জেলায় উদ্ধার মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চলতি বছরের জুন ও জুলাই এ দুই মাসে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১০৮টি মোবাইল ফোন এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হয়ে ১৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করেছে মেহেরপুর জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেহেরপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রকৃত মালিকদের কাছে মোবাইল ফোন এবং টাকা হস্তান্তর করেন পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়।
এ সময় পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় বলেন, পুরাতন মুঠোফোন ক্রয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই মোবাইলের বক্স ও ক্যাশ মেমো বিক্রেতার কাছ থেকে নিতে হবে। অনলাইনে প্রতারণার শিকার প্রতিরোধে কারো কথায় প্রলোভনে পড়ে মোবাইল ব্যাংকিং যেমন বিকাশ, নগদ বা কোন ক্যাশ অ্যাপের ওটিপি কাউকে শেয়ার করা যাবে না। অনলাইনে কোন কিছু ক্রয়ের পূর্বে অবশ্যই অভিজ্ঞজনের সাথে আলাপ করতে হবে। সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশের এ কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। হারানো মোবাইল এবং টাকা উদ্ধারের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল।
পুলিশ সুপার জানান, মেহেরপুরের বিভিন্ন স্থান থেকে হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১০৮টি মোবাইল ফোন এবং মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ হওয়া ১৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকা টাকা উদ্ধার করা হয়।
মেহেরপুর সদর থানায় ৬১টি, গাংনী থানায় ২৮টি এবং মুজিবনগর থানায় ১৮টি এবং অন্য জেলা থেকে ১টি মোবাইল ফোন এবং টাকা উদ্ধার করে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট। এছাড়াও ২৬টি ফেসবুক আইডি রিকোভারি ও ৫ জন নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জামিনুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
মেহেরপুরে উদ্ধারকৃত টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর
মেহেরপুরে উদ্ধারকৃত টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর
জেলায় উদ্ধার মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। চলতি বছরের জুন ও জুলাই এ দুই মাসে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১০৮টি মোবাইল ফোন এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হয়ে ১৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করেছে মেহেরপুর জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেহেরপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রকৃত মালিকদের কাছে মোবাইল ফোন এবং টাকা হস্তান্তর করেন পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার
রায়। এ সময় পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় বলেন, পুরাতন মুঠোফোন ক্রয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই মোবাইলের বক্স ও ক্যাশ মেমো বিক্রেতার কাছ থেকে নিতে হবে। অনলাইনে প্রতারণার শিকার প্রতিরোধে কারো কথায় প্রলোভনে পড়ে মোবাইল ব্যাংকিং যেমন বিকাশ, নগদ বা কোন ক্যাশ অ্যাপের ওটিপি কাউকে শেয়ার করা যাবে না। অনলাইনে কোন কিছু ক্রয়ের পূর্বে অবশ্যই অভিজ্ঞজনের সাথে আলাপ করতে হবে। সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশের এ কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। হারানো মোবাইল এবং টাকা উদ্ধারের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল। পুলিশ
সুপার জানান, মেহেরপুরের বিভিন্ন স্থান থেকে হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১০৮টি মোবাইল ফোন এবং মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ হওয়া ১৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকা টাকা উদ্ধার করা হয়। মেহেরপুর সদর থানায় ৬১টি, গাংনী থানায় ২৮টি এবং মুজিবনগর থানায় ১৮টি এবং অন্য জেলা থেকে ১টি মোবাইল ফোন এবং টাকা উদ্ধার করে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট। এছাড়াও ২৬টি ফেসবুক আইডি রিকোভারি ও ৫ জন নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জামিনুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত