পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে অবৈধ ইটভাটা বন্ধ এবং নির্মাণকাজে ব্লক ইটের ব্যবহার বাড়ানো বিষয়ে অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে গতকাল বুধবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন।
প্রধান অতিথি পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে অবৈধ ইটভাটা বন্ধ এবং নির্মাণকাজে ব্লক ইটের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গত ১৮ জুলাই ২০২৬ অনুষ্ঠিত পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক ফলোআপ সভার সিদ্ধান্তসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোকে নির্মাণকাজে ব্লক ইটের ব্যবহার আরও বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মেজবাহ উদ্দীনের এ সভায় ভাপতিত্ব করেন।
এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যের পাশাপাশি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ইটভাটা ও এর ক্ষতিকর দিক, উন্নত প্রযুক্তির ইটভাটা, ব্লক ইট ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ও করণীয় এবং ইটভাটা সংক্রান্ত সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন পরিবেশ অধিদপ্তর, বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আসাদুর রহমান।
এসময় ‘ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইনের উল্লেখযোগ্য ধারাসমূহ সম্পর্কে আলোকপাত করেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেলোয়ার হোসেন।
পরবর্তীতে ব্লক ইট তৈরিতে কারিগরি সহায়তা প্রদানকারী এনজিও কোডেক (কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার)-এর ফোকাল পারসন সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ব্লক ইট বিষয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।
সভায় গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মধুসূদন দেবনাথ জানান, তাদের বর্তমান নির্মাণকাজে প্রায় ৯৫ শতাংশ ব্লক ব্যবহার করা হচ্ছে।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীরা জানান, তাদের কার্যক্রমে যথাক্রমে ৪০ শতাংশ ও ২০ শতাংশ ব্লক ব্যবহার করা হচ্ছে।
সভায় কাজী কংক্রিটের স্বত্বাধিকারী মো. জিয়াউল ইসলাম ব্লক তৈরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মধুসূদন দেবনাথ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মঞ্জুর রশিদ, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাফিজ আক্তার, বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীন বিথী, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের প্রতিনিধিরা এ ছাড়া বাগেরহাট জেলার ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি শেখ আব্দুস সাত্তারসহ বিভিন্ন ইটভাটার মালিক, কাঠ পোড়ানো পাঁজা ভাটার মালিক এবং ব্লক ইট উৎপাদনকারীরা সভায় অংশ নেন।
বাগেরহাটে অবৈধ ইটভাটা বন্ধ ও ব্লক ব্যবহার বিষয়ে অংশীজন সভা
বাগেরহাটে অবৈধ ইটভাটা বন্ধ ও ব্লক ব্যবহার বিষয়ে অংশীজন সভা
পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে অবৈধ ইটভাটা বন্ধ এবং নির্মাণকাজে ব্লক ইটের ব্যবহার বাড়ানো বিষয়ে অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে গতকাল বুধবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন।প্রধান অতিথি পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে অবৈধ ইটভাটা বন্ধ এবং নির্মাণকাজে ব্লক ইটের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জেলা প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গত ১৮ জুলাই ২০২৬ অনুষ্ঠিত পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক ফলোআপ সভার সিদ্ধান্তসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোকে নির্মাণকাজে ব্লক ইটের ব্যবহার আরও বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মেজবাহ উদ্দীনের এ সভায় ভাপতিত্ব
করেন। এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যের পাশাপাশি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ইটভাটা ও এর ক্ষতিকর দিক, উন্নত প্রযুক্তির ইটভাটা, ব্লক ইট ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ও করণীয় এবং ইটভাটা সংক্রান্ত সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন পরিবেশ অধিদপ্তর, বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আসাদুর রহমান। এসময় ‘ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইনের উল্লেখযোগ্য ধারাসমূহ সম্পর্কে আলোকপাত করেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেলোয়ার হোসেন। পরবর্তীতে ব্লক ইট তৈরিতে কারিগরি সহায়তা প্রদানকারী এনজিও কোডেক (কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার)-এর ফোকাল পারসন সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ব্লক ইট বিষয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। সভায় গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মধুসূদন দেবনাথ জানান, তাদের বর্তমান নির্মাণকাজে প্রায় ৯৫ শতাংশ ব্লক ব্যবহার করা হচ্ছে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর
ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীরা জানান, তাদের কার্যক্রমে যথাক্রমে ৪০ শতাংশ ও ২০ শতাংশ ব্লক ব্যবহার করা হচ্ছে। সভায় কাজী কংক্রিটের স্বত্বাধিকারী মো. জিয়াউল ইসলাম ব্লক তৈরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মধুসূদন দেবনাথ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মঞ্জুর রশিদ, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাফিজ আক্তার, বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীন বিথী, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের প্রতিনিধিরা এ ছাড়া বাগেরহাট জেলার ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি শেখ আব্দুস সাত্তারসহ বিভিন্ন ইটভাটার মালিক, কাঠ পোড়ানো পাঁজা ভাটার মালিক এবং ব্লক ইট উৎপাদনকারীরা সভায় অংশ নেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত