বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে একটি উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এসময় বক্তারা পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি রূপান্তরে ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন।
‘পরিবর্তনশীল জ্বালানি প্রেক্ষাপটে পোশাক খাতে কার্বনমুক্তকরণের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক এ আলোচনার আয়োজন করে এইচএসবিসি বাংলাদেশ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), বাংলাদেশে অবস্থিত সুইডিশ দূতাবাস এবং অ্যাপারেল ইমপ্যাক্ট ইনস্টিটিউট (এআইআই)।
এইচএসবিসি আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
অনুষ্ঠানে সরকারি মন্ত্রণালয়, বৈশ্বিক পোশাক ব্র্যান্ড, তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও শিল্প সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও হেড অব ডেলিগেশন মাইকেল মিলার, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও জাতিসংঘ উইং প্রধান এ কে এম সোহেল, সুইডিশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ওলে লুনদিন, এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. মাহবুব উর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. সারওয়ার হোসেইন, বিজিএমইএর সহ-সভাপতি বিদ্যা খান, এআইআই-এর ক্রিস্টিনা এলিন্ডার লিল্হাস, এইচঅ্যান্ডএম গ্রুপের কিম হেলস্ট্রম এবং এটিটিআই-এর অলিভিয়া উইন্ডহাম স্টুয়ার্টসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।
ক্রিস্টিনা এলিন্ডার লিল্হাস তার মূল বক্তব্যে আন্তর্জাতিক গবেষণার তথ্য তুলে ধরে বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে পোশাক খাতে ৫০ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ কমানোর বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রায় ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন।
এইচএসবিসি হোল্ডিংস পিএলসির গ্লোবাল হেড অব ক্লিন পাওয়ার সিস্টেমস র্যান্ডলফ ব্রেজার এবং এইচএসবিসির এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের সাসটেইনেবিলিটি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধান জাস্টিন উ অনলাইনে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানির সম্ভাবনা নিয়ে মতামত দেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, ইউরোপীয় বাজার ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা যখন সীমিত কার্বন ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, উৎপাদন সক্ষমতার সঙ্গে পরিবেশবান্ধব প্রক্রিয়ার সমন্বয় ঘটিয়ে টেকসই সোর্সিংয়ের শীর্ষস্থান অর্জনের সুযোগ বাংলাদেশকে কাজে লাগাতে হবে।
এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব উর রহমান বলেন, বাংলাদেশের পোশাক খাতে বৈশ্বিক নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী করতে জ্বালানি রূপান্তরের বাণিজ্যিকায়ন এখন সময়ের দাবি।
তিনি বলেন, সহায়ক নীতি, উন্নত প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি হবে।
পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি রূপান্তরে ৬.৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন
পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি রূপান্তরে ৬.৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে একটি উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় বক্তারা পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি রূপান্তরে ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন। ‘পরিবর্তনশীল জ্বালানি প্রেক্ষাপটে পোশাক খাতে কার্বনমুক্তকরণের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক এ আলোচনার আয়োজন করে এইচএসবিসি বাংলাদেশ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), বাংলাদেশে অবস্থিত সুইডিশ দূতাবাস এবং অ্যাপারেল ইমপ্যাক্ট ইনস্টিটিউট (এআইআই)। এইচএসবিসি আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। অনুষ্ঠানে সরকারি মন্ত্রণালয়, বৈশ্বিক পোশাক ব্র্যান্ড, তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও শিল্প সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও হেড অব ডেলিগেশন মাইকেল মিলার, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক
সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও জাতিসংঘ উইং প্রধান এ কে এম সোহেল, সুইডিশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ওলে লুনদিন, এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. মাহবুব উর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. সারওয়ার হোসেইন, বিজিএমইএর সহ-সভাপতি বিদ্যা খান, এআইআই-এর ক্রিস্টিনা এলিন্ডার লিল্হাস, এইচঅ্যান্ডএম গ্রুপের কিম হেলস্ট্রম এবং এটিটিআই-এর অলিভিয়া উইন্ডহাম স্টুয়ার্টসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা। ক্রিস্টিনা এলিন্ডার লিল্হাস তার মূল বক্তব্যে আন্তর্জাতিক গবেষণার তথ্য তুলে ধরে বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে পোশাক খাতে ৫০ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ কমানোর বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রায় ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন। এইচএসবিসি হোল্ডিংস পিএলসির গ্লোবাল হেড অব ক্লিন পাওয়ার সিস্টেমস র্যান্ডলফ ব্রেজার এবং এইচএসবিসির এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের সাসটেইনেবিলিটি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক
প্রধান জাস্টিন উ অনলাইনে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানির সম্ভাবনা নিয়ে মতামত দেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, ইউরোপীয় বাজার ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা যখন সীমিত কার্বন ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, উৎপাদন সক্ষমতার সঙ্গে পরিবেশবান্ধব প্রক্রিয়ার সমন্বয় ঘটিয়ে টেকসই সোর্সিংয়ের শীর্ষস্থান অর্জনের সুযোগ বাংলাদেশকে কাজে লাগাতে হবে। এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব উর রহমান বলেন, বাংলাদেশের পোশাক খাতে বৈশ্বিক নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী করতে জ্বালানি রূপান্তরের বাণিজ্যিকায়ন এখন সময়ের দাবি। তিনি বলেন, সহায়ক নীতি, উন্নত প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত