতের বিদ্যা শিক্ষা লাভ করে ধর্ম পালন করেছেন তাঁরাই সফলকাম হয়েছেন।


আরও খবর



নেত্রকোনায় মোহনগঞ্জে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ০২ February 2০২3 |
Image

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ট্রেনের নীচে কাটা পড়ে অজ্ঞাত এক যুবকের (৪০) মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার বিকেল চারটার দিকে মোহনগঞ্জ স্টেশন থেকে ঢাকাগামী মহুয়া কমিউটার ট্রেনটি ছেড়ে যাওয়ার সময় স্টেশন এলাকাতেই ট্রেনে কাটা পড়ে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

মোহনগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. আলমগীর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ওই যুবকের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তবে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে।

মোহনগঞ্জ স্টেশন মাস্টার আতাউর রহমান জানান, বিকাল চারটার দিকে বেসরকারি মহুয়া কমিউটার ট্রেনটি স্টেশন ছাড়ার পর প্লাটফর্মের বিপরীত দিক থেকে এক ব্যক্তি উঠার চেষ্টা করে।

স্থানীয় সংবাদকর্মী কামরুল ইসলাম রতন জানান, মহুয়া কমিউটার ট্রেনটি মোহনগঞ্জ স্টেশন থেকে বিকেল চারটার দিকে ঢাকার উদ্দেশ্য ছাড়ে। এসময় ওই যুবক উঠতে গেলে পা পিছলে ট্রেনের নিচে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। তবে কোথা থেকে এসেছে  কোথায় যাচ্ছিল নাম ঠিকানা কিছুই জানা যায়নি। ওই ব্যক্তিকে কেউ চিনতেও পারছেনা।


আরও খবর



নওগাঁয় শিক্ষকদের বিষয় ভিত্তিক ৫ দিনের প্রশিক্ষণ শুরু

প্রকাশিত:Saturday ০৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ০২ February 2০২3 |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখার আলোকে যষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিখন শেখানো কার্যক্রম প্রণয়নে নওগাঁ জেলায় বিষয় ভিত্তিক শিক্ষকদের ৫ দিনের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯ টায় নওগাঁর ১১টি উপজেলার ৬ হাজার ২শ ২জন শিক্ষককে নিয়ে ১০টি ভেন্যুতে শুরু হয়েছে এ প্রশিক্ষণ। নওগাঁ জেলায় এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি পরিদর্শন করেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান ও জেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমান, জেলা সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক মোঃ নাজমুল হোসেন, সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।

নওগাঁর সদর উপজেলার নামাজগড় গাউসুল আযম কামিল মাদ্রাসা ভেন্যুতে ৬শ ২৫ জন, আত্রাই উপজেলার আহসান উল্লাহ মেমোরিয়াল মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৩০জন, বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৫শ ৫৫জন, ধামইরহাটের চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৫শ ৬৭ জন, মান্দার মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬ শ ৪৭জন, মহাদেবপুরের জাহাঙ্গীরপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ ভেন্যুতে ৬শ ২৫ জন, নিয়ামতপুর সরকারি বহুমুখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৫৫ জন, পত্নীতলার নজিপুর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৪৫ জন, রাণীনগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৫ শ ৪৪জন ও সাপাহার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যুতে ৬শ ৮১ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেছেন।

প্রশিক্ষণ নিতে জেলার পোরশা উপজেলা থেকে পত্নীতলা উপজেলা ভেন্যুতে আসা বিষ্ণুপুর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ আঃ সালাম, পত্নীতলা উপজেলার পুইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এস এম গোলাম মোস্তফাসহ অন্যান্য শিক্ষকগণ বলেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা-২০২১ এর আলোকে প্রণীত জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২২ কে বাস্তবায়ন ও প্রণীত এ শিক্ষাক্রমে পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য শিখন সামগ্রী ব্যবহার করে কিভাবে শ্রেণি কার্যক্রমকে আনন্দময়, ফলপ্রসূ ও শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক করা যায় তার উপর সর্বাধিক জোর দেয়া হয়েছে। 

এবিষয়ে মাস্টার ট্রেইনার প্রণব কুমার দাস, আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রচন্ড শীতকে উপেক্ষা করে প্রশিক্ষণটি যথা সময়ে আমরা শুরু করতে পেরেছি। এই প্রশিক্ষণ শিক্ষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া শিক্ষকগণ আন্তরিকতার সাথে এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন বলে আমরা আশাবাদী।


আরও খবর



ধামরাইয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের পারিবারিক মিলনমেলা

প্রকাশিত:Saturday ০৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ০২ February 2০২3 |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন :


ঢাকার ধামরাইয়ের সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তাদের পরিবার নিয়ে মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধামরাই সরকারি চাকরিজীবী সমবায় সমিতি লি. এর উদ্যোগে এই মিলনমেলার আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (০৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ধামরাইয়ের সানোড়া ইউনিয়নের মহিশাষী এলাকার মোহাম্মদী গার্ডেন এ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় ধামরাই সরকারি চাকরিজীবী সমবায় সমিতি লি. এর সদস্যদের ছেলেমেয়ে ও স্ত্রীদের মাঝে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) মো. শহিদুল ইসলাম অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন।

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানে ধামরাইয়ের কৃতি সন্তানরা একত্রিত হতে পেরেছেন। এই সমিতির মাধ্যমে ধামরাইয়ের উন্নয়ন হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা পারেন দেশকে উন্নত করতে। আমরা যারা সরকারের বিভিন্ন পদে কাজ করছি, যদি সঠিক ও সৎভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করি তাহলে দেশটা খুব দ্রুত উন্নত হবে। তাই আমরা ক্ষুদ্র থেকে এই সমিতি গড়ে তুলছি।

তিনি আরোও বলেন, আশা করছি সামনের দিনগুলোতে ধামরাইয়ের আরো যারা সরকারি কর্মকর্তা আছেন, তাদের অনেককেই আমরা আমাদের এ সমিতির সদস্য করতে পারবো এবং ধামরাইয়ে উন্নয়নের অংশীদার হতে পারবো। সবসময় আমাদের এই সমিতির মাধ্যমে আমরা মানুষের পাশে থাকবো।

জানা যায়, সরকারি চাকরিজীবী সমবায় সমিতির মাধ্যমে এলাকার অসহায় দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার খরচ বহন করা হয়। করোনা ও বন্যার সময় শত শত মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী দেয়া হয়। এবার শীতের সময় অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। ২০১২ সালে এই সমিতির যাত্রা শুরু এবং ২০১৮ সনে সমিতির নিবন্ধন করা হয়।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ওডিসি ক্রাফট প্রাঃ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুবকর সিদ্দিক খান রিপন, এশিয়ান কনজিউমার কেয়ার প্রাইভেট লিঃ এর ডাবার এর ফ্যাক্টরি ম্যানেজার নুর হোসাইন, সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী হোসেন, ধামরাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিস উর রহমান স্বপন, ধামরাই রিপোর্টার্স ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজিউল হাসান পলাশ, ধামরাই সরকারি চাকরিজীবী সমবায় সমিতি লিঃ এর সকল সদস্যবৃন্দ।


আরও খবর



১৩‌ দি‌নেই রহস্য খুল‌লো অটোরিকশা চালক হত‌্যার

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো :

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের উজিরপুর ইউনিয়নের শামুকসার গ্রামস্থ বোয়ালজুড়ি খালের পাড় থেকে অটোরিকশা চালক রাসেদ মিয়ার লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ১৩ দিনের মধ্যেই ঘাতক খাইরুল ইসলাম শাকিলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শাকিল চৌদ্দগ্রামের ঘোলপাশা ইউনিয়নের ধনুসাড়া গ্রামের আবু বক্কর ছিদ্দিকের ছে‌লে। বুধবার দুপুরে চৌদ্দগ্রাম থানায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার(চৌদ্দগ্রাম ও নাঙ্গলকোট সার্কেল) জাহিদুল ইসলাম। 

সংবাদ সম্মেলনে সহকারী পুলিশ সুপার(চৌদ্দগ্রাম ও নাঙ্গলকোট সার্কেল) জাহিদুল ইসলাম বলেন, গত ১৮ জানুয়ারি বুধবার বিকেলে মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বাসন্ডা গ্রামের আবদুল মালেক মিয়ার ভাড়াটিয়া, লালমনিরহাট জেলার আদিতমারি থানার বারঘরিয়া গ্রামের মশিউর রহমানের ছেলে রাসেদ মিয়া অটোরিকশা নিয়ে ভাড়া বাসা থেকে বের হন। পরদিন বৃহস্পতিবার উজিরপুর ইউনিয়নের শামুকসার গ্রামের জনৈক মামুন চৌধুরীর মুরগির ফার্মের পশ্চিমে বোয়ালজুড়ি খালের পাশে রাজ্জাক মিয়ার জমিতে ভিকটিম রাসেদ মিয়ার নাকে মুখে জমাট বাধা রক্ত, নাভির উপরে ডান পাশে একটি গভীর ক্ষতচিহ্ন এবং বাম পায়ের গোড়ালীর উপরে ক্ষতচিহ্ন যুক্ত লাশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে লাশটি হস্তান্তর করে। ওই রাতেই রাসেদ মিয়ার বাবা মশিউর রহমান বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এ ঘটনায় কুমিল্লার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান, বিপিএম (বার) এর নির্দেশনায় আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার ও মুন্সিরহাট বাজার হইতে ঘটনাস্থলে গমনাগমনের বিভিন্ন রাস্তা ও বাজারে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘাতক খাইরুল আলম শাকিলকে শনাক্ত করা হয়।                          মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে খাইরুল আলম শাকিলকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি চাকুসহ তাঁর নিজ বসত বাড়ি হতে গ্রেপ্তার করে পু‌লিশ।  চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা জানান- গ্রেপ্তারকৃত শাকিলকে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছে। পু‌লি‌শের সাম‌নেই ‌গ্রেপ্তার শাকিল জানায়, সে রাশেদ মিয়ার অটো রিক্সায় উঠে। পরবর্তীতে কাদৈর বাজার হয়ে গুটি মার্কেট, এরপর চৌমুহনী বাজার থেকে কাশিনগর বাজার হয়ে অলিপুরের আকাবাকা রাস্তা দিয়ে শামুকসার গ্রামে জনৈক মামুন চৌধুরীর মুরগির ফার্মের নিকট নির্জন স্থানে বস্তা আনার কথা বলে খালের পাড়ে নিয়ে শাকিলের সাথে থাকা চাকু দিয়ে ভয় দেখিয়ে অটোরিকশা চালকের টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তখন অটোরিকশা চালক টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করিলে তাঁর সাথে ধস্তাধ্বস্তি হলে একপর্যায়ে শাকিল তাঁর সাথে থাকা সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে চালক রাসেদ মিয়ার পেটে আঘাত করে টাকা নিয়ে পালিয়ে যান। 

 এ চৌদ্দগ্রাম থানার পরিদর্শক তদন্ত রাজিব চক্রবর্তী জানান ,অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে নির্জন স্থানে অসহায় অবস্থায় অটোরিকশা চালক রাশেদ মিয়ার মৃত্যু হয়। চৌদ্দগ্রামথানা পু‌লিশ মাত্র ১৩ দিনের মধ্যে ক্লু-লেস  রা‌শেদ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ক‌রে।


আরও খবর



৮ বিভাগে আ.লীগ নেতাদের দায়িত্ব বণ্টন

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

জহিরুল কবির আমজাদ :সাংগঠনিক কাজ দেখার জন্য দেশের আট বিভাগে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। রবিবার  দলটির দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চারজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন ড. হাছান মাহমুদ। মাহবুব-উল-আলম হানিফ পেয়েছেন সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্ব। আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম পালন করবেন খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দায়িত্ব। ডা. দীপু মনি পেয়েছেন ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ।

দলটির আট সাংগঠনিক সম্পাদকের মধ্যে আহমদ হোসেন সিলেট বিভাগ, বি এম মোজাম্মেল হক খুলনা, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন চট্টগ্রাম, এস এম কামাল হোসেন রাজশাহী, মির্জা আজম ঢাকা, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন বরিশাল, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ময়মনসিংহ ও সুজিত রায় নন্দী রংপুরের দায়িত্ব পেয়েছেন। রংপুরে এর আগে সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন শফিক দায়িত্বে ছিলেন। তবে ২২তম সম্মেলনে তিনি সাংগঠনিক পদ থেকে বাদ পড়েন। তার স্থানে সুজিত রায় নন্দী সাংগঠনিক দায়িত্ব পান।


আরও খবর