মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
শাহজালাল বিমানবন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা বিপুল পরিমাণের ল্যাপটপ ও ট্যাব জব্দ ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম-অযোগ্য ১২৬ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে জিম্বাবুয়ে টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন ক্রিমার মহানবীর (সা.) আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল ২০২৬ শুরু মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলবে বাংলাদেশ : ডি ভিলিয়ার্স রদ্রিকে না পেলেও স্কোয়াড নিয়ে সন্তুষ্ট মরিনহো
জাতীয় ২০৩১ সালের মধ্যে ৭ বিলিয়ন ডলারের অলংকার রপ্তানির লক্ষ্য

২০৩১ সালের মধ্যে ৭ বিলিয়ন ডলারের অলংকার রপ্তানির লক্ষ্য

 দেশের জুয়েলারি খাতকে আধুনিক ও রপ্তানিমুখী শিল্পে রূপান্তর করে ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে সোনা ও হীরার অলংকার রপ্তানি থেকে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করতে চায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এ খাতকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতে পরিণত করারও লক্ষ্য সংগঠনটির।

সম্প্রতি রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘বাজুস জুয়েলারি ফ্যাশন কার্নিভ্যাল-২০২৬’-এ সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খান লিখিত বক্তব্যে এ পরিকল্পনার কথা জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বিশেষ অতিথি ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি ও কূটনীতিকরা।

বাজুসের মতে, জুয়েলারি খাতের অন্যতম বড় বাধা নীতিমালার অস্পষ্টতা। বৈষম্যহীন নীতিমালার মাধ্যমে অলংকার আমদানির পথ সহজ করা গেলে স্থানীয় বাজারে প্রতি ভরি অলংকারের দাম অন্তত ৩০ হাজার টাকা কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে ‘স্বর্ণ নীতিমালা-২০১৮ (সংশোধিত)-২০২৬’ বাস্তবায়ন হলে সরকার এ খাত থেকে বছরে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পেতে পারে।

বাজারে থাকা অপ্রদর্শিত সোনা এককালীন ফি দিয়ে প্রদর্শনের সুযোগ দেওয়ারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। এতে সরকার এককালীন ৫০০ থেকে ৭০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি দেশের সোনা মজুতের একটি ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার তৈরি করতে পারবে বলে মনে করছে বাজুস।

দেশীয় দক্ষ কারিগরদের কাজে লাগিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০টি আধুনিক জুয়েলারি কারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে সংগঠনটি। এসব কারখানায় ৫০ হাজার মানুষের সরাসরি এবং আরও এক লাখ মানুষের পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। জিডিপিতে এ খাতের অতিরিক্ত শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ অবদান রাখার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঢাকায় ১০ বিঘা জমিতে ‘স্বর্ণপল্লী’ নামে বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল বরাদ্দ চেয়েছে বাজুস। সেখানে আধুনিক জুয়েলারি কারখানার পাশাপাশি হীরা প্রক্রিয়াজাতকরণ ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া অমসৃণ হীরা আমদানি-রপ্তানি বিধিমালা যুগোপযোগী করা এবং হীরা আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক কমিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য আনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

বাজুসের হিসাব অনুযায়ী, প্রস্তাবিত স্বর্ণপল্লীতে হীরা প্রক্রিয়াজাতকরণ ইউনিট স্থাপন করা গেলে ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ২০৩১ সালের মধ্যে বছরে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের হীরার অলংকার রপ্তানিও সম্ভব হবে।

বাজুস জানায়, ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি দেশের প্রায় ৪০ হাজার জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান ও চার লাখ কারিগরের প্রতিনিধিত্ব করছে। এ খাতের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ২৮ লাখ মানুষের জীবিকা নির্ভরশীল।

খুঁজুন