মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
শাহজালাল বিমানবন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা বিপুল পরিমাণের ল্যাপটপ ও ট্যাব জব্দ ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম-অযোগ্য ১২৬ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে জিম্বাবুয়ে টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন ক্রিমার মহানবীর (সা.) আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল ২০২৬ শুরু মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলবে বাংলাদেশ : ডি ভিলিয়ার্স রদ্রিকে না পেলেও স্কোয়াড নিয়ে সন্তুষ্ট মরিনহো
আন্তর্জাতিক এশিয়ায় অনলাইন প্রতারণায় ক্ষতি ১১৪ বিলিয়ন ডলার

এশিয়ায় অনলাইন প্রতারণায় ক্ষতি ১১৪ বিলিয়ন ডলার

পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে গত বছর আন্তর্জাতিক অনলাইন স্ক্যাম বা প্রতারণার শিকার হয়ে গ্রাহকদের ক্ষতি হয়েছে সর্বোচ্চ ১১৪ দশমিক ১ বিলিয়ন (১১ হাজার ৪১০ কোটি) ডলার। এই আর্থিক ক্ষতি ২০২৩ সালের তুলনায় অন্তত তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

জাতিসংঘের এক নতুন প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

জাতিসংঘের ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম বিষয়ক দপ্তর (ইউএনওডিসি)-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনলাইন বিনিয়োগ ও প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে গত বছর গ্রাহকদের কাছ থেকে ৮৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন থেকে ১১৪ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নিয়েছে অপরাধী চক্রগুলো। ২০২৩ সালে এই ক্ষতির পরিমাণ ছিল ১৮ থেকে ৩৭ বিলিয়ন ডলার।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ক্ষতির পরিসংখ্যান অপরাধী চক্রগুলোর নাটকীয় বিস্তৃতিকেই প্রকাশ করে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, বিশেষ করে কম্বোডিয়া ও মিয়ানমার এখন এসব অপকর্মের প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। সুরক্ষিত দুর্গের মতো কটেজ বা কমপ্লেক্স থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ভুয়া প্রেমের ফাঁদ পেতে বিশ্বজুড়ে প্রতারণা চালানো হচ্ছে। এসব প্রতারণায় যুক্ত কর্মীদের কেউ স্বেচ্ছায়, আবার অনেকে মানবপাচারের শিকার হয়ে বাধ্য হয়ে কাজ করছেন। গত দুই বছরে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ান সবচেয়ে বেশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও চীনের চাপের মুখে আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষগুলো এই অবৈধ খাতের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে। ওয়াশিংটন ও লন্ডন মানবপাচারভিত্তিক এসব সাইবার স্ক্যামের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর গত এক বছরে কম্বোডিয়া থেকে বেশ কয়েকজন মূল হোতাকে চীনে প্রত্যর্পণ করা হয়েছে।

ইউএনওডিসি সতর্ক করে জানিয়েছে, অঞ্চলের অপরাধী চক্রগুলো এখন কেবল স্থানীয় বা নির্দিষ্ট অপরাধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। তারা বিশ্বজুড়ে বহুজাতিক ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত এক নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। বর্তমানে অর্থ পাচার, মানবপাচার, অভিবাসী চোরাচালান ও তথ্য চুরির জন্য তারা সমন্বিত ও প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা ব্যবহার করছে, যা আঞ্চলিক প্রশাসনিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থায়িত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সূত্র: এএফপি

খুঁজুন