নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় উদ্ধার অভিযান ‘নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের’ মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্ধার বিশেষজ্ঞ আর্নল্ড ডিক্স।
হিমালয় অঞ্চলের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একাধিক টানেলে একই সঙ্গে উদ্ধার অভিযান চলছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
চীন-নেপাল সীমান্তে গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ও পাহাড় ধসের ঘটনায় দুই দেশে অন্তত ১ হাজার ৩৮৫ জন নিহত হয়েছেন। এখনো ৫ হাজার ৫০০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজদের মধ্যে শত শত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মী রয়েছেন। দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযান সোমবার ১৩তম দিনে গড়িয়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল টানেলিং অ্যান্ড আন্ডারগ্রাউন্ড স্পেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডিক্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ‘আমি এর আগে কখনো এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হইনি।’
তিনি বলেন, ‘এটি শুধু একটি উদ্ধার অভিযান নয়; একই সময়ে বিভিন্ন স্থানে একাধিক সম্ভাব্য উদ্ধার অভিযান চলছে। প্রতিটি স্থানে রয়েছে আলাদা ঝুঁকি, অনিশ্চয়তা ও এখনো বেঁচে থাকা মানুষের উদ্ধারের সম্ভাবনা।’
ঐতিহ্যবাহী হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সোমবার নেপালে জাতীয় শোক দিবস পালন করা হচ্ছে।
তবে শোক দিবস হলেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেত সোমবার এএফপিকে বলেন, ‘প্রথম দিনের মতো একই গতিতে আমাদের উদ্ধারকাজ চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য তিনটি স্তরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানো— স্থলপথে, আকাশপথে ও টানেলের ভেতরে। আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে কেউ যেন সেখানে আটকে না থাকেন।’
টানেলের গভীর ভেতর থেকে তিনজন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধারের ঘটনায় অন্যদেরও জীবিত পাওয়ার আশা বেড়েছে। শুক্রবার দুই নেপালি শ্রমিক ও শনিবার এক চীনা নাগরিককে উদ্ধার করা হয়।
নেপালের উদ্ধারকারী দলগুলোকে সহায়তা করছেন চীন, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞরা। তাদের মধ্যে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্ধার বিশেষজ্ঞ ডিক্সও।
ডিক্স বলেন, ‘আমাদের সাফল্য শুধু কতজনের জীবন আমরা বাঁচাতে পারলাম, তা দিয়ে বিচার করা হয় না; বরং যাদের আমরা পরিত্যাগ করতে অস্বীকার করি, তাদের জীবন দিয়েও তা বিচার করা হয়।’
২০২৩ সালে ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের সিলকিয়ারা টানেল ধসে ১৭ দিন আটকে থাকা ৪১ জন শ্রমিককে উদ্ধারের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছিলেন ডিক্স।
নেপালে টানেল থেকে উদ্ধার অভিযান ‘নজিরবিহীন’ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন
নেপালে টানেল থেকে উদ্ধার অভিযান ‘নজিরবিহীন’ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন
নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় উদ্ধার অভিযান ‘নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের’ মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্ধার বিশেষজ্ঞ আর্নল্ড ডিক্স।হিমালয় অঞ্চলের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একাধিক টানেলে একই সঙ্গে উদ্ধার অভিযান চলছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। চীন-নেপাল সীমান্তে গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ও পাহাড় ধসের ঘটনায় দুই দেশে অন্তত ১ হাজার ৩৮৫ জন নিহত হয়েছেন। এখনো ৫ হাজার ৫০০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে শত শত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মী রয়েছেন। দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযান সোমবার ১৩তম দিনে গড়িয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল টানেলিং অ্যান্ড আন্ডারগ্রাউন্ড স্পেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডিক্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ‘আমি এর আগে কখনো এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হইনি।’
তিনি বলেন, ‘এটি শুধু একটি উদ্ধার অভিযান নয়; একই সময়ে বিভিন্ন স্থানে একাধিক সম্ভাব্য উদ্ধার অভিযান চলছে। প্রতিটি স্থানে রয়েছে আলাদা ঝুঁকি, অনিশ্চয়তা ও এখনো বেঁচে থাকা মানুষের উদ্ধারের সম্ভাবনা।’ ঐতিহ্যবাহী হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সোমবার নেপালে জাতীয় শোক দিবস পালন করা হচ্ছে। তবে শোক দিবস হলেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেত সোমবার এএফপিকে বলেন, ‘প্রথম দিনের মতো একই গতিতে আমাদের উদ্ধারকাজ চলছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য তিনটি স্তরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানো— স্থলপথে, আকাশপথে ও টানেলের ভেতরে। আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে কেউ যেন সেখানে আটকে না থাকেন।’ টানেলের গভীর
ভেতর থেকে তিনজন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধারের ঘটনায় অন্যদেরও জীবিত পাওয়ার আশা বেড়েছে। শুক্রবার দুই নেপালি শ্রমিক ও শনিবার এক চীনা নাগরিককে উদ্ধার করা হয়। নেপালের উদ্ধারকারী দলগুলোকে সহায়তা করছেন চীন, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞরা। তাদের মধ্যে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্ধার বিশেষজ্ঞ ডিক্সও। ডিক্স বলেন, ‘আমাদের সাফল্য শুধু কতজনের জীবন আমরা বাঁচাতে পারলাম, তা দিয়ে বিচার করা হয় না; বরং যাদের আমরা পরিত্যাগ করতে অস্বীকার করি, তাদের জীবন দিয়েও তা বিচার করা হয়।’ ২০২৩ সালে ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের সিলকিয়ারা টানেল ধসে ১৭ দিন আটকে থাকা ৪১ জন শ্রমিককে উদ্ধারের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছিলেন ডিক্স।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত