১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার রাজধানীর মিরপুর-১ এ অবস্থিত কেন্দ্রীয় খানেকায়ে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া শরীফে এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা, পুনর্মিলনী ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) ও পবিত্র ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম উদযাপন এবং পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে ত্বরিকতভিত্তিক জীবনযাপন, সুন্নতে নববীর প্রাত্যহিক অনুসরণ এবং শান্তিময় সমাজ গঠনে আল কুরআন ও আস-সুন্নাহর আলোকে বিশেষ নসিহতমূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়ার — চেয়ারম্যান হযরত শাহ সূফী সায়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমেদ আল-মাইজভান্ডারী (ম.জি.আ.)।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত জাকেরান, আশেকান ও সমগ্র দেশবাসীর উদ্দেশ্যে এক বিশেষ বাণী প্রদান করেন হযরত শাহ সূফী সায়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমেদ আল-মাইজভান্ডারী।
বাণীতে তিনি বলেন, "পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) ও ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম কেবল প্রথাগত কোনো অনুষ্ঠান নয়; এটি রাসূলে পাক (সা.)-এর সুন্নাহ ও গাউছুল আজম বড়পীর হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (র.)-এর আধ্যাত্মিক আদর্শে নিজেদের জীবনকে আলোকিত করার মাহেন্দ্রক্ষণ।
বর্তমান অস্থির পৃথিবীতে শান্তি ও মানবতা প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় হলো রাসূল (দ.)-এর দেখানো প্রীতি, সাম্য ও সহমর্মিতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। আমাদের তরুণেরা যেন বিভ্রান্তির পথ পরিহার করে ত্বরিকতের শিক্ষা ও মাইজভান্ডারী দর্শনের আলোকে নৈতিক, সৎ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে—এই আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।"
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (ক.)-এর প্রবর্তিত ত্বরিকতের মূল শিক্ষা হলো মানবাধিকারের সম্মান রক্ষা ও খোদাভীতি অর্জন। তিনি উপস্থিত ভক্ত ও অনুসারীদের দৈনন্দিন জীবনে নিয়মিত ইবাদত-বন্দেগির পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবামূলক কাজে আত্মনিয়োগ করার জোরালো আহ্বান জানান।
উক্ত আলোচনা সভা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়ার কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিনিধিগণ এবং দরবারে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর খলিফাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া রাজধানী ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বিপুল সংখ্যক আশেকান ও জাকেরান পরম ভক্তিতে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সাম্য, বাংলাদেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও শান্তি এবং উপস্থিত সকলের সুখ-সমৃদ্ধি ও রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন হযরত শাহ সূফী সায়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমেদ আল-মাইজভান্ডারী। পরিশেষে উপস্থিত সকল ভক্তদের মাঝে তাবাররুক বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) (পুনর্মিলনী) আলোচনা সভা
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) (পুনর্মিলনী) আলোচনা সভা
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার রাজধানীর মিরপুর-১ এ অবস্থিত কেন্দ্রীয় খানেকায়ে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া শরীফে এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা, পুনর্মিলনী ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) ও পবিত্র ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম উদযাপন এবং পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে ত্বরিকতভিত্তিক জীবনযাপন, সুন্নতে নববীর প্রাত্যহিক অনুসরণ এবং শান্তিময় সমাজ গঠনে আল কুরআন ও আস-সুন্নাহর আলোকে বিশেষ নসিহতমূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়ার — চেয়ারম্যান হযরত শাহ সূফী সায়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমেদ আল-মাইজভান্ডারী (ম.জি.আ.)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত জাকেরান, আশেকান ও সমগ্র দেশবাসীর উদ্দেশ্যে এক বিশেষ বাণী প্রদান করেন হযরত শাহ সূফী সায়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমেদ আল-মাইজভান্ডারী।বাণীতে তিনি বলেন, "পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) ও ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম
কেবল প্রথাগত কোনো অনুষ্ঠান নয়; এটি রাসূলে পাক (সা.)-এর সুন্নাহ ও গাউছুল আজম বড়পীর হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (র.)-এর আধ্যাত্মিক আদর্শে নিজেদের জীবনকে আলোকিত করার মাহেন্দ্রক্ষণ। বর্তমান অস্থির পৃথিবীতে শান্তি ও মানবতা প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় হলো রাসূল (দ.)-এর দেখানো প্রীতি, সাম্য ও সহমর্মিতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। আমাদের তরুণেরা যেন বিভ্রান্তির পথ পরিহার করে ত্বরিকতের শিক্ষা ও মাইজভান্ডারী দর্শনের আলোকে নৈতিক, সৎ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে—এই আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।" আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (ক.)-এর প্রবর্তিত ত্বরিকতের মূল শিক্ষা হলো মানবাধিকারের সম্মান রক্ষা ও খোদাভীতি অর্জন। তিনি উপস্থিত ভক্ত ও অনুসারীদের দৈনন্দিন
জীবনে নিয়মিত ইবাদত-বন্দেগির পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবামূলক কাজে আত্মনিয়োগ করার জোরালো আহ্বান জানান। উক্ত আলোচনা সভা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়ার কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিনিধিগণ এবং দরবারে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর খলিফাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া রাজধানী ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বিপুল সংখ্যক আশেকান ও জাকেরান পরম ভক্তিতে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সাম্য, বাংলাদেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও শান্তি এবং উপস্থিত সকলের সুখ-সমৃদ্ধি ও রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন হযরত শাহ সূফী সায়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমেদ আল-মাইজভান্ডারী। পরিশেষে উপস্থিত সকল ভক্তদের মাঝে তাবাররুক বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত