ক্ষমতা থাকাকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারি বাসভবন 'যমুনা'র আতিথেয়তা ও খাবার বিল বাবদ রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে খরচের এক চোখ কপালে ওঠার মতো নজিরবিহীন পরিসংখ্যান জনসমক্ষে উন্মোচিত হয়েছে, যা সরকারি কোষাগারের অর্থ ব্যবহার ও স্বচ্ছতা নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি প্রাপ্ত চাঞ্চল্যকর তথ্যে দেখা গেছে, ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকাকালীন মাত্র ৯ মাসের সময়সীমায় তাঁর বাসভবন যমুনায় খাবার ও আতিথেয়তা বিল বাবদ সরকারি কোষাগার থেকে উত্তোলন করা হয়েছে নগদ ১২৫ কোটি টাকা। রাষ্ট্রীয় মিতব্যয়িতা, দুর্নীতিবিরোধী সংস্কার এবং অপচয় রোধের নানা জোরালো প্রতিশ্রুতি নিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে মাত্র কয়েকমাসে কেবল খাবার বাবদ এত বিশাল অঙ্কের অর্থ খরচের সংবাদটি সাধারণ নাগরিকদের মাঝে বিশাল বিস্ময়, ক্ষোভ এবং তীব্র সমালোচনার ঝড় তুলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে এখন যমুনার এই অবিশ্বাস্য বাজেট নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে।
বিশেষজ্ঞ ও বাজেট বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বর্তমান সাধারণ জনগণের ওপর অর্থনৈতিক চাপ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির সময়ে সরকারি তহবিল থেকে খাবার বিলে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। রাষ্ট্রের প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় ড. ইউনূস ও তাঁর উপদেষ্টামণ্ডলীর বিদেশি মেহমান আপ্যায়ন, রাষ্ট্রীয় সম্মেলন বা অন্য কোনো বিশেষ কূটনৈতিক খরচের খাত দেখানোর চেষ্টা করা হলেও, কেবল ৯ মাসে ১২৫ কোটি টাকার ‘খাবার বিল’ উত্তোলনের ঘটনাটি রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের কাছে এক বড় ধরনের খটকা তৈরি করেছে। এই অংকের খবরটি সামনে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরগুলো এটিকে চরম অপচয় হিসেবে আখ্যা দিয়ে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ নিরপেক্ষ অডিট ও জবাবদিহিতার দাবি তুলে সোচ্চার হয়েছে। অন্যদিকে, ডাব্লিউএসজে বা বিশ্বমঞ্চের বিভিন্ন পরিমণ্ডলে ড. ইউনূসের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির সাথে এই অভ্যন্তরীণ বিশাল খরচের অসংগতি নিয়ে নীতিনির্ধারকদের ড্রয়িংরুমে এক অঘোষিত মনস্তাত্ত্বিক অস্বস্তি কাজ করছে। কিন্তু এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার।
#YunusFoodBillControversy #125CroreFoodBill #DrYunusGovernment #JamunaBudgetExposed #BangladeshPolitics2026
৯ মাসে ইউনুসের খাবার বিল ১২৫ কোটি টাকা
৯ মাসে ইউনুসের খাবার বিল ১২৫ কোটি টাকা
ক্ষমতা থাকাকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারি বাসভবন 'যমুনা'র আতিথেয়তা ও খাবার বিল বাবদ রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে খরচের এক চোখ কপালে ওঠার মতো নজিরবিহীন পরিসংখ্যান জনসমক্ষে উন্মোচিত হয়েছে, যা সরকারি কোষাগারের অর্থ ব্যবহার ও স্বচ্ছতা নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি প্রাপ্ত চাঞ্চল্যকর তথ্যে দেখা গেছে, ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকাকালীন মাত্র ৯ মাসের সময়সীমায় তাঁর বাসভবন যমুনায় খাবার ও আতিথেয়তা বিল বাবদ সরকারি কোষাগার থেকে উত্তোলন করা হয়েছে নগদ ১২৫ কোটি টাকা। রাষ্ট্রীয় মিতব্যয়িতা, দুর্নীতিবিরোধী সংস্কার এবং অপচয় রোধের নানা জোরালো প্রতিশ্রুতি নিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শীর্ষ পর্যায়
থেকে মাত্র কয়েকমাসে কেবল খাবার বাবদ এত বিশাল অঙ্কের অর্থ খরচের সংবাদটি সাধারণ নাগরিকদের মাঝে বিশাল বিস্ময়, ক্ষোভ এবং তীব্র সমালোচনার ঝড় তুলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে এখন যমুনার এই অবিশ্বাস্য বাজেট নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে।বিশেষজ্ঞ ও বাজেট বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বর্তমান সাধারণ জনগণের ওপর অর্থনৈতিক চাপ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির সময়ে সরকারি তহবিল থেকে খাবার বিলে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। রাষ্ট্রের প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় ড. ইউনূস ও তাঁর উপদেষ্টামণ্ডলীর বিদেশি মেহমান আপ্যায়ন, রাষ্ট্রীয় সম্মেলন বা অন্য কোনো বিশেষ কূটনৈতিক খরচের খাত দেখানোর চেষ্টা
করা হলেও, কেবল ৯ মাসে ১২৫ কোটি টাকার ‘খাবার বিল’ উত্তোলনের ঘটনাটি রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের কাছে এক বড় ধরনের খটকা তৈরি করেছে। এই অংকের খবরটি সামনে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরগুলো এটিকে চরম অপচয় হিসেবে আখ্যা দিয়ে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ নিরপেক্ষ অডিট ও জবাবদিহিতার দাবি তুলে সোচ্চার হয়েছে। অন্যদিকে, ডাব্লিউএসজে বা বিশ্বমঞ্চের বিভিন্ন পরিমণ্ডলে ড. ইউনূসের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির সাথে এই অভ্যন্তরীণ বিশাল খরচের অসংগতি নিয়ে নীতিনির্ধারকদের ড্রয়িংরুমে এক অঘোষিত মনস্তাত্ত্বিক অস্বস্তি কাজ করছে। কিন্তু এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার।#YunusFoodBillControversy #125CroreFoodBill #DrYunusGovernment #JamunaBudgetExposed #BangladeshPolitics2026
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত