আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর সময় ও ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা অর্থনীতি ও জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। জমি অধিগ্রহণ, অনুমোদন প্রক্রিয়ার ধীরগতি, টেন্ডার জটিলতা এবং সিদ্ধান্তহীনতার কারণে অনেক মেগা প্রজেক্ট বছরের পর বছর আটকে থাকছে
দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের বহুল আলোচিত ‘মডার্নাইজেশন অ্যান্ড এক্সপ্যানশন অব ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড’ (ইআরএল-২) প্রকল্প বাস্তবায়নে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। প্রায় দেড় যুগ ধরে ঝুলে থাকা এই প্রকল্পটি গত ফেব্রুয়ারিতে চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। তবে চার মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও এখন পর্যন্ত কোনো প্রকল্প পরিচালক (পিডি) নিয়োগ দিতে পারেনি জ্বালানি বিভাগ। এতে প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা ও ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে। সর্বশেষ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন
করতে প্রজেক্ট ম্যানেজম্যান্ট কনসালটেন্ট (পিএমসি) বা প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় পরার্মশক নিয়োগ প্রক্রিয়াও জটিল করে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন কর্মকর্তা।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও ইস্টার্ন রিফাইনারির একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অতীতে রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর স্বার্থের দ্বন্দ্বে প্রকল্পটি বারবার পিছিয়ে যায়। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন পক্ষ কাজ পাওয়ার দৌড়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত এস আলম গ্রুপের নাম সামনে আসে। পরে অন্তর্বর্তী সরকার সেই প্রক্রিয়া বাতিল করে নতুনভাবে অর্থায়ন ও অনুমোদনের উদ্যোগ নেয়। বর্তমান সরকার প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেও বাস্তবায়নের মূল প্রস্তুতিতে এখনও অগ্রগতি নেই।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অভিযোগ, এত বড় প্রকল্পে শুরুতেই একজন দক্ষ প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। একজন কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পের প্রাথমিক প্রস্তুতি থেকেই পিডি নিয়োগ দেওয়া হলে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সহজ হয়। কিন্তু রহস্যজনক কারণে এখনও সেই সিদ্ধান্ত হয়নি। তার দাবি, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা প্রকল্প বিষয়ে পর্যাপ্ত কারিগরি জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও পিডি হওয়ার চেষ্টা করছেন। এ কারণেও সিদ্ধান্ত ঝুলে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা পরামর্শক বা প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট (পিএমসি) নিয়োগ নিয়েও নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। গত ৩০ এপ্রিল জ্বালানি বিভাগ টার্মস অব রেফারেন্স (টিওআর) সংশোধনের জন্য বিপিসিকে চিঠি দেয়। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিপিসি ও ইস্টার্ন রিফাইনারির বিশেষজ্ঞদের তৈরি করা টিওআর পুনরায় পর্যালোচনা করে বেশ কিছু নতুন শর্ত ও সুপারিশ যুক্ত করতে বলা হয়েছে। বিভাগটির মতে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে দক্ষ পিএমসি নিয়োগ জরুরি। এ জন্য দেশীয় দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, রিফাইনারি নির্মাণ ও প্রযুক্তিগত বিষয়ে অভিজ্ঞ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, জাতীয় ক্রয় প্রশিক্ষক, টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন বিশেষজ্ঞ এবং মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের সমন্বয়ে টিওআর পুনরায় যাচাই-বাছাই করা যেতে পারে।
এ ছাড়া বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও পেশাজীবীদের সম্পৃক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমান ১০ সদস্যের পরিবর্তে ১৩ সদস্যের পিএমসি টিম গঠন করতে হবে এবং অন্তত তিনজন বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশ থেকে নিয়োগ দিতে হবে।
আগের টিওআরে পিএমসির সহায়ক জনবলের অন্তত ২০ শতাংশ বাংলাদেশ থেকে নিয়োগের কথা থাকলেও জ্বালানি বিভাগ তা বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এতে দেশীয় প্রকৌশলী ও পেশাজীবীরা আন্তর্জাতিক মানের রিফাইনারি প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ পাবেন এবং ভবিষ্যতের জন্য দক্ষ জনবল তৈরি হবে।
এ ছাড়া প্রকল্পের ডেলিভারেবল ও নির্মাণ অংশ আরও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে বাস্তবায়ন পর্যায়ে কোনো অস্পষ্টতা এড়াতেই এসব সংশোধনী আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। একই সঙ্গে সরকারি ক্রয় বিধিমালা পিপিআর-২০২৫ অনুসরণ করে অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পিএমসি নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে টিওআর প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত একাধিক কর্মকর্তা মনে করছেন, এসব বিষয়ের অনেকগুলো সহজেই সমাধানযোগ্য ছিল। তাদের অভিযোগ, অপ্রয়োজনীয় চিঠি চালাচালি ও প্রশাসনিক ধীরগতির কারণে প্রকল্প বাস্তবায়ন বিলম্বিত হচ্ছে। এতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যয়ও বাড়বে।
বর্তমানে ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ইস্টার্ন রিফাইনারির বার্ষিক তেল পরিশোধন সক্ষমতা ১৫ লাখ মেট্রিক টন। এটি দেশের মোট জ্বালানি তেলের চাহিদার মাত্র ২০ শতাংশ পূরণ করতে পারে। বাকি ৮০ শতাংশ পরিশোধিত জ্বালানি তেল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।
নতুন সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আরও একটি আধুনিক শোধনাগার ইউনিট যুক্ত হবে। তখন বার্ষিক পরিশোধন সক্ষমতা বেড়ে ৩০ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছাবে। এতে আমদানিনির্ভরতা কমবে, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পিছিয়ে যাচ্ছে নানা প্রকল্প
আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পিছিয়ে যাচ্ছে নানা প্রকল্প
আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর সময় ও ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা অর্থনীতি ও জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। জমি অধিগ্রহণ, অনুমোদন প্রক্রিয়ার ধীরগতি, টেন্ডার জটিলতা এবং সিদ্ধান্তহীনতার কারণে অনেক মেগা প্রজেক্ট বছরের পর বছর আটকে থাকছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের বহুল আলোচিত ‘মডার্নাইজেশন অ্যান্ড এক্সপ্যানশন অব ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড’ (ইআরএল-২) প্রকল্প বাস্তবায়নে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। প্রায় দেড় যুগ ধরে ঝুলে থাকা এই প্রকল্পটি গত ফেব্রুয়ারিতে চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। তবে চার মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও এখন পর্যন্ত কোনো প্রকল্প পরিচালক (পিডি) নিয়োগ দিতে পারেনি জ্বালানি বিভাগ। এতে প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা ও ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে। সর্বশেষ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে প্রজেক্ট ম্যানেজম্যান্ট কনসালটেন্ট (পিএমসি) বা প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় পরার্মশক নিয়োগ প্রক্রিয়াও জটিল করে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন কর্মকর্তা। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও ইস্টার্ন রিফাইনারির একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অতীতে রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর স্বার্থের দ্বন্দ্বে প্রকল্পটি বারবার পিছিয়ে যায়। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন পক্ষ কাজ পাওয়ার দৌড়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত এস আলম গ্রুপের নাম সামনে আসে। পরে অন্তর্বর্তী সরকার সেই প্রক্রিয়া বাতিল করে নতুনভাবে অর্থায়ন ও অনুমোদনের উদ্যোগ নেয়। বর্তমান সরকার প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেও বাস্তবায়নের মূল প্রস্তুতিতে এখনও অগ্রগতি নেই। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অভিযোগ, এত বড় প্রকল্পে শুরুতেই একজন দক্ষ প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও তা করা
হয়নি। একজন কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পের প্রাথমিক প্রস্তুতি থেকেই পিডি নিয়োগ দেওয়া হলে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সহজ হয়। কিন্তু রহস্যজনক কারণে এখনও সেই সিদ্ধান্ত হয়নি। তার দাবি, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা প্রকল্প বিষয়ে পর্যাপ্ত কারিগরি জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও পিডি হওয়ার চেষ্টা করছেন। এ কারণেও সিদ্ধান্ত ঝুলে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা পরামর্শক বা প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট (পিএমসি) নিয়োগ নিয়েও নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। গত ৩০ এপ্রিল জ্বালানি বিভাগ টার্মস অব রেফারেন্স (টিওআর) সংশোধনের জন্য বিপিসিকে চিঠি দেয়। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিপিসি ও ইস্টার্ন রিফাইনারির বিশেষজ্ঞদের তৈরি করা টিওআর পুনরায় পর্যালোচনা করে বেশ কিছু নতুন শর্ত ও সুপারিশ যুক্ত করতে বলা হয়েছে। বিভাগটির মতে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে দক্ষ পিএমসি নিয়োগ জরুরি। এ জন্য দেশীয় দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, রিফাইনারি নির্মাণ ও প্রযুক্তিগত বিষয়ে অভিজ্ঞ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, জাতীয় ক্রয় প্রশিক্ষক, টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন বিশেষজ্ঞ এবং মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের সমন্বয়ে টিওআর পুনরায় যাচাই-বাছাই করা যেতে পারে। এ ছাড়া বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও পেশাজীবীদের সম্পৃক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমান ১০ সদস্যের পরিবর্তে ১৩ সদস্যের পিএমসি টিম গঠন করতে হবে এবং অন্তত তিনজন বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশ থেকে নিয়োগ দিতে হবে।
আগের টিওআরে পিএমসির সহায়ক জনবলের অন্তত ২০ শতাংশ বাংলাদেশ থেকে নিয়োগের কথা থাকলেও জ্বালানি বিভাগ তা বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এতে দেশীয় প্রকৌশলী ও পেশাজীবীরা আন্তর্জাতিক মানের রিফাইনারি প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ পাবেন এবং ভবিষ্যতের জন্য দক্ষ জনবল তৈরি হবে। এ ছাড়া প্রকল্পের ডেলিভারেবল ও নির্মাণ অংশ আরও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে বাস্তবায়ন পর্যায়ে কোনো অস্পষ্টতা এড়াতেই এসব সংশোধনী আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। একই সঙ্গে সরকারি ক্রয় বিধিমালা পিপিআর-২০২৫ অনুসরণ করে অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পিএমসি নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে টিওআর প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত একাধিক কর্মকর্তা মনে করছেন, এসব বিষয়ের অনেকগুলো সহজেই সমাধানযোগ্য ছিল। তাদের অভিযোগ, অপ্রয়োজনীয় চিঠি চালাচালি ও প্রশাসনিক ধীরগতির কারণে প্রকল্প বাস্তবায়ন বিলম্বিত হচ্ছে। এতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যয়ও বাড়বে। বর্তমানে ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ইস্টার্ন রিফাইনারির বার্ষিক তেল পরিশোধন সক্ষমতা ১৫ লাখ মেট্রিক টন। এটি দেশের মোট জ্বালানি তেলের চাহিদার মাত্র ২০ শতাংশ পূরণ করতে পারে। বাকি ৮০ শতাংশ পরিশোধিত জ্বালানি তেল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। নতুন সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আরও একটি আধুনিক শোধনাগার ইউনিট যুক্ত হবে। তখন বার্ষিক পরিশোধন সক্ষমতা বেড়ে ৩০ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছাবে। এতে আমদানিনির্ভরতা কমবে, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত