জুলাই কি জঙ্গি আক্রমণ নাকি মার্কিন রেজিম চেঞ্জ?জুলাই সম্পর্কে বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন ফরহাদ মজহার
ফরহাদ মজহার এক পডকাস্টে ভয়ানক সব তথ্য দিয়েছেন। এসবের কিছু কিছু আমরা জানতাম, কিন্তু এতটা ডিটেইলে নয়।
তিনি বলেছেন-”এটাকে ছাত্র আন্দোলন কখনো বলে না। যখন নাহিদের সঙ্গে দুই তারিখ রাতে আমার দীর্ঘ সময় কথা হয়েছে, তখন তারা বলছে, আন্দোলনে কম্প্রোমাইজ করতে হবে। ইতোমধ্যে তারা সেইফ হাউজে আছে। মার্কিন যুক্তরাস্ট্র ও দূবাতাসগুলো সেই সেইফ হাইজগুলো তৈরি করেছে।
সেইফ হাউজে মগজ ধোলাই হয়েছে। সেইফ হাউজ থেকে ওরা আমাকে ফোন করে জানাচ্ছে যে, তাদের উপর চাপ দিচ্ছে, আমরা যেনো পদত্যাগের কথা বলি। শেখ হাসিনা পদত্যাগ করবে এবং যা ব্যবস্থা আছে, সব টিকে থাকবে।”
এরপর তিনি বলছেন, ”এই সেইফ হাউজ থেকেই মার্কিন যুক্তরাস্ট্র চেয়েছিল তথাকথিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরে যাবে, কিন্তু ব্যবস্থা টিকে থাকবে।
তরুণ ছাত্ররা বাঁচবার জন্য, তাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে আপনারা তাদেরকে বিভিন্ন সেইফ হাউজে রেখেছেন, প্রতিদিন তাদেরকে হাসিনার পদত্যাগের জন্য চাপ দিয়েছেন।
নাহিদ অসুস্থ হয়ে যখন গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ভর্তি, তখন তাকে সেইফ হাউজে নেবার জন্যে আমেরিকার দূতাবাসের গাড়ি চব্বিশ ঘণ্টা নিচে দাঁড়িয়ে থাকতো। অভ্যুত্থানের অন্তরালে এসব কাজগুলো চলেছে।”
তার মতে, ”... এই আন্দোলনে মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের সম্পৃক্ততা প্রথম থেকেই ছিল। মার্কিন যুক্তরাস্ট্র শেখ হাসিনাকে চায় নাই।...
আমি শুরু থেকেই বলে আসছি, সরকার বদল মার্কিন যুক্তরাস্ট্রই করে দেবে। এটার জন্য আমাদের এত পরিশ্রমের দরকার নাই।”
দেখেন এটা আমরা জানি যে, যে সকল ছাত্ররা ২৪ এর আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে, সারজিস ও হাসনাত ছাড়া, বাকিদের তাত্ত্বিক গুরু ফরহাদ মজহার। তার স্টাডি সার্কেলে এদের গ্রুমিং হয়েছে।
এমনকি অভ্যুত্থানের পরেও, সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় ফরহাদ মজহারের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। তার স্ত্রী সেই সরকারে উপদেষ্টা পদেও ছিলেন।
ফলে ফরহাদ মজহারের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি হাঁড়ির খবর জানেন। তাছাড়া এই বক্তব্যকে ডিকোড করারও প্রয়োজন নেই। একেবারে পরিস্কার বক্তব্য।
জাস্ট এটা ভাবুন, ২৪ এর আন্দোলন মোটেও কোনো গণঅভ্যুত্থান নয়, এটি মার্কিন সরকারের অর্থায়নে ও পরিকল্পনায় প্রযোজিত এমন এক ড্রামা, যেখানে এদেশের লাখ লাখ তরুণ, স্বপ্নকামী মানুষ এক্সট্রার ভূমিকা পালন করেছে।
এই যে রাস্তায় তরুণদের মিছিল, দেয়ালে গ্রাফিতি, সেখানে লেখা পরিবর্তনের স্বপ্ন, প্রাণ বিসর্জন দেয়া- সব মিথ্যে।
মানুষ যদি জানতো, তাহলে কি তারা আমেরিকার বুদ্ধিতে রাস্তায় নামতো? তার মানে এটি স্পষ্ট প্রতারণা।
তার বক্তব্য থেকে একটা বিষয় এখন পরিস্কার যে, সে সময় বিপুল হতাহতের পেছনে সরকার এককভাবে দায়ী নয়। এখানে নানাপক্ষ জড়িত ছিল, যেমনটা ছিল ইরানে।
ইরানের আন্দোলনে মোসাদ যে বহু মানুষকে হত্যা করেছে, বিভিন্ন প্রতিবেদনে সেসব উঠে এসেছে। উদ্দেশ্য হল, পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তোলা।
সে কারণেই কি জুলাই-আগস্টে নিহত একটা হত্যারও তদন্ত হয়নি? খুঁজে বের করা হয়নি যে, কে কার গুলিতে নিহত হয়েছে? উপদেষ্টা সাখাওয়াতকে সরিয়ে দেওয়ার কারণও তাহলে এই? আমেরিকার চাপে?
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসবে, আমেরিকা এই কাজটা কেনো করেছে?
ভুল করেও বলবেন না যে, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য। কারণ পৃথিবীর যত জায়গায় সরকার পরিবর্তনে আমেরিকা হস্তক্ষেপ করেছে, কোথাও সেটা গণতন্ত্রের জন্য করেনি।
করেছে তার স্বার্থের জন্য। পাকিস্তানে নির্বাচিত সরকার প্রধান ইমরান খান বহু বছর ধরে জেলে। আাফগানিস্তানকে শেষ করে দিয়েছে।
ভেনিজুয়েলার প্রধানমন্ত্রী স্ত্রীসহ নিউইয়র্কের জেলে, এখন প্রতিদিন ভেনিজুয়েলা থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ থেকে ৪ কোটি ৭৯ লাখ লিটার তেল আমেরিকা সরিয়ে নিচ্ছে। নানা রকমরে অবরোধ আরোপ করে কিউবাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে।
ফিলিস্তিনকে শেষ করেছে ইসরায়েলের জন্য। মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংস করে দিয়েছে ওখানকার তেল ও ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য। আর কত দেশের কথা বলবো?
এসবের কোনটায় গণতন্ত্র এসেছে? সর্বত্র দীর্ঘ মেয়াদে অশান্তি। ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে তুলে শুধু ইরান বেঁচে গেছে।
তো শেখ হাসিনাকে কেনো সরাতে হল? সে কেনো পথের কাঁটা? দক্ষিণ এশিয়ায় আমেরিকার আধিপত্য, বাংলাদেশের ২৫ কোটি মানুষের বাজারে ঢুকা, ঔষধ থেকে জ্বালানি, পাকিস্তান ও সৌদির সাথে যৌথ বলয়ে ঢুকতে অস্বীকৃতি, বঙ্গোপসাগরে দখলদারিত্ব- তার মানে শেখ হাসিনা যা যা বলতেন সেসবই কি কারণ?
বাংলাদেশকে প্রায় বিক্রি করে দেয়া বাণিজ্য চুক্তি যে করতে চায়নি শেখ হাসিনার সরকার, ওটাই কি অন্যতম বড় কারণ?
তার মানে, বাংলাদেশ যে দীর্ঘ মেয়াদী অস্থিতিশীলতায় জড়িয়ে পড়েছে, তার আশু সমাধান হচ্ছে না।
তারচেয়ে বড় কথা, ইউনূস গংদের চেয়েও আমেরিকাকে আরও বড় কোনো কিছু দেওয়ার বিনিময়ে যদি এখন শেখ হাসিনা ফিরে আসেন, তাহলে কি তাকে খুব বেশি দোষারোপ করা যাবে? বাংলাদেশ তাহলে এখন বিক্রির জন্য উন্মুক্ত?
ফরহাদ মজহারের এই বক্তব্যের পর, ২৪ এর আন্দোলনকে আর কোনোভাবেই বিপ্লব বা গণঅভ্যুত্থান বলার সুযোগ নাই।
কি নামে ডাকবো, সেটাও তাহলে তারাই ঠিক করে দিক। আমাদের বলার মত আর কোনো ভাষা অবশিষ্ট নাই।
তবে এতটুকুই বলা যায় শেখ হাসিনা কর্তৃক সেন্টমার্টিন দ্বীপ, সমুদ্র বন্দর, সামরিক চুক্তি, বঙ্গোপসাগরের নিয়ন্ত্রণ সহ বাণিজ্য চুক্তি আম্রিকার সাথে না করায় উগ্র জঙ্গি মোল্লা ও ডলার খেকো মিলিটারির সহযোগিতায় শুধুমাত্র শেখ হাসিনাকে সরিয়ে রেজিম চেঞ্জই ছিল মূল উদ্দেশ্য।
জুলাই আন্দোলনের গোমর ফাঁস করলেন ফরহাদ মজহার
জুলাই আন্দোলনের গোমর ফাঁস করলেন ফরহাদ মজহার
জুলাই কি জঙ্গি আক্রমণ নাকি মার্কিন রেজিম চেঞ্জ?জুলাই সম্পর্কে বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন ফরহাদ মজহার ফরহাদ মজহার এক পডকাস্টে ভয়ানক সব তথ্য দিয়েছেন। এসবের কিছু কিছু আমরা জানতাম, কিন্তু এতটা ডিটেইলে নয়। তিনি বলেছেন-”এটাকে ছাত্র আন্দোলন কখনো বলে না। যখন নাহিদের সঙ্গে দুই তারিখ রাতে আমার দীর্ঘ সময় কথা হয়েছে, তখন তারা বলছে, আন্দোলনে কম্প্রোমাইজ করতে হবে। ইতোমধ্যে তারা সেইফ হাউজে আছে। মার্কিন যুক্তরাস্ট্র ও দূবাতাসগুলো সেই সেইফ হাইজগুলো তৈরি করেছে। সেইফ হাউজে মগজ ধোলাই হয়েছে। সেইফ হাউজ থেকে ওরা আমাকে ফোন করে জানাচ্ছে যে, তাদের উপর চাপ দিচ্ছে, আমরা যেনো পদত্যাগের কথা বলি। শেখ হাসিনা পদত্যাগ করবে এবং যা ব্যবস্থা আছে, সব টিকে থাকবে।” এরপর তিনি বলছেন, ”এই সেইফ হাউজ থেকেই মার্কিন যুক্তরাস্ট্র চেয়েছিল তথাকথিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরে যাবে, কিন্তু ব্যবস্থা টিকে থাকবে। তরুণ ছাত্ররা বাঁচবার জন্য, তাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে আপনারা তাদেরকে বিভিন্ন সেইফ হাউজে রেখেছেন, প্রতিদিন তাদেরকে হাসিনার পদত্যাগের জন্য চাপ দিয়েছেন। নাহিদ অসুস্থ হয়ে যখন গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ভর্তি, তখন তাকে সেইফ হাউজে নেবার জন্যে আমেরিকার দূতাবাসের গাড়ি চব্বিশ ঘণ্টা নিচে দাঁড়িয়ে থাকতো। অভ্যুত্থানের অন্তরালে এসব কাজগুলো চলেছে।” তার মতে, ”... এই আন্দোলনে মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের সম্পৃক্ততা প্রথম থেকেই ছিল। মার্কিন যুক্তরাস্ট্র শেখ হাসিনাকে চায় নাই।... আমি শুরু থেকেই বলে আসছি, সরকার বদল মার্কিন যুক্তরাস্ট্রই করে দেবে। এটার জন্য আমাদের এত পরিশ্রমের দরকার নাই।” দেখেন এটা আমরা জানি যে, যে সকল ছাত্ররা ২৪ এর আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে, সারজিস ও হাসনাত ছাড়া, বাকিদের তাত্ত্বিক গুরু ফরহাদ মজহার। তার স্টাডি সার্কেলে এদের গ্রুমিং হয়েছে। এমনকি অভ্যুত্থানের পরেও, সরকার
গঠন প্রক্রিয়ায় ফরহাদ মজহারের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। তার স্ত্রী সেই সরকারে উপদেষ্টা পদেও ছিলেন। ফলে ফরহাদ মজহারের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি হাঁড়ির খবর জানেন। তাছাড়া এই বক্তব্যকে ডিকোড করারও প্রয়োজন নেই। একেবারে পরিস্কার বক্তব্য। জাস্ট এটা ভাবুন, ২৪ এর আন্দোলন মোটেও কোনো গণঅভ্যুত্থান নয়, এটি মার্কিন সরকারের অর্থায়নে ও পরিকল্পনায় প্রযোজিত এমন এক ড্রামা, যেখানে এদেশের লাখ লাখ তরুণ, স্বপ্নকামী মানুষ এক্সট্রার ভূমিকা পালন করেছে। এই যে রাস্তায় তরুণদের মিছিল, দেয়ালে গ্রাফিতি, সেখানে লেখা পরিবর্তনের স্বপ্ন, প্রাণ বিসর্জন দেয়া- সব মিথ্যে। মানুষ যদি জানতো, তাহলে কি তারা আমেরিকার বুদ্ধিতে রাস্তায় নামতো? তার মানে এটি স্পষ্ট প্রতারণা। তার বক্তব্য থেকে একটা বিষয় এখন পরিস্কার যে, সে সময় বিপুল হতাহতের পেছনে সরকার এককভাবে দায়ী নয়। এখানে নানাপক্ষ জড়িত ছিল, যেমনটা ছিল ইরানে। ইরানের আন্দোলনে মোসাদ যে বহু মানুষকে হত্যা করেছে, বিভিন্ন প্রতিবেদনে সেসব উঠে এসেছে। উদ্দেশ্য হল, পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তোলা। সে কারণেই কি জুলাই-আগস্টে নিহত একটা হত্যারও তদন্ত হয়নি? খুঁজে বের করা হয়নি যে, কে কার গুলিতে নিহত হয়েছে? উপদেষ্টা সাখাওয়াতকে সরিয়ে দেওয়ার কারণও তাহলে এই? আমেরিকার চাপে? স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসবে, আমেরিকা এই কাজটা কেনো করেছে? ভুল করেও বলবেন না যে, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য। কারণ পৃথিবীর যত জায়গায় সরকার পরিবর্তনে আমেরিকা হস্তক্ষেপ করেছে, কোথাও সেটা গণতন্ত্রের জন্য করেনি। করেছে তার স্বার্থের জন্য। পাকিস্তানে নির্বাচিত সরকার প্রধান ইমরান খান বহু বছর ধরে জেলে। আাফগানিস্তানকে শেষ করে দিয়েছে। ভেনিজুয়েলার প্রধানমন্ত্রী স্ত্রীসহ নিউইয়র্কের জেলে, এখন প্রতিদিন ভেনিজুয়েলা থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ থেকে ৪ কোটি ৭৯ লাখ লিটার তেল আমেরিকা সরিয়ে নিচ্ছে।
নানা রকমরে অবরোধ আরোপ করে কিউবাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। ফিলিস্তিনকে শেষ করেছে ইসরায়েলের জন্য। মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংস করে দিয়েছে ওখানকার তেল ও ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য। আর কত দেশের কথা বলবো? এসবের কোনটায় গণতন্ত্র এসেছে? সর্বত্র দীর্ঘ মেয়াদে অশান্তি। ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে তুলে শুধু ইরান বেঁচে গেছে। তো শেখ হাসিনাকে কেনো সরাতে হল? সে কেনো পথের কাঁটা? দক্ষিণ এশিয়ায় আমেরিকার আধিপত্য, বাংলাদেশের ২৫ কোটি মানুষের বাজারে ঢুকা, ঔষধ থেকে জ্বালানি, পাকিস্তান ও সৌদির সাথে যৌথ বলয়ে ঢুকতে অস্বীকৃতি, বঙ্গোপসাগরে দখলদারিত্ব- তার মানে শেখ হাসিনা যা যা বলতেন সেসবই কি কারণ? বাংলাদেশকে প্রায় বিক্রি করে দেয়া বাণিজ্য চুক্তি যে করতে চায়নি শেখ হাসিনার সরকার, ওটাই কি অন্যতম বড় কারণ? তার মানে, বাংলাদেশ যে দীর্ঘ মেয়াদী অস্থিতিশীলতায় জড়িয়ে পড়েছে, তার আশু সমাধান হচ্ছে না। তারচেয়ে বড় কথা, ইউনূস গংদের চেয়েও আমেরিকাকে আরও বড় কোনো কিছু দেওয়ার বিনিময়ে যদি এখন শেখ হাসিনা ফিরে আসেন, তাহলে কি তাকে খুব বেশি দোষারোপ করা যাবে? বাংলাদেশ তাহলে এখন বিক্রির জন্য উন্মুক্ত? ফরহাদ মজহারের এই বক্তব্যের পর, ২৪ এর আন্দোলনকে আর কোনোভাবেই বিপ্লব বা গণঅভ্যুত্থান বলার সুযোগ নাই। কি নামে ডাকবো, সেটাও তাহলে তারাই ঠিক করে দিক। আমাদের বলার মত আর কোনো ভাষা অবশিষ্ট নাই। তবে এতটুকুই বলা যায় শেখ হাসিনা কর্তৃক সেন্টমার্টিন দ্বীপ, সমুদ্র বন্দর, সামরিক চুক্তি, বঙ্গোপসাগরের নিয়ন্ত্রণ সহ বাণিজ্য চুক্তি আম্রিকার সাথে না করায় উগ্র জঙ্গি মোল্লা ও ডলার খেকো মিলিটারির সহযোগিতায় শুধুমাত্র শেখ হাসিনাকে সরিয়ে রেজিম চেঞ্জই ছিল মূল উদ্দেশ্য।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত