ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে নতুন নানা উদ্যোগ হাতে নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে বিনামূল্যে বই বিতরণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস, জুতা, মোজা ও ব্যাগ দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী বছর থেকে পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে এবং শিক্ষার্থীপ্রতি বছরে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৫০ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য গণমাধ্যমকে জানান।
পাঁচ বছর মেয়াদি প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) প্রকল্পের আওতায় এসব কল্যাণমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে। এই প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১ হাজার ৯০ কোটি টাকা, যার মধ্যে সরকারের অর্থায়ন ৩৩ হাজার ২০৩ কোটি এবং বৈদেশিক অর্থায়ন ৭ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা। পোশাক ও উপকরণের সম্ভাব্য বরাদ্দের হিসাব অনুযায়ী স্কুল ড্রেসের জন্য ৬০০, ব্যাগে ৬০০, জুতায় ৭০০ এবং মোজায় ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কেনাকাটার কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকৃত ব্যয় চূড়ান্ত হবে।
বৃহৎ এই প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে। শিশুদের স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ উপহার দিতে এই পদক্ষেপে একজন কর্মীর মাসিক সর্বোচ্চ বেতন ধরা হয়েছে ৫ হাজার টাকা। ইতিমধ্যে পোশাকের মান ও মাপ নির্ধারণে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং পাইলট কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আগামী ২৪ ডিসেম্বর প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনই নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই বিতরণ করা হবে।
তবে প্রথম বছর শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই সব স্কুল ড্রেস ও অন্যান্য উপকরণ একসঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে না। এক কোটির বেশি শিক্ষার্থীর জন্য সঠিক মাপ ও মান নিশ্চিত করতে বাড়তি প্রস্তুতির প্রয়োজন থাকায় সরকার তাড়াহুড়ো করতে চায় না। পর্যায়ক্রমে পরবর্তী বছরগুলোতে স্কুল খোলার সময়ই এসব উপকরণ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, মিড-ডে মিল কার্যক্রম সম্প্রসারণ করে শিশুদের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।
বিদ্যালয়ের খাবার থেকে শিশুর দৈনিক পুষ্টির চাহিদার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে। রান্না করা খাবার ও কুপন পদ্ধতির প্রস্তাবগুলো দেশব্যাপী চালুর আগে পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়ন করা হবে এবং ফলাফল পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শিশুদের শৌচাগার ও পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করা হয়। এসব উদ্যোগ প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে এবং শিশুদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন বছরে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাবে বই-ড্রেস-জুতা ও ব্যাগ
নতুন বছরে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাবে বই-ড্রেস-জুতা ও ব্যাগ
ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে নতুন নানা উদ্যোগ হাতে নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে বিনামূল্যে বই বিতরণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস, জুতা, মোজা ও ব্যাগ দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী বছর থেকে পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে এবং শিক্ষার্থীপ্রতি বছরে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৫০ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য গণমাধ্যমকে জানান।পাঁচ বছর মেয়াদি প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) প্রকল্পের আওতায় এসব কল্যাণমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে। এই প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১ হাজার ৯০ কোটি টাকা, যার মধ্যে সরকারের অর্থায়ন ৩৩ হাজার ২০৩ কোটি এবং বৈদেশিক অর্থায়ন ৭ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা। পোশাক ও উপকরণের
সম্ভাব্য বরাদ্দের হিসাব অনুযায়ী স্কুল ড্রেসের জন্য ৬০০, ব্যাগে ৬০০, জুতায় ৭০০ এবং মোজায় ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কেনাকাটার কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকৃত ব্যয় চূড়ান্ত হবে।বৃহৎ এই প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে। শিশুদের স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ উপহার দিতে এই পদক্ষেপে একজন কর্মীর মাসিক সর্বোচ্চ বেতন ধরা হয়েছে ৫ হাজার টাকা। ইতিমধ্যে পোশাকের মান ও মাপ নির্ধারণে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং পাইলট কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আগামী ২৪ ডিসেম্বর প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনই নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই বিতরণ করা হবে।তবে প্রথম বছর শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই সব স্কুল ড্রেস ও অন্যান্য উপকরণ একসঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে না।
এক কোটির বেশি শিক্ষার্থীর জন্য সঠিক মাপ ও মান নিশ্চিত করতে বাড়তি প্রস্তুতির প্রয়োজন থাকায় সরকার তাড়াহুড়ো করতে চায় না। পর্যায়ক্রমে পরবর্তী বছরগুলোতে স্কুল খোলার সময়ই এসব উপকরণ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, মিড-ডে মিল কার্যক্রম সম্প্রসারণ করে শিশুদের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।বিদ্যালয়ের খাবার থেকে শিশুর দৈনিক পুষ্টির চাহিদার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে। রান্না করা খাবার ও কুপন পদ্ধতির প্রস্তাবগুলো দেশব্যাপী চালুর আগে পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়ন করা হবে এবং ফলাফল পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শিশুদের শৌচাগার ও পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করা হয়। এসব উদ্যোগ প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে এবং শিশুদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত