জেলার কাপ্তাইয়ে সীতাপাহাড় এলাকায় পথ হারিয়ে আটকে পড়া ৪ পর্যটককে ফায়ার সার্ভিস, বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাদের সুস্থ ও নিরাপদ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বলে বাসস’কে নিশ্চিত করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রহমান।
তিনি জানান, শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম থেকে আসা ৪ পর্যটক কাপ্তাইয়ের বালুচর এলাকা দিয়ে কর্ণফুলী নদী পার হয়ে সীতাপাহাড়ে ওঠেন। পরে বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি পথ পিচ্ছিল হয়ে যায়। এরমধ্যে সন্ধ্যা নেমে আসায় তারা পথ হারিয়ে ফেলেন। এক পর্যায়ে বিষয়টি জানতে পেরে ফায়ার সার্ভিস, বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ৪ পর্যটককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহাদাত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বাসস’কে জানান, কাপ্তাইয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে শুক্রবার ৪ পর্যটক কাপ্তাইয়ের বালুচর এলাকা দিয়ে কর্ণফুলী নদী পার হয়ে সীতাপাহাড়ে যাওয়ার পর পথ হারিয়ে ফেলেন। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা বন বিভাগ, উপজেলা প্রশাসনসহ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করতে সক্ষম হই। উদ্ধার হওয়া সকল পর্যটক সুস্থ ও নিরাপদে আছেন বলে জানান তিনি।
স্থানীয়রা জানান, পর্যটন এলাকা হওয়াতে কাপ্তাইয়ে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকরা বেড়াতে আসেন। তবে অনেক পর্যটক স্থানীয় গাইড ছাড়া কর্ণফুলী নদী, কাপ্তাই লেক ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় চলাচল করেন। এতে পথ হারানো, পাহাড়ি দুর্ঘটনা, পানিতে দুর্ঘটনা এবং বন্যপ্রাণীর মুখোমুখি হওয়ার মতো ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
বিশেষ করে কাপ্তাইয়ের বালুচর, সীতাপাহাড়, ব্যাঙছড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় হাতির চলাচল ও অবস্থান রয়েছে। এসব এলাকায় বন বিভাগের পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড ও বিভিন্ন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। প্রশাসন ও বন বিভাগের পক্ষ থেকেও পর্যটকদের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ না করার জন্য সতর্ক করা হলেও অনেকেই তা উপেক্ষা করে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ভ্রমণের সময় পর্যটকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় জনসাধারণ।
এই পরিস্থিতিতে হাতির চলাচল বা অবস্থানের এলাকায় প্রবেশ না করা, বন বিভাগের সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড ও নির্দেশনা মেনে চলা, নৌভ্রমণের সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মোবাইলে পর্যাপ্ত চার্জ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কোনো পর্যটক পথ হারিয়ে ফেললে আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস, বন বিভাগ বা স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
কাপ্তাইয়ে পথ হারানো ৪ পর্যটককে উদ্ধার
কাপ্তাইয়ে পথ হারানো ৪ পর্যটককে উদ্ধার
জেলার কাপ্তাইয়ে সীতাপাহাড় এলাকায় পথ হারিয়ে আটকে পড়া ৪ পর্যটককে ফায়ার সার্ভিস, বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাদের সুস্থ ও নিরাপদ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বলে বাসস’কে নিশ্চিত করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রহমান। তিনি জানান, শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম থেকে আসা ৪ পর্যটক কাপ্তাইয়ের বালুচর এলাকা দিয়ে কর্ণফুলী নদী পার হয়ে সীতাপাহাড়ে ওঠেন। পরে বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি পথ পিচ্ছিল হয়ে যায়। এরমধ্যে সন্ধ্যা নেমে আসায় তারা পথ হারিয়ে ফেলেন। এক পর্যায়ে বিষয়টি জানতে পেরে ফায়ার সার্ভিস, বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ৪ পর্যটককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। কাপ্তাই ফায়ার
সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহাদাত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বাসস’কে জানান, কাপ্তাইয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে শুক্রবার ৪ পর্যটক কাপ্তাইয়ের বালুচর এলাকা দিয়ে কর্ণফুলী নদী পার হয়ে সীতাপাহাড়ে যাওয়ার পর পথ হারিয়ে ফেলেন। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা বন বিভাগ, উপজেলা প্রশাসনসহ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করতে সক্ষম হই। উদ্ধার হওয়া সকল পর্যটক সুস্থ ও নিরাপদে আছেন বলে জানান তিনি। স্থানীয়রা জানান, পর্যটন এলাকা হওয়াতে কাপ্তাইয়ে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকরা বেড়াতে আসেন। তবে অনেক পর্যটক স্থানীয় গাইড ছাড়া কর্ণফুলী নদী, কাপ্তাই লেক ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় চলাচল করেন। এতে পথ হারানো, পাহাড়ি দুর্ঘটনা, পানিতে দুর্ঘটনা এবং বন্যপ্রাণীর মুখোমুখি হওয়ার মতো ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে কাপ্তাইয়ের বালুচর, সীতাপাহাড়, ব্যাঙছড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় হাতির চলাচল ও
অবস্থান রয়েছে। এসব এলাকায় বন বিভাগের পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড ও বিভিন্ন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। প্রশাসন ও বন বিভাগের পক্ষ থেকেও পর্যটকদের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ না করার জন্য সতর্ক করা হলেও অনেকেই তা উপেক্ষা করে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ভ্রমণের সময় পর্যটকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় জনসাধারণ। এই পরিস্থিতিতে হাতির চলাচল বা অবস্থানের এলাকায় প্রবেশ না করা, বন বিভাগের সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড ও নির্দেশনা মেনে চলা, নৌভ্রমণের সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মোবাইলে পর্যাপ্ত চার্জ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনো পর্যটক পথ হারিয়ে ফেললে আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস, বন বিভাগ বা স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত