বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ফুসফুস রক্ষায় তামাক ও নিকোটিন পণ্য নিয়ন্ত্রণের আহ্বান প্রজ্ঞার

ফুসফুস রক্ষায় তামাক ও নিকোটিন পণ্য নিয়ন্ত্রণের আহ্বান প্রজ্ঞার

তরুণ প্রজন্মের ফুসফুস সুরক্ষায় প্রচলিত তামাকের পাশাপাশি ই-সিগারেট ও ভেপিংয়ের মতো নতুন নিকোটিন পণ্যের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা।

আগামীকাল ২৫ সেপ্টেম্বর ‘বিশ্ব ফুসফুস দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এ আহ্বান জানায়। 

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘এ লাইফটাইম অব লাং হেলথ’।

দিবসটি উপলক্ষ্যে এক প্রতিক্রিয়ায় প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, ‘ফুসফুসের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রচলিত তামাকপণ্যসহ ই-সিগারেট, ভেপিং এবং অন্যান্য নিকোটিন পণ্যের ব্যবহার ও বিস্তার রোধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ই-সিগারেট, ভেপিং, হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্ট ও নিকোটিন পাউচের মতো নতুন প্রজন্মের পণ্যগুলো বর্তমানে আইনের বাইরে রয়েছে। ফলে কিশোর ও তরুণ সমাজের মধ্যে এগুলোর ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, যা চরম উদ্বেগের বিষয়।

ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্রের অসুস্থতাকে বিশ্বব্যাপী অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, তামাক ও নিকোটিন পণ্যের ব্যবহার ফুসফুসের ক্যান্সার, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), যক্ষ্মা ও অ্যাজমাসহ বিভিন্ন গুরুতর রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস, ২০২৩-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে মৃত্যুর শীর্ষ পাঁচটি কারণের মধ্যে দুটিই হলো ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্রজনিত রোগ। এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রত্যক্ষ ধূমপানের পাশাপাশি পরোক্ষ ধূমপানও ফুসফুসের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে বর্তমানে ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করেন। তামাক ব্যবহারজনিত বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় দুই লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।

খুঁজুন