চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল লঞ্চঘাটে মেঘনা নদীর তীরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ‘জলবিলাস’ নামে একটি হোটেল এবং নির্মাণাধীন আরেকটি হোটেলের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়।
মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উপ পরিচালক মো. মিজানুর রহমান, পরিদর্শক শরমিতা আহমেদ লিয়াসহ কর্মকর্তারা।
এ সময় ‘জল বিলাস’ ও নির্মাণাধীন ‘হাওয়া বদল’ নামে আরেকটি হোটেলের মালিকপক্ষের সাথে কথা বলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান বাসস’কে বলেন, নদী তীরে হোটেল চলমান এবং নির্মাণ হচ্ছে এমন শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর বিষয়টি নজরে আসে। এই দুই হোটেলের মালিক পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো ছাড়পত্র নেয়নি। যদিও তারা দাবী করছে এই সম্পত্তি তাদের। তারপরও বিষয়টি স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন এবং জেলা প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, আমরা প্রাথমিক পর্যায়ে দুই হোটেলের মালিককে তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি।
এরআগে গত ২৪ আগস্ট মেঘনা নদীর তীর ও নদীতীরবর্তী সরকারি জায়গা দখল করে হোটেল নির্মাণের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদ আমলে নিয়ে স্বপ্রণোদিতভাবে তদন্তের নির্দেশ দেন চাঁদপুরের মতলব আমলী আদালত এর বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নসরুল্লাহ।
একইসঙ্গে ওই এলাকায় নির্মিত স্থাপনার সংখ্যা, নির্মাণকাজে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেয়া হয়েছিল কি-না এসব বিষয় তদন্ত করে মতলব উত্তর উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়।
মেঘনার তীরের জল বিলাসসহ দুই হোটেলের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ
মেঘনার তীরের জল বিলাসসহ দুই হোটেলের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল লঞ্চঘাটে মেঘনা নদীর তীরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ‘জলবিলাস’ নামে একটি হোটেল এবং নির্মাণাধীন আরেকটি হোটেলের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়। মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উপ পরিচালক মো. মিজানুর রহমান, পরিদর্শক শরমিতা আহমেদ লিয়াসহ কর্মকর্তারা। এ সময় ‘জল বিলাস’ ও নির্মাণাধীন ‘হাওয়া বদল’ নামে আরেকটি হোটেলের মালিকপক্ষের সাথে কথা বলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা
কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান বাসস’কে বলেন, নদী তীরে হোটেল চলমান এবং নির্মাণ হচ্ছে এমন শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর বিষয়টি নজরে আসে। এই দুই হোটেলের মালিক পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো ছাড়পত্র নেয়নি। যদিও তারা দাবী করছে এই সম্পত্তি তাদের। তারপরও বিষয়টি স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন এবং জেলা প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, আমরা প্রাথমিক পর্যায়ে দুই হোটেলের মালিককে তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি।
এরআগে গত ২৪ আগস্ট মেঘনা নদীর তীর ও নদীতীরবর্তী সরকারি জায়গা দখল করে হোটেল নির্মাণের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদ আমলে নিয়ে স্বপ্রণোদিতভাবে তদন্তের নির্দেশ দেন চাঁদপুরের মতলব আমলী আদালত এর বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নসরুল্লাহ। একইসঙ্গে ওই এলাকায় নির্মিত স্থাপনার সংখ্যা, নির্মাণকাজে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেয়া হয়েছিল কি-না এসব বিষয় তদন্ত করে মতলব উত্তর উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত