বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের পাশাপাশি জনগণের মধ্যে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
আজ বুধবার রাজধানীর মহাখালী সাততলা বস্তি সংলগ্ন এএফএমআই মসজিদ প্রাঙ্গণে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
যুবদলের দেশজুড়ে সাত দিনব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ওকর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদল এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির আশপাশ, নির্মাণাধীন ভবন, ছাদ, ড্রেন, নালা, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা, টব ও যেসব স্থানে পানি জমে থাকতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।
তিনি বলেন, শুধু মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করলেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। নাগরিকদের নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রত্যেক নাগরিককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, জনসচেতনতা সৃষ্টি ছাড়া ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে স্থায়ী সাফল্য অর্জন কঠিন। তাই জনগণের কাছে ডেঙ্গুর কারণ, এডিস মশার প্রজননস্থল এবং প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর প্রতি বাড়তি নজর দিতে হবে।
তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা একটি চলমান প্রক্রিয়া। শুধু কর্মসূচির দিন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করলে হবে না। নিজ নিজ এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিতে হবে। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বাজার ও কর্মস্থল, সব জায়গায় পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
নুরুল ইসলাম নয়ন আরও বলেন, যুবসমাজ দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও জনস্বাস্থ্য সংকটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। যুবদলের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন করার কাজও করতে চান। ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু নগরাঞ্চল নয়, দেশের প্রত্যন্ত এলাকাতেও সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন।
এর আগে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন উপস্থিত থেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
তারা মসজিদ প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
কর্মসূচির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শরীফ উদ্দিন জুয়েল এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল মিরাজ।
এ সময় যুবদল নেতারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। এজন্য রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বাড়াতে হবে
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বাড়াতে হবে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের পাশাপাশি জনগণের মধ্যে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। আজ বুধবার রাজধানীর মহাখালী সাততলা বস্তি সংলগ্ন এএফএমআই মসজিদ প্রাঙ্গণে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। যুবদলের দেশজুড়ে সাত দিনব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ওকর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদল এ কর্মসূচির আয়োজন করে। নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির আশপাশ, নির্মাণাধীন ভবন, ছাদ, ড্রেন, নালা, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা, টব ও যেসব স্থানে পানি জমে থাকতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। তিনি বলেন, শুধু মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করলেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। নাগরিকদের নিজেদের বাসাবাড়ি
ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রত্যেক নাগরিককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, জনসচেতনতা সৃষ্টি ছাড়া ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে স্থায়ী সাফল্য অর্জন কঠিন। তাই জনগণের কাছে ডেঙ্গুর কারণ, এডিস মশার প্রজননস্থল এবং প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর প্রতি বাড়তি নজর দিতে হবে। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা একটি চলমান প্রক্রিয়া। শুধু কর্মসূচির দিন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করলে হবে না। নিজ নিজ এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিতে হবে। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বাজার ও কর্মস্থল, সব জায়গায় পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। নুরুল ইসলাম নয়ন আরও বলেন, যুবসমাজ দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও জনস্বাস্থ্য সংকটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। যুবদলের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন করার কাজও করতে চান। ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশব্যাপী কর্মসূচির
মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু নগরাঞ্চল নয়, দেশের প্রত্যন্ত এলাকাতেও সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন। এর আগে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন উপস্থিত থেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তারা মসজিদ প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। কর্মসূচির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শরীফ উদ্দিন জুয়েল এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল মিরাজ। এ সময় যুবদল নেতারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। এজন্য রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত