বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে : মীর হেলাল দেশে সার সংকট নেই, কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা চলছে : কৃষিমন্ত্রী বিমানবন্দরে অগ্নি নিরাপত্তা জোরদারে বেবিচকের দু’মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ডিএমপি’র মিরপুর বিভাগের অভিযানে নানা অপরাধে জড়িত গ্রেফতার ১৩০ পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া আইএলও ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের মধ্যে মতবিনিময় গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ ও সমৃদ্ধ পার্বত্য অঞ্চল গঠনে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : সাচিং প্রু চট্টগ্রামে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না, রেস্তোরাঁকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা জিগাতলায় হেরিটেজ ইন্টার কন্টিনেন্টালকে ১ লাখ টাকা জরিমানা হাটহাজারীতে সিএনজি অটোরিকশা-প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে অটোরিকশা চালক নিহত
জাতীয় পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে : মীর হেলাল

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে : মীর হেলাল

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ ও শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারের দীর্ঘমেয়াদী ও সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি। 

তিনি বলেন, শুধু তাৎক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান পরিচালনা করে সংঘাতের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজ থেকে অন্ধকার দূর করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি সংক্রান্ত এক বিশেষ সভা শেষে বুধবার রাতে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল জোর দিয়ে বলেন, গোলাগুলি হলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ, বিজিবি বা আর্মি পাঠিয়ে কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা সাস্টেইনেবল (টেকসই) সমাধান নয়। মানুষের মাঝে আত্মকর্মসংস্থান ও উন্নত শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে সহিংসতা কমে আসবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো স্থায়ী পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব নয়। সরকার একটি আইনি, সামাজিক, শিক্ষাগত ও অর্থনৈতিক হোলিস্টিক অ্যাপ্রোচ (সমগ্রতাবাদী পদ্ধতি) নিয়ে এগোচ্ছে। 

দুর্গম এলাকায় আলো ছড়াতে ই-লার্নিং ও কোয়ালিটি এডুকেশনের ওপর গুরুত্বারোপ করে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষায় সমতা আনলে পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ্যকার বৈষম্য ঘুচে যাবে।

এ সময় পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষক যেন পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় তার সুব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।

স্বাবলম্বী ও সুস্থ জীবনযাপনে অভ্যস্ত কোনো মানুষ সন্ত্রাসী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী কাজে জড়িত হতে চায় না বলে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গণতন্ত্র ও সুশাসনের মূলনীতি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গঠনমূলক সমালোচনার পথ উন্মুক্ত করেছিলেন, যা গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য। জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক। সমাজ ও জাতির স্বার্থের পরিপন্থী সব কর্মকাণ্ড পরিহার করে পার্বত্য অঞ্চলকে মাদকমুক্ত ও শান্তিময় হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফির সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— রাঙ্গামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, রাঙ্গামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক পিএসসি, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দিপু, পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিব পিপিএম ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিনসহ জেলা বিএনপি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

খুঁজুন