রাজধানী ডেস্ক: পরিবারের চরম আর্থিক অনটনের কারণে খুব কম বয়সেই উপার্জনের পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছিল আট বছর বয়সী শিশু হাসান। জীবিকার তাগিদে বই-খাতার বদলে তাকে রাস্তায় বাদাম বিক্রি করতে হতো। কিন্তু ঢাকা জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এখন তার হাতে উঠছে বই-খাতা। পড়াশোনার সুযোগ করে দিতে তাকে স্কুলে ভর্তির ব্যবস্থা করেছেন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। পাশাপাশি তার পরিবারকে আর্থিক সংকট দূর করতে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
অসুস্থ পিতার মৃত্যুর পর মা এবং তিন ভাই-বোনকে নিয়ে বারিধারার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করে হাসান। পরিবারের করুণ অবস্থার কারণে বাধ্য হয়ে তাকে বাদাম বিক্রির মতো কঠোর শ্রমে যুক্ত হতে হয়। শিশুটির এমন কষ্টের জীবনযাপনের খবর জেলা প্রশাসনের নজরে আসে। এরপর সম্প্রতি শিশুটিকে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে নিজের কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান ঢাকা জেলা প্রশাসক।
কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে জেলা প্রশাসক শিশুটির পরিবারের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং তার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নেন। এই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে জেলা প্রশাসক বলেন, শিক্ষা প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকার এবং দারিদ্র্যের কারণে কেউ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হতে পারে না। শিশুদের হাতে শ্রমের বদলে বই তুলে দেওয়া সবার নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ তৈরি করা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে শিশুটির পরিবারে নতুন করে আশার আলো সঞ্চারিত হয়েছে। বাদামের প্যাকেট হাতে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর দিন শেষ করে এখন সে স্কুলের আঙিনায় পা রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সঠিক সহায়তা ও সুযোগ পেলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা যে নিজেদের জীবন বদলে দিতে পারে, হাসানের এই ঘটনা তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
বাদাম বিক্রির জীবন থেকে স্কুলের আঙিনায় ৮ বছরের হাসান
বাদাম বিক্রির জীবন থেকে স্কুলের আঙিনায় ৮ বছরের হাসান
রাজধানী ডেস্ক: পরিবারের চরম আর্থিক অনটনের কারণে খুব কম বয়সেই উপার্জনের পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছিল আট বছর বয়সী শিশু হাসান। জীবিকার তাগিদে বই-খাতার বদলে তাকে রাস্তায় বাদাম বিক্রি করতে হতো। কিন্তু ঢাকা জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এখন তার হাতে উঠছে বই-খাতা। পড়াশোনার সুযোগ করে দিতে তাকে স্কুলে ভর্তির ব্যবস্থা করেছেন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। পাশাপাশি তার পরিবারকে আর্থিক সংকট দূর করতে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।অসুস্থ পিতার মৃত্যুর পর মা এবং তিন ভাই-বোনকে নিয়ে বারিধারার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু
করে হাসান। পরিবারের করুণ অবস্থার কারণে বাধ্য হয়ে তাকে বাদাম বিক্রির মতো কঠোর শ্রমে যুক্ত হতে হয়। শিশুটির এমন কষ্টের জীবনযাপনের খবর জেলা প্রশাসনের নজরে আসে। এরপর সম্প্রতি শিশুটিকে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে নিজের কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান ঢাকা জেলা প্রশাসক।কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে জেলা প্রশাসক শিশুটির পরিবারের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং তার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নেন। এই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে জেলা প্রশাসক বলেন, শিক্ষা প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকার এবং দারিদ্র্যের কারণে কেউ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হতে পারে
না। শিশুদের হাতে শ্রমের বদলে বই তুলে দেওয়া সবার নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ তৈরি করা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে শিশুটির পরিবারে নতুন করে আশার আলো সঞ্চারিত হয়েছে। বাদামের প্যাকেট হাতে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর দিন শেষ করে এখন সে স্কুলের আঙিনায় পা রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সঠিক সহায়তা ও সুযোগ পেলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা যে নিজেদের জীবন বদলে দিতে পারে, হাসানের এই ঘটনা তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত