কানাডার সঙ্গে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ আরও জোরালো করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার তিনি কানাডা থেকে অ্যালকোহলসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছেন এবং আরও কিছু পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়েছেন।
ফলে দুই দেশের বাণিজ্যিক বিরোধ শিগগিরই হ্রাস পাওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
এদিকে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি তার অবস্থানে অনড় রয়েছেন।
তিনি স্বীকার করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক কমিয়ে আনতে গেলে কানাডার কিছুটা ক্ষতি হতে পারে। তবে তার মতে, এর সুফল সেই ক্ষতির চেয়ে বেশিই হবে।
মঙ্গলবার রাতে জারি করা ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কানাডার বিভিন্ন পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। এসব পণ্যের মধ্যে গদি বা ম্যাট্রেস, মোটরবোট ও গলফ কার্টও রয়েছে।
একই সময়ে জারি করা আরও কয়েকটি নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, দেশটি থেকে বিভিন্ন ধরনের অ্যালকোহলিক পানীয় ও কিছু দুগ্ধজাত পণ্যের আমদানি নিষেধাজ্ঞা আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে।
এর আগে মঙ্গলবারই কানাডা পাল্টা শুল্ক কার্যকর করে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা ২৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন কানাডীয় ডলার (২ হাজার কোটি মার্কিন ডলার) মূল্যের পণ্যের ওপর এ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম পণ্য এবং দুগ্ধজাত পণ্য রয়েছে।
ওয়াশিংটন ২২ আগস্ট নতুন শুল্ক ঘোষণা করার পর তার জবাবে কানাডা এই পদক্ষেপ নেয়।
এক ভিডিও বার্তায় কার্নি বলেন, কানাডার কাছে ‘ঘুরে দাঁড়িয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এই পরিবর্তনের জন্য মূল্য দিতে হবে। পদক্ষেপ নেওয়ার সব সময়ই একটা মূল্য আছে। তবে সেই মূল্য কোনোভাবেই স্থির হয়ে বসে থাকার ক্ষতির কাছাকাছি নয়।’
কানাডার নতুন পাল্টা শুল্কের জবাবে ট্রাম্প মার্কিন সরকারের সঙ্গে চুক্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে কানাডীয় কোম্পানিগুলোর ওপর বিধিনিষেধ আরোপের হুমকি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, মার্কিন জেনারেল সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (জিএসএ) দীর্ঘমেয়াদি সরকারি চুক্তির তালিকা থেকে ‘কানাডায় তৈরি পণ্য সরিয়ে নিতে’ তিনি কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন।
কানাডার অ্যালকোহল আমদানি নিষিদ্ধ করলেন ট্রাম্প
কানাডার অ্যালকোহল আমদানি নিষিদ্ধ করলেন ট্রাম্প
কানাডার সঙ্গে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ আরও জোরালো করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার তিনি কানাডা থেকে অ্যালকোহলসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছেন এবং আরও কিছু পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়েছেন। ফলে দুই দেশের বাণিজ্যিক বিরোধ শিগগিরই হ্রাস পাওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। এদিকে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি তার অবস্থানে অনড় রয়েছেন। তিনি স্বীকার করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক কমিয়ে আনতে গেলে কানাডার কিছুটা ক্ষতি হতে পারে। তবে তার মতে, এর সুফল সেই ক্ষতির চেয়ে বেশিই হবে। মঙ্গলবার রাতে জারি করা ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কানাডার বিভিন্ন পণ্যের ওপর
৫০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। এসব পণ্যের মধ্যে গদি বা ম্যাট্রেস, মোটরবোট ও গলফ কার্টও রয়েছে। একই সময়ে জারি করা আরও কয়েকটি নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, দেশটি থেকে বিভিন্ন ধরনের অ্যালকোহলিক পানীয় ও কিছু দুগ্ধজাত পণ্যের আমদানি নিষেধাজ্ঞা আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। এর আগে মঙ্গলবারই কানাডা পাল্টা শুল্ক কার্যকর করে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা ২৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন কানাডীয় ডলার (২ হাজার কোটি মার্কিন ডলার) মূল্যের পণ্যের ওপর এ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম পণ্য এবং দুগ্ধজাত পণ্য রয়েছে।ওয়াশিংটন ২২ আগস্ট নতুন শুল্ক ঘোষণা করার পর তার জবাবে
কানাডা এই পদক্ষেপ নেয়। এক ভিডিও বার্তায় কার্নি বলেন, কানাডার কাছে ‘ঘুরে দাঁড়িয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এই পরিবর্তনের জন্য মূল্য দিতে হবে। পদক্ষেপ নেওয়ার সব সময়ই একটা মূল্য আছে। তবে সেই মূল্য কোনোভাবেই স্থির হয়ে বসে থাকার ক্ষতির কাছাকাছি নয়।’ কানাডার নতুন পাল্টা শুল্কের জবাবে ট্রাম্প মার্কিন সরকারের সঙ্গে চুক্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে কানাডীয় কোম্পানিগুলোর ওপর বিধিনিষেধ আরোপের হুমকি দিয়েছেন। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, মার্কিন জেনারেল সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (জিএসএ) দীর্ঘমেয়াদি সরকারি চুক্তির তালিকা থেকে ‘কানাডায় তৈরি পণ্য সরিয়ে নিতে’ তিনি কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত