মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম-অযোগ্য ১২৬ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে জিম্বাবুয়ে টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন ক্রিমার মহানবীর (সা.) আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল ২০২৬ শুরু মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলবে বাংলাদেশ : ডি ভিলিয়ার্স রদ্রিকে না পেলেও স্কোয়াড নিয়ে সন্তুষ্ট মরিনহো ট্রাম্পের নতুন শুল্কের পাল্টা পদক্ষেপ ঘোষণা করবে কানাডা সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ জুলাই শহীদ জুবায়েরের বোনের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী
প্রবাস ফেব্রুয়ারির ২৫ দিনেই এলো ২.৭৯ বিলিয়ন ডলার

ফেব্রুয়ারির ২৫ দিনেই এলো ২.৭৯ বিলিয়ন ডলার

চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৫ দিনেই প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ২৭৯ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার (২.৭৯ বিলিয়ন ডলার)­— যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। ২০২৫ সালের ১ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি সময়ে দেশে এসেছিল ২২৮ কোটি ১০ লাখ ডলার।

শুধু ২৫ ফেব্রুয়ারি একদিনেই প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। মাসের শেষ দিকে এসে এই ধারাবাহিক প্রবাহ রেমিট্যান্সে ইতিবাচক গতি বজায় থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

অর্থবছরজুড়ে শক্ত অবস্থান

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের (জুলাই-২৫ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত) প্রথম প্রায় আট মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২২২২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে (জুলাই ২০২৪ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) এসেছিল ১৮২৪ কোটি ২০ লাখ ডলার।

সে হিসাবে চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ২১ দশমিক ৮ শতাংশ। অর্থনীতিবিদদের মতে, এ ধরনের দ্বি-অঙ্কের প্রবৃদ্ধি বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

কেন বাড়ছে রেমিট্যান্স?

বিশ্লেষকদের মতে, কয়েকটি কারণে প্রবাসী আয় প্রবাহে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে— ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রণোদনা ও সহজ প্রক্রিয়া, হুন্ডির বিরুদ্ধে নজরদারি জোরদার, বিনিময় হার তুলনামূলক বাজারমুখী হওয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে কর্মসংস্থানের সম্প্রসারণ।

ফলে প্রবাসীরা এখন বেশি হারে বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে আগ্রহী হচ্ছেন।

রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব

রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস। রফতানি আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয় বাড়লে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ শক্তিশালী হয়, আমদানি ব্যয় মেটানো সহজ হয় এবং ডলারের বাজারে চাপ কমে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ধারাবাহিকভাবে ২০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি বজায় থাকায় সামষ্টিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক বার্তা যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আমদানি ব্যালেন্স ও মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে রেমিট্যান্স বড় ভূমিকা রাখছে।

সামনে কী প্রত্যাশা?

যদি এ প্রবণতা অব্যাহত থাকে, তবে চলতি অর্থবছর শেষে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বৈদেশিক শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা, প্রণোদনা নীতি এবং ডলার বিনিময় হার— এই তিনটি বিষয়ই ভবিষ্যৎ প্রবাহ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারির ২৫ দিন পর্যন্ত প্রবাসী আয় প্রবাহ দেশের অর্থনীতির জন্য একটি স্বস্তির বার্তা দিচ্ছে।

খুঁজুন