Logo
শিরোনাম

কবিগুরুর ১৬৩ তম জন্মবার্ষিকী

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

উদয়দিগন্তে ওই শুভ্র শঙ্খ বাজে। মোর চিত্তমাঝে, চির-নূতনেরে দিল ডাক/পঁচিশে বৈশাখ। এভাবে চির নতুনের মধ্যে নিজের আবির্ভাবক্ষণকে অনুভব করেছেন কবিশ্রেষ্ঠ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। চেয়েছেন সূর্যের দীপ্তি দিয়ে ভুবনকে আলোকিত করতে, নিজেকে উন্মোচন করতে।

আমৃত্যু কর্মযজ্ঞের মধ্য দিয়ে ধাবমান রবীন্দ্রনাথ হয়ে উঠেছেন হাজার বছরের পথিকৃৎ বাঙালি। তার কাব্যছন্দ, সুরের ডালা আর সরল লেখনীর মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ ঘটেছে প্রত্যেক বাঙালির। এ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে তিনি প্রেরণা দিয়েছেন আমাদের। মুক্ত স্বদেশে এসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম ভাষণেই মনে করেছিলেন তাকে, অশ্রুসিক্ত নয়নে বলেছিলেন, কবিগুরু, তুমি এসে দেখে যাও, তোমার বাঙালি আজ মানুষ হয়েছে...।

আজ পঁচিশে বৈশাখ। বাংলা সাহিত্যের অনন্য প্রতিভা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মদিন। ১৬২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেল তার জন্মদিনের। তবু বাঙালি মানসে এখনো তিনি দিবাকরের মতো সমান সমুজ্জ্বল, তার কিরণ এতটুকু ম্লান হয়নি।

প্রতি বছরই এ দিনটি আসে, চলেও যায়; কিন্তু আমাদের নতুন করে দিয়ে যায় আত্মপরিচয়ের তাগিদ। আত্মশক্তির উদ্বোধনের আহ্বান, মানুষ আর প্রকৃতিকে ভালোবাসার বারতা। কালবৈশাখীর মত্ত মেখে বন্ধহীন বেগে। অম্লান নূতন হয়ে অসংখ্যের মাঝপানে এক দিন তুমি এসেছিলে এ লিখিলে নব মল্লিকার গন্ধে, সপ্তপর্ণ-পল্লবের পবন-হিল্লোল-দোল ছন্দে, খামলের বুকে। সেই যে নূতন তুমি, তোমারে ললাট চুমি, এসেছি জাগাতে বৈশাখের উদ্দীপ্ত প্রভাতে। হে নূতন, দেখা দিক্ আবার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ।

জন্মদিনের আড়ম্বর নিয়ে কবি নিজেই ১৩৪৩ সালে প্রবাসী পত্রিকায় লিখেছেন, খ্যাতির কলরবমুখর প্রাঙ্গণে আমার জন্মদিনের যে আসন পাতা রয়েছে, সেখানে স্থান নিতে আমার মন যায় না। আজ আমার প্রয়োজন স্তব্ধতায় শান্তিতে।

রবীন্দ্রমোদীরা মনে করেন, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ও বাঙালির অহংকার। অসাধারণ সব সাহিত্যকর্ম দিয়ে তিনি বিস্তৃত করেছেন বাংলা সাহিত্যের পরিসর। অসত্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াইয়ে, জীবন-সংগ্রামের প্রতিটি ক্রান্তিকালে আমাদের পাশে থাকেন রবীন্দ্রনাথ।

রবীন্দ্রনাথ বাংলা ভাষাকে যে ঐশ্বর্য দান করেছেন, তাতে এই ভাষা জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা, সব ভাব-অনুভূতির প্রকাশ এবং নির্মল হাস্য-কৌতুকের বাহন হতে সমর্থ হয়েছে। দেড়শ বছর পেরিয়েও কবি আমাদের মাঝে চিরজাগরুক হয়ে আছেন।

রবীন্দ্রনাথ একাধারে কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, সংগীত রচয়িতা, সুরস্রষ্টা, গায়ক ও চিত্রশিল্পী। সৃষ্টিশীলতার সমান্তরালে তিনি ধর্ম, দর্শন, রাজনীতি ও সমাজভাবনা সমানভাবেই চালিয়ে গেছেন। বিশ্বভারতী তার বিপুল কর্মকাণ্ডের একটি প্রধান কীর্তি। অনেকেই মনে করেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাতেই মূলত সার্থক বাংলা ছোটগল্পের সূত্রপাত। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও বিহারীলালের লেখনীর মাধ্যমে বাংলা কবিতায় আধুনিকতার সূচনা হলেও রবীন্দ্রনাথের হাতেই তা পূর্ণতা পায়। একইভাবে রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের হাতে জন্ম নেওয়া বাংলা গদ্যকেও তিনি চূড়াস্পর্শী সাফল্য দান করেন।

গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী তিনিই প্রথম এশীয় ও একমাত্র বাঙালি লেখক।

রবীন্দ্রসাহিত্য, বিশেষত রবীন্দ্রসংগীত বাঙালির কাছে আলোকবর্তিকা হয়ে দেখা দিয়েছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে। মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর তার গানই (আমার সোনার বাংলা) বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়েছে। এ ছাড়া তার অনেক গান মুক্তিযুদ্ধের সময় অনুপ্রাণিত করেছিল বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষ ও মুক্তিযোদ্ধাদের।


আরও খবর



এইচএসসিতে গত বছরের তুলনায় শিক্ষার্থী বেড়েছে ৯১ হাজার, শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:



শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কেউ মোবাইলফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না; শুধু ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন (তবে ছবি তোলা যায় না এমন মোবাইল ফোন)। 



আজ বুধবার (৫ জুন) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৪ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। 


মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ (যেমন- পরীক্ষার্থী, কক্ষ পর্যবেক্ষক, মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, বোর্ডের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পরিদর্শন টিম, নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য) ব্যতীত অন্য কেউ কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। 



পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীকে এর পরে প্রবেশ করতে দিলে তার নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময়, বিলম্ব হওয়ার কারণ ইত্যাদি একটি রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করে ঐ দিনই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন দিতে হবে। 


পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট পূর্বে এসএমএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের নিকট প্রশ্ন পত্রের সেট কোড জানিয়ে দেওয়া হবে। এবার গত বছরের তুলনায় ৯১ হাজার ৪৪৮ জন শিক্ষার্থী বেড়েছে। এ ছাড়া পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ২৯৪টি, পরীক্ষা কেন্দ্র বেড়েছে ৬৭টি।



মন্ত্রী আরও বলেন, এবার সব পরীক্ষার্থীর (নিয়মিত, অনিয়মিত, মানোন্নয়ন) জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক প্রণীত ২০২৪ সালের পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী সব বিষয়ে পূর্ণ নম্বর ও পূর্ণ সময়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


এবার দেশের ৯ হাজার ৪৬৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৯৭০ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসবে। এর মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজার ২৮১ জন, ছাত্রী ৭ লাখ ৫০৯ জন। 


কেন্দ্র সংখ্যা ২ হাজার ৭২৫টি। মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন, মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের দাখিলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৮ হাজার ৭৬ জন, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএম/বিএমটি/ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষায় বসবে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৩ জন শিক্ষার্থী।


আরও খবর



মেট্রোরেল চলাচলে বিঘ্ন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


বন্ধ থাকার পর রাজধানীতে সোমবার (২৭ মে) সকাল ১০টা ৮ মিনিটের দিকে আবার মেট্রোরেল চলাচল শুরু হয়েছে। তবে সেটি চলাচলেও বিঘ্ন ঘটেছে বলে জানিয়েছেন মেট্রোরেলে থাকা এক যাত্রী। 


ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের কোম্পানি সচিব (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, মেট্রোরেল চলাচলের জন্য যে ইলেকট্রিক পাওয়ার সাপ্লাই রয়েছে টেকনিক্যাল কারণে সেটি ফল করেছিল।


 শেওড়াপাড়া থেকে বিজয় সরণি অংশে এ সমস্যা দেখা দেয়। ফলে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ রাখতে হয়েছিল।



সকাল ১০টা ৮ মিনিটের দিকে মেট্রোরেল ছেড়েছে বলে জানান এক যাত্রী। তবে সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জানান, ছেড়ে আসা ওই মেট্রোরেলে বিঘ্ন ঘটেছে। অন্য লাইন দিয়ে মেট্রোরেলটি যাচ্ছে।


 সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পল্লবী স্টেশন গিয়ে মেট্রোরেল না পেয়ে ঘুরে এসেছেন বলে জানান এক যাত্রী।


এর আগে সোমবার সকাল ৭টার কিছু পরে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় স্টেশনগুলো থেকে কিছুক্ষণ পর পর মাইকিং করে জানানো হয় সাময়িক বিলম্ব হবে।


এতে সকাল থেকেই যাত্রীরা মেট্রোরেলের অপেক্ষায় বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় আছেন। হুট করেই ট্রেন বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়েন অপেক্ষারত যাত্রীরা।


গত শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। সোয়া এক ঘণ্টা পর চলাচল শুরু হয়।



আরও খবর



ভারতের পানিতে সিলেটে আকস্মিক বন্যায় শত শত গ্রাম প্লাবিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image



 সিলেট অফিস:


ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও প্রবলবর্ষণে সিলেটের নদ-নদীগুলোতে দ্রুত পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিভিন্ন স্থানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। 



এদিকে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর বিভিন্ন স্থানে বাঁধ ভেঙে ও পানি উপচে সীমান্তবর্তী জকিগঞ্জে ৫০ গ্রামসহ শত শত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। 


বৃহস্পতিবার (৩০ মে) গভীর রাতে বারোহাল উপজেলার বারোহালগ্রাম, কাজলশাহ ইউপির আটগ্রামের নলুহাটি গ্রামের সুরমা নদীর বাঁধ, জকিগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ছবরিয়া, বারোখাল, রারই, খলাছড়া, মাঝর গ্রামসহ কুশিয়ারা নদীর বাঁধ ভেঙে এলাকায় পানি ঢুকে। বিকালেও হু-হু করে পানি ঢুকছিল বিভিন্ন পয়েন্টে।



ভারতের বরাক নদী দিয়ে প্রবল বেগে নেমে আসা পানি সুরাম-কুশিয়ারার মোহনায় জকিগঞ্জের অমলসিদে বিপজ্জনক মাত্রায় পৌছালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলীয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খুশি মোহন সরকার, নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাসসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা স্থানীয় অধিবাসীদের নিয়ে দিনভর প্লাস্টিকের ব্যাগ ভর্তি বালি-মাটি দিয়ে পানি আটকানো হয়। 



এ ছাড়া একই পদ্ধতিতে জকিগঞ্জ শহরকে বন্যা মুক্ত রাখার কাজ চলছে। ঢলের তীব্র চাপে কুশিয়রা তীরবর্তী জকিগঞ্জের অধিবাসীরা আতঙ্কে রয়েছেন। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফসানা তাসনিম জানান, উপজেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ৫৫টি আশ্রয় কেন্দ্রে ২২টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।


  

এদিকে সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান জৈন্তা-গোয়াইনঘাট এলাকা পরিদর্শন করে সন্ধ্যায় বলেন, ঐ এলাকায় ১০০ দুর্গতকে রান্না করা খাবার দেওয়া হয়েছে। দুর্গতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা নগদ, ১৫ টন জিআর চাল ও ২০০ প্যাকেট শুকনো খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। 


জেলা প্রশাসক আরও বলেন, পানিবন্দী মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে ও নিরাপদে সরিয়ে আনা হচ্ছে। পাঁচটি উপজেলায় জরুরিভিত্তিতে প্রায় ৪৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র খেলা হয়েছে। জরুরি ত্রাণ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বার্তা পাঠানো হয়েছে। 


তিনি জানান, জৈন্তা, কানাইঘাট, গোয়াইনঘাটে পানির তোড় বেশি। তবে বৃষ্টি কমলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


 

সিলেটের বন্যা কবলিত ৫টি উপজেলা হচ্ছে: জকিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, গোয়াইঘাট, কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ। খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জেলার পাঁচটি উপজেলার শতাধিক গ্রাম, বাড়ি-ঘর প্লাবিত। জেলায় সাড়ে ৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল ডুবেছে। লোকজন গরুবাছুর, ধান-চাল সহায় সম্পদ নিয়ে বিপাকে। 


অনেক স্থানে লোকজনের খাদ্য, ঘরের আসবাবপত্র ডুবে গেছে। জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাড়িঘর, জনপদ, সড়ক ও স্কুলগুলোতে পানি উঠেছে। অনেক স্থানে সড়ক ডুবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। অনেকেই বাড়িঘর ফেলে উচুস্থান বা সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছেন। জৈন্তাপুরের বিরাইমরা গ্রামের কাছে সড়কে দাঁড়ানো ট্রাকের উপর আশ্রয় নেয় ৫টি পরিবার।


 অনেক পরিবার পানিবন্দী। জৈন্তুাপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, পরিবহন শ্রমিক অফিসসহ বিভিন্ন স্থানে শতাধিক লোক আশ্রয় নিয়েছে। জৈন্তাপুরের অন্তত ৯০ ভাগ লোকের বাড়িঘরে পানি। 


বুধবার রাতে হঠাৎ করে ঘরের মধ্যে বুক সমান পানি বেড়ে গেলে কেউ ফেসবুকে লাইভ দিয়ে উদ্ধারের আকুতি জানালে পার্শ্ববর্তী লোকজন এসে উদ্ধার করলে অনেকেই প্রাণে বেঁচে যান। বৃহস্পতিবার দুপুরে দেখা যায়, জৈন্তাপুরের রাংপানি এলাকায় প্রবল বেগে ঢলের পানি নামছে।


সিলেটের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সন্ধ্যায় জানান, অমলসিদে কুশিয়ারায় পানির তীব্র চাপ। সেখানে নদী বিপদ সীমার ২ মিটার উপরে। এ ছাড়া জেলার সুরমা, কুশিয়ারা, সারি ও গোয়াইন নদ-নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার উপরে। অন্যান্য নদ-নদীর পানি কখনো বাড়ছে, আবার কখনো কমছে।


 এদিকে জৈন্তাপুরে বহু মাছের ঘের থেকে মাছ বের হয়ে গেছে। পাখিটিকি এলাকায় মাছের ঘেরগুলো তীর সমান পানি। সেখানে জাল দিয়ে মাছ আটকে রাখার দৃশ্য চোখে পড়ে। সারি-গোয়াইনঘাট সড়ক নিমজ্জিত। বহুস্থানে পল্লী বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়েছে অথবা পানি ছুঁই-ছুঁই করছে। 


এলাকায় মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। গোয়াইনঘাট, নয়াখেল, সারিঘাট, জাফলং এলাকার বহু স্থান ডুবে গেছে। এলাকাবাসী জানান, বৃষ্টি হলেই ঢলের প্রকোপ বাড়ে। 


জৈন্তাপুরের চাংগিল বাজারে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নেওয়া বিরাইমরা গ্রামের রানু বেগম (৫০) বলেন, দুই ছেলে, ছেলের স্ত্রী ও নাতনি মিলে তারা সাতজন আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন। 

বাড়ি প্লাবিত হওয়ায় নৌকায় করে তারা আশ্রয়কেন্দ্রে আসেন। ঘরের ভেতর যা ছিল, প্রায় সবই পানিতে ভেসে গেছে।


গোয়াইঘাট সংবাদদাতা জানান, জেলার গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ উপজেলায় প্লাবিত গ্রামের সংখ্যা বেশি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্লাবিত হয়েছে গোয়াইনঘাট উপজেলায়। জেলা সদরের সঙ্গে গোয়াইনঘাট উপজেলা সদরের তিনটি রাস্তাই তলিয়ে যাওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে। 


এতে অনেক পরিবারই পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। নৌকার অভাবে অনেকে নিরাপদে সরতেও পারছেন না। 


গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের প্রায় ৪২ হাজার ৯০০টি পরিবারের ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫০ জন মানুষ দুর্যোগকবলিত। এখানে চালু হওয়া আশ্রয়কেন্দ্রে ২ হাজার ৩৫৬ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রিত গবাদিপশুর সংখ্যা ৬৪৫।


 উপজেলায় ১০টি মেডিকেল টিম চালু করা হয়েছে। এ উপজেলার প্রায় ৩৪৩ বর্গকিলোমিটার এলাকাই প্লাবিত হয়েছে। এতে উপজেলার ১ হাজার ৬৬০ হেক্টর কৃষিজমি তলিয়ে গেছে। গোয়াইনঘাটে ৫৬টি, জৈন্তাপুরে ৪৮টি, কানাইঘাটে ১৮টি, কোম্পানীগঞ্জে ৩৫টি, জকিগঞ্জে ৫৮টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। বাকি আশ্রয়কেন্দ্রগুলো অন্য উপজেলায় রয়েছে।


জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও জকিগঞ্জে মোট ৫ হাজার ৬০১ হেক্টর আউশ ধান, আউশ বীজতলা ও সবজিখেত কমবেশি প্লাবিত হয়েছে। 


এর মধ্যে আউশ ধানের জমি রয়েছে ১ হাজার ৬৮২ হেক্টর। এ ছাড়া ৯২৭ হেক্টর আউশ বীজতলা ও ২ হাজার ৯৯২ হেক্টর সবজিখেত রয়েছে। জৈন্তাপুরে ক্ষেতের মাচাং-এর উপর পানিতে কচুরীপানা খেলছে। 


সিলেটের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মোহাম্মদ আনিছুজ্জামান বলেন, এই দুর্যোগে এ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সঠিকভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হবে পানি নেমে গেলে। 


পাউবো সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢল অব্যাহত থাকায় পানি ক্রমেই বাড়ছে।



আরও খবর



ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকতে পারে না: সৌদি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:

স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক স্থাপন না করার কথা আগেই জানিয়েছে সৌদি আরব। 


এবার মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম সম্পদশালী ও প্রভাবশালী এই দেশটি বলেছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলও থাকতে পারে না। একই সঙ্গে ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও পুনর্ব্যক্ত করেছে সৌদি আরব। 


এদিকে রাফাহ শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি হামলায় ৪০ জন নিহত হয়েছে।


সোমবার সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, ব্রাসেলসে আরব ও ইউরোপীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন-ফারহান জানান, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র না থাকলে ইসরায়েলেরও অস্তিত্ব থাকতে পারে না। 



তিনি বলেন, দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের মাধ্যমে তারা যে নিরাপত্তা চায় সেটি ইসরায়েল স্বীকার করে না—যা খুবই উদ্বেগের বিষয়। সৌদি আরবের শীর্ষ এই কূটনীতিক সাংবাদিকদের বলেন, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ছাড়া ইসরায়েলেরও অস্তিত্ব থাকতে পারে না এবং এটা সম্পূর্ণরূপে মেনে নেওয়াই প্রয়োজন ইসরায়েলের।’



 সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন-ফারহান আরো বলেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই নিরাপত্তা পাবে ইসরায়েল। তাই আমরা আন্তরিকভাবে আশা করি, ইসরায়েলের নেতারা বিষয়টি বুঝতে পারবেন যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিলে কাজ করাটা তাদের স্বার্থেই ভালো। 



আর সেটি শুধুমাত্র ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে শক্তিশালী করাই নয়, বরং ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত তারা ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক স্থাপন করবে না বলে জানিয়েছিল সৌদি আরব। 


সৌদি প্রেস এজেন্সির বিবৃতিতে সেসময় বলা হয়, ১৯৬৭ সালে সীমান্ত অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক হবে না বলে সৌদি আরব বাইডেন প্রশাসনকে জানিয়ে দিয়েছে। 


বিবৃতিতে আরো বলা হয়, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে এবং অবরুদ্ধ এলাকা থেকে সকল রকমের ইসরায়েলি বাহিনীকে প্রত্যাহার করতে হবে। মূলত গাজা ভূখণ্ডের পাশাপাশি অধিকৃত পশ্চিম তীরকে ফিলিস্তিনিরা তাদের ভবিষ্যত্ স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল অংশ হিসেবে চায়।


 এছাড়া ফিলিস্তিনিরা ঐতিহাসিক জেরুজালেম শহরের পূর্ব অংশকে নিজেদের ভবিষ্যত্ রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে দেখে থাকে।


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




ফ্রান্সের পার্লামেন্ট ভেঙে আগাম নির্বাচনের ডাক ম্যাক্রোঁর

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image



বর্তমান দেশবাংলা ডিজিটাল ডেস্ক :


ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ইউরোপীয় নির্বাচনে উগ্র ডানপন্থীদের কাছে শোচনীয় পরাজয়ের পর আকস্মিক এক ঘোষণায় ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ভেঙে দিয়েছেন।


 ৩০ জুন ও ৭ জুলাই দুই দফায় দেশটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।


ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচনে ম্যাক্রোঁর রেনেসাঁ পার্টি কট্টর ডানপন্থী বিরোধীদের কাছে পরাজিত হতে যাচ্ছে বলে বুথফেরত জরিপে দেখা গেছে। উগ্র ডানপন্থী ন্যাশনাল র‍্যালি (আরএন) ৩১.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে, যা রেনেসাঁর দ্বিগুণেরও বেশি। রেনেসাঁ ১৫.২ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, ১৪.৩% ভোট নিয়ে তৃতীয় স্থানে সমাজতান্ত্রিক দল।



বুথফেরত জরিপ প্রকাশের পর এক ভাষণে উগ্র ডানপন্থী নেতা জর্ডান বারডেলা ম্যাক্রোঁকে ফরাসি পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার আহ্বান জানান। দুই দলের ভোটের ব্যবধানকে তিনি 'প্রেসিডেন্টের জন্য হতাশাজনক' বলে অভিহিত করেন।


আরএন সদর দপ্তরে দেওয়া ভাষণে জর্ডান বারডেলা বলেন, বর্তমান সরকারের এই অভূতপূর্ব পরাজয় একটি চক্রের সমাপ্তি। এটি ম্যাক্রোঁ-পরবর্তী যুগের প্রথম দিন।


এমন ভাষণের এক ঘণ্টার মধ্যে ম্যাক্রোঁ জাতির উদ্দেশে ঘোষণা দেন, তিনি ফ্রান্সের নিম্নকক্ষ ভেঙে দেবেন এবং পার্লামেন্ট নির্বাচন দেবেন। ৩০ জুন প্রথম দফা এবং ৭ জুলাই দ্বিতীয় দফা ভোট অনুষ্ঠিত হবে।


প্রেসিডেন্ট হিসেবে ম্যাক্রোঁর মেয়াদ আরও তিন বছর বাকি। তিনি বলেন, আমার সিদ্ধান্তটি গুরুতর। কিন্তু এর মাধ্যমে আমাদের গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা, সার্বভৌম জনগণের মতামত প্রকাশের বিষয়টির প্রতিফলন ঘটলো। এটিকে আমি জাতির জন্য সঠিক দিকনির্দেশনা বলে মনে করি।


ম্যাক্রোঁ বলেন, আমি আপনাদের ভোটাধিকারের মাধ্যমে আপনাদের সংসদীয় ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাই আমি আজ সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভেঙে দিচ্ছি। আমার প্রিয় দেশবাসী, আপনাদের নিজেদের ওপর আস্থা রাখুন। ফরাসি জনগণ সবচেয়ে ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখে।


ফরাসি ব্যবস্থার অধীনে, নিম্নকক্ষে জাতীয় পরিষদের ৫৭৭ জন সদস্য নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য পৃথক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ সংসদীয় নির্বাচনে ম্যাক্রোঁর রেনেসাঁ পার্টিসহ এনসেম্বল জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে পিছিয়ে পড়ে এবং অন্য কোথাও থেকে সহায়তা চাইতে বাধ্য হয়।


এদিকে, ম্যাক্রোঁর ঘোষণার পর ২০১৭ এবং ২০২২ সালে ফরাসি রাষ্ট্রপতি পদে ম্যাক্রোঁর বিরুদ্ধে হেরে যাওয়া মেরিন লে পেন আগাম নির্বাচনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। এই নেত্রী বর্তমানে উগ্র ডানপন্থী আরএনের পার্লামেন্টারি নেতা।


তিনি বলেন, ফ্রান্স যদি আমাদের ওপর আস্থা রাখে তাহলে আমরা ক্ষমতায় আসতে প্রস্তুত। আমরা দেশ পুনর্গঠনে প্রস্তুত, ফরাসিদের স্বার্থ রক্ষায় প্রস্তুত, গণঅভিবাসন বন্ধ করতে প্রস্তুত, ফরাসিদের ক্রয় ক্ষমতাকে অগ্রাধিকার দিতে প্রস্তুত, দেশের পুনর্গঠন শুরু করতে প্রস্তুত।


ফ্রান্সের অতীত ইতিহাসে সবশেষ ১৯৯৭ সালে কোনো রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দিয়েছিলেন, যার ফলে জ্যাক শিরাক তার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছিলেন। লিওনেল জসপিনের অধীনে সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতায় আসেন।তথ্যসূত্র: এপি, সিএনএন।


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24