রেকর্ড সৃষ্টিকারী মাত্রায় শক্তিশালী হতে পারে এমন এল নিনো জলবায়ু পরিস্থিতির কারণে শনিবার ল্যাটিন আমেরিকার সর্বশেষ দেশ হিসেবে ইকুয়েডর জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
এ বছরের এল নিনো ইতোমধ্যে মধ্য আমেরিকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাচ্ছে। অঞ্চলটি বর্তমানে তীব্র খরার কবলে রয়েছে। ইন্দোনেশিয়াতেও এটি দাবানলের প্রকোপ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
কুইটো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
বিজ্ঞানীরা বলেছেন, চলমান এল নিনো বছরের শেষ নাগাদ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে। এর ফলে ২০২৭ সালে বিশ্বে রেকর্ড পরিমাণ তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
ইকুয়েডরের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘এল নিনো পরিস্থিতির’ কারণে পুরো দেশে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে।
এই সতর্কতার আওতায় জরুরি কমিটিগুলো সক্রিয় করা হয়েছে। এসব কমিটির দায়িত্ব হবে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে আগাম সরিয়ে নেওয়াসহ অন্যান্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সমন্বয় করা।
এল নিনোর কারণে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এতে বাতাসের গতিপথ, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যায়। এর ফলে মাছ ধরা ও পাখির পরিযানও ব্যাহত হয়।
ইকুয়েডর দেশের পূর্বাঞ্চলের আমাজন এলাকায় খরা ও দাবানলের আশঙ্কাও করছে।
এল নিনোর কারণে পানামা, হন্ডুরাস ও এল সালভাদর ইতোমধ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।
দক্ষিণে পেরুও এল নিনোর কারণে দেশটির এক-তৃতীয়াংশ শহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। দেশটি সতর্ক করে বলেছে, তীব্র তাপ ও বৃষ্টির কারণে মানুষের পর্যাপ্ত খাবার নাও থাকতে পারে।
এল নিনোর প্রভাবে জরুরি অবস্থা জারি ইকুয়েডরে
এল নিনোর প্রভাবে জরুরি অবস্থা জারি ইকুয়েডরে
রেকর্ড সৃষ্টিকারী মাত্রায় শক্তিশালী হতে পারে এমন এল নিনো জলবায়ু পরিস্থিতির কারণে শনিবার ল্যাটিন আমেরিকার সর্বশেষ দেশ হিসেবে ইকুয়েডর জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। এ বছরের এল নিনো ইতোমধ্যে মধ্য আমেরিকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাচ্ছে। অঞ্চলটি বর্তমানে তীব্র খরার কবলে রয়েছে। ইন্দোনেশিয়াতেও এটি দাবানলের প্রকোপ বাড়িয়ে দিচ্ছে। কুইটো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, চলমান এল নিনো বছরের শেষ নাগাদ সর্বোচ্চ
পর্যায়ে পৌঁছাবে। এর ফলে ২০২৭ সালে বিশ্বে রেকর্ড পরিমাণ তাপমাত্রা বাড়তে পারে। ইকুয়েডরের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘এল নিনো পরিস্থিতির’ কারণে পুরো দেশে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। এই সতর্কতার আওতায় জরুরি কমিটিগুলো সক্রিয় করা হয়েছে। এসব কমিটির দায়িত্ব হবে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে আগাম সরিয়ে নেওয়াসহ অন্যান্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সমন্বয় করা। এল নিনোর কারণে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এতে বাতাসের গতিপথ,
বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যায়। এর ফলে মাছ ধরা ও পাখির পরিযানও ব্যাহত হয়। ইকুয়েডর দেশের পূর্বাঞ্চলের আমাজন এলাকায় খরা ও দাবানলের আশঙ্কাও করছে। এল নিনোর কারণে পানামা, হন্ডুরাস ও এল সালভাদর ইতোমধ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। দক্ষিণে পেরুও এল নিনোর কারণে দেশটির এক-তৃতীয়াংশ শহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। দেশটি সতর্ক করে বলেছে, তীব্র তাপ ও বৃষ্টির কারণে মানুষের পর্যাপ্ত খাবার নাও থাকতে পারে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত