পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ আরো বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর যে মন্তব্য করেছেন, তা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আগের সম্পাদিত উড়োজাহাজ ক্রয় চুক্তির বিষয়ে হয়ে থাকতে পারে।
আজ সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘বোয়িংয়ের কাছ থেকে উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে তার মন্তব্য আগের চুক্তির বিষয়ে হয়ে থাকতে পারে।’
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত এবং ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের আরো বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার জন্য ‘বিলিয়ন ডলারের’ ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি সংবলিত ‘আরেকটি অবিশ্বাস্য চুক্তি’ করেছেন।
গর আরো দাবি করেন, বাংলাদেশ তাদের প্রাথমিক বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়ের আদেশ ‘উল্লেখযোগ্যভাবে’ বাড়াবে। তার এ মন্তব্যের পর বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্র বা বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন কোনো উড়োজাহাজ ক্রয় চুক্তি করেছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
বহর সম্প্রসারণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ বিমানের জন্য ১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স গত ৩০ এপ্রিল ঢাকায় মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে একটি চুক্তি সই করে।
এ চুক্তির আওতায় আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দু’টি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ রয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় পরবর্তীতে জানায়, ১৪টি উড়োজাহাজের ওই চুক্তির বাইরে বোয়িংয়ের সঙ্গে আলাদা কোনো উড়োজাহাজ ক্রয় চুক্তি হয়নি।
এর আগে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছিলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার বিষয়গুলো বাংলাদেশ জাতীয় স্বার্থের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে।
তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের দৃশ্যমানতা ও প্রভাব বাড়ানোর পাশাপাশি সরকার শক্ত অবস্থান থেকে তার বৈদেশিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
বোয়িং সংক্রান্ত সার্জিও গরের মন্তব্য আগের চুক্তির বিষয়ে হতে পারে : শামা ওবায়েদ
বোয়িং সংক্রান্ত সার্জিও গরের মন্তব্য আগের চুক্তির বিষয়ে হতে পারে : শামা ওবায়েদ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ আরো বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর যে মন্তব্য করেছেন, তা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আগের সম্পাদিত উড়োজাহাজ ক্রয় চুক্তির বিষয়ে হয়ে থাকতে পারে। আজ সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘বোয়িংয়ের কাছ থেকে উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে তার মন্তব্য আগের চুক্তির বিষয়ে হয়ে থাকতে পারে।’ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত এবং ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের
আরো বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার জন্য ‘বিলিয়ন ডলারের’ ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি সংবলিত ‘আরেকটি অবিশ্বাস্য চুক্তি’ করেছেন। গর আরো দাবি করেন, বাংলাদেশ তাদের প্রাথমিক বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়ের আদেশ ‘উল্লেখযোগ্যভাবে’ বাড়াবে। তার এ মন্তব্যের পর বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্র বা বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন কোনো উড়োজাহাজ ক্রয় চুক্তি করেছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বহর সম্প্রসারণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ বিমানের জন্য ১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স গত ৩০ এপ্রিল ঢাকায় মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে একটি চুক্তি সই করে। এ চুক্তির আওতায় আটটি
বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দু’টি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ রয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় পরবর্তীতে জানায়, ১৪টি উড়োজাহাজের ওই চুক্তির বাইরে বোয়িংয়ের সঙ্গে আলাদা কোনো উড়োজাহাজ ক্রয় চুক্তি হয়নি। এর আগে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছিলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার বিষয়গুলো বাংলাদেশ জাতীয় স্বার্থের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে। তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের দৃশ্যমানতা ও প্রভাব বাড়ানোর পাশাপাশি সরকার শক্ত অবস্থান থেকে তার বৈদেশিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত