সময় তার নিয়মে এগিয়ে যায়। ক্যালেন্ডারের পাতা বদলায়, ঋতু পরিবর্তন হয়, নতুন দিন আসে। কিন্তু কিছু দিন ইতিহাসে কেবল একটি তারিখ হয়ে থাকে না সেগুলো মানুষের স্মৃতি, বেদনা ও অশ্রুর অংশ হয়ে যায়। ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই তেমনই একটি দিন।
গোপালগঞ্জ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিশেষ জনপদ। এই মাটিকে ঘিরে মানুষের আবেগ শুধু ভূগোলের নয়, ইতিহাসেরও। কোটি কোটি মানুষের কাছে এটি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবাহী ভূমি, আত্মপরিচয়ের একটি অংশ।
সেই কারণেই অনেকের কাছে ওই দিনের প্রতিরোধ ছিল বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি ও মর্যাদা রক্ষার প্রতীক। তারা টুঙ্গিপাড়ার মুজিবরের জন্মভিটার অপমান সইতে না পেরে ইউনুসের ছায়ায় প্রতিষ্ঠিত একটি দলের নেতাদের প্রতিরোধে মাঠে নেমে ছিলেন।
গোপালগঞ্জের সেই দিনটি অনেকের কাছে শুধু একটি সহিংস ঘটনার স্মৃতি নয় এটি হারিয়ে যাওয়া প্রিয়জনদের মুখ, অসমাপ্ত স্বপ্ন আর অগণিত অশ্রুর প্রতিচ্ছবি। রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সংঘটিত সহিংসতায় কয়েকটি পরিবার মুহূর্তেই তাদের আপনজনকে হারায়। একটি মুহূর্ত বদলে দেয় বহু মানুষের সমগ্র জীবন।
যারা আর ফিরবেন না, তারা কোনো পরিসংখ্যান নন। তারা ছিলেন কারও বাবা, কারও ছেলে, কারও ভাই, কারও স্বামী। তাদের অনুপস্থিতি আজও প্রতিদিন অনুভব করে তাদের পরিবার। কোনো মা এখনও সন্তানের কণ্ঠস্বর খোঁজেন, কোনো সন্তান অপেক্ষা করে এমন একজনের জন্য, যিনি আর কখনও ফিরে আসবেন না।
এসএমজি, একে 47, রাইফেলের সামনে সিনা টানটান করে দাঁড়িয়ে ছিলেন৷ সেদিন ইউনুসের লেলিয়ে দেয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নিহত হন দীপ্ত সাহা, রমজান কাজী, ইমন তালুকদার, সোহেল মোল্লা এবং রমজান মুন্সি।
তাদের প্রত্যেকের একটি করে পরিবার ছিল। কেউ ছিলেন সন্তানের বাবা, কেউ কারও একমাত্র ছেলে, কেউ ভাই, কেউ স্বামী। রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের বাইরেও তাদের পরিচয় ছিল তারা ছিলেন কারও প্রিয় মানুষ।
এক বছর পেরিয়েছে। কিন্তু একটি প্রশ্ন এখনও রয়ে গেছে প্রতিটি প্রাণহানির প্রকৃত সত্য কী? এই প্রশ্নের উত্তর নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসনের ভিত্তিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
আজকের এই দিনটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, রাজনৈতিক মতপার্থক্য কখনো মানুষের জীবনকে তুচ্ছ করে দিতে পারে না। মত থাকবে, বিতর্ক থাকবে, কিন্তু রক্তপাত কোনো সভ্য সমাজের পথ হতে পারে না।
শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি—
দীপ্ত সাহা
রমজান কাজী
ইমন তালুকদার
সোহেল মোল্লা
রমজান মুন্সি
তাঁদের স্মৃতি আমাদের মনে করিয়ে দিক সত্য, ন্যায়বিচার ও মানবিকতার পথই একটি জাতির সবচেয়ে বড় শক্তি।১৬ জুলাই ২০২৫ সালে গোপালগঞ্জের গণহত্যার রাজনৈতিক উসকানিদাতা ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিচারের দাবিতে মিছিল-সমাবেশ চলছে।
এক বছর পরও রক্তের সেই দাগ শুকায়নি
এক বছর পরও রক্তের সেই দাগ শুকায়নি
সময় তার নিয়মে এগিয়ে যায়। ক্যালেন্ডারের পাতা বদলায়, ঋতু পরিবর্তন হয়, নতুন দিন আসে। কিন্তু কিছু দিন ইতিহাসে কেবল একটি তারিখ হয়ে থাকে না সেগুলো মানুষের স্মৃতি, বেদনা ও অশ্রুর অংশ হয়ে যায়। ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই তেমনই একটি দিন। গোপালগঞ্জ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিশেষ জনপদ। এই মাটিকে ঘিরে মানুষের আবেগ শুধু ভূগোলের নয়, ইতিহাসেরও। কোটি কোটি মানুষের কাছে এটি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবাহী ভূমি, আত্মপরিচয়ের একটি অংশ। সেই কারণেই অনেকের কাছে ওই দিনের প্রতিরোধ ছিল বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি ও মর্যাদা রক্ষার প্রতীক। তারা টুঙ্গিপাড়ার মুজিবরের জন্মভিটার অপমান সইতে না পেরে ইউনুসের ছায়ায় প্রতিষ্ঠিত একটি দলের নেতাদের প্রতিরোধে মাঠে নেমে ছিলেন। গোপালগঞ্জের সেই দিনটি অনেকের কাছে শুধু একটি সহিংস ঘটনার স্মৃতি নয় এটি হারিয়ে যাওয়া
প্রিয়জনদের মুখ, অসমাপ্ত স্বপ্ন আর অগণিত অশ্রুর প্রতিচ্ছবি। রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সংঘটিত সহিংসতায় কয়েকটি পরিবার মুহূর্তেই তাদের আপনজনকে হারায়। একটি মুহূর্ত বদলে দেয় বহু মানুষের সমগ্র জীবন। যারা আর ফিরবেন না, তারা কোনো পরিসংখ্যান নন। তারা ছিলেন কারও বাবা, কারও ছেলে, কারও ভাই, কারও স্বামী। তাদের অনুপস্থিতি আজও প্রতিদিন অনুভব করে তাদের পরিবার। কোনো মা এখনও সন্তানের কণ্ঠস্বর খোঁজেন, কোনো সন্তান অপেক্ষা করে এমন একজনের জন্য, যিনি আর কখনও ফিরে আসবেন না। এসএমজি, একে 47, রাইফেলের সামনে সিনা টানটান করে দাঁড়িয়ে ছিলেন৷ সেদিন ইউনুসের লেলিয়ে দেয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নিহত হন দীপ্ত সাহা, রমজান কাজী, ইমন তালুকদার, সোহেল মোল্লা এবং রমজান মুন্সি। তাদের প্রত্যেকের একটি করে পরিবার ছিল। কেউ ছিলেন সন্তানের বাবা, কেউ কারও একমাত্র ছেলে, কেউ
ভাই, কেউ স্বামী। রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের বাইরেও তাদের পরিচয় ছিল তারা ছিলেন কারও প্রিয় মানুষ। এক বছর পেরিয়েছে। কিন্তু একটি প্রশ্ন এখনও রয়ে গেছে প্রতিটি প্রাণহানির প্রকৃত সত্য কী? এই প্রশ্নের উত্তর নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসনের ভিত্তিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।আজকের এই দিনটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, রাজনৈতিক মতপার্থক্য কখনো মানুষের জীবনকে তুচ্ছ করে দিতে পারে না। মত থাকবে, বিতর্ক থাকবে, কিন্তু রক্তপাত কোনো সভ্য সমাজের পথ হতে পারে না।শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি—দীপ্ত সাহারমজান কাজীইমন তালুকদারসোহেল মোল্লারমজান মুন্সিতাঁদের স্মৃতি আমাদের মনে করিয়ে দিক সত্য, ন্যায়বিচার ও মানবিকতার পথই একটি জাতির সবচেয়ে বড় শক্তি।১৬ জুলাই ২০২৫ সালে গোপালগঞ্জের গণহত্যার রাজনৈতিক উসকানিদাতা ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিচারের দাবিতে মিছিল-সমাবেশ চলছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত