ক্যাম্পাস ডেস্ক: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্যামা পূজা ও দীপাবলি জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। সন্ধ্যার সময় মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বালন এবং বিশেষ আরতির মাধ্যমে পূজার মূল কার্যক্রম শুরু হয়। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে সেখানে একটি বিশেষ আলোচনা সভারও আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্ম পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক অঞ্জন কুমার চৌধুরী প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন যে কালী হচ্ছেন মূলত আদিশক্তি এবং আদ্যাশক্তি। এই শক্তির আরাধনার মাধ্যমেই মূলত মোক্ষ লাভের চেষ্টা করা হয়ে থাকে। এটি মূলত অজ্ঞানতা, কুশিক্ষা এবং সব ধরনের মৃত্যুভয়ের বিরুদ্ধে এক ধরনের পবিত্র আরাধনা।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে মানবজাতির কাছে তাদের মূল বার্তা হলো মানুষ হিসেবে সবাই অত্যন্ত ক্ষুদ্র। মানুষের মধ্যকার অজ্ঞানতা, লোভ এবং ভয় দূর করে একটি সুন্দর পৃথিবী গড়ার আহ্বান জানান তিনি। ধর্ম এবং বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন একটি পরিবারের মতো একত্রে বসবাস করতে পারে, সেই প্রার্থনা করেন বক্তারা। পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
উৎসবের একটি অন্যতম আকর্ষণ ছিল এ বছরের প্রতিমার বিশেষ থিম। এই বিষয়ে সমাজতত্ত্ব বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান যে এ বছরের থিম নির্ধারণ করা হয়েছিল মাতৃরূপ এবং শক্তিরূপের সমন্বয়ে। যে মা পরম মমতায় সন্তানকে আগলে রাখেন, প্রয়োজনে তিনিই অসুর বিনাশের জন্য খড়গ হাতে তুলে নেন। এভাবে মাতৃস্নেহ এবং মাতৃশক্তির এক অনন্য রূপ এই উদযাপনের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্যামা পূজা ও দীপাবলি উৎসব
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্যামা পূজা ও দীপাবলি উৎসব
ক্যাম্পাস ডেস্ক: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্যামা পূজা ও দীপাবলি জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। সন্ধ্যার সময় মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বালন এবং বিশেষ আরতির মাধ্যমে পূজার মূল কার্যক্রম শুরু হয়। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে সেখানে একটি বিশেষ আলোচনা সভারও আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্ম পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক অঞ্জন কুমার চৌধুরী প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন যে কালী
হচ্ছেন মূলত আদিশক্তি এবং আদ্যাশক্তি। এই শক্তির আরাধনার মাধ্যমেই মূলত মোক্ষ লাভের চেষ্টা করা হয়ে থাকে। এটি মূলত অজ্ঞানতা, কুশিক্ষা এবং সব ধরনের মৃত্যুভয়ের বিরুদ্ধে এক ধরনের পবিত্র আরাধনা।তিনি আরও উল্লেখ করেন যে মানবজাতির কাছে তাদের মূল বার্তা হলো মানুষ হিসেবে সবাই অত্যন্ত ক্ষুদ্র। মানুষের মধ্যকার অজ্ঞানতা, লোভ এবং ভয় দূর করে একটি সুন্দর পৃথিবী গড়ার আহ্বান জানান তিনি। ধর্ম এবং বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন একটি পরিবারের মতো একত্রে বসবাস করতে পারে, সেই
প্রার্থনা করেন বক্তারা। পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।উৎসবের একটি অন্যতম আকর্ষণ ছিল এ বছরের প্রতিমার বিশেষ থিম। এই বিষয়ে সমাজতত্ত্ব বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান যে এ বছরের থিম নির্ধারণ করা হয়েছিল মাতৃরূপ এবং শক্তিরূপের সমন্বয়ে। যে মা পরম মমতায় সন্তানকে আগলে রাখেন, প্রয়োজনে তিনিই অসুর বিনাশের জন্য খড়গ হাতে তুলে নেন। এভাবে মাতৃস্নেহ এবং মাতৃশক্তির এক অনন্য রূপ এই উদযাপনের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত