আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে প্রবল শক্তি নিয়ে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। ভারতের আবহাওয়া বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রকাশম জেলার ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঝড়টির স্থলভাগ অতিক্রমের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর প্রভাবে অন্ধ্র প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত। একই সঙ্গে উপকূলীয় অঞ্চলে বইছে ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া।
ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর বা আইএমডির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মধ্যরাতের পর ঘূর্ণিঝড়টির মেঘমালার সামনের অংশ উপকূলে প্রবেশ করে। সে সময় এটি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করছিল। ঝড়টি ওঙ্গোল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং কাভালি থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থান করছিল। নেলোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঝড়টি পুরোপুরি স্থলভাগ অতিক্রম করে।
আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উপকূলীয় এলাকায় দমকা হাওয়া এবং আগামী আরও বেশ কিছুদিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে প্রায় ১ থেকে ১ দশমিক ৫ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর ফলে দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলীয় নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে বাপাতলা, কৃষ্ণা ও প্রকাশম জেলায় জলোচ্ছ্বাসের বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
ঘূর্ণিঝড়ের এই প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আবহাওয়া বিভাগ থেকে বিভিন্ন সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সাধারণ মানুষকে নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রবল শক্তি নিয়ে উপকূলে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’
প্রবল শক্তি নিয়ে উপকূলে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে প্রবল শক্তি নিয়ে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। ভারতের আবহাওয়া বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রকাশম জেলার ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঝড়টির স্থলভাগ অতিক্রমের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর প্রভাবে অন্ধ্র প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত। একই সঙ্গে উপকূলীয় অঞ্চলে বইছে ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া।ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর বা আইএমডির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মধ্যরাতের পর ঘূর্ণিঝড়টির মেঘমালার সামনের অংশ
উপকূলে প্রবেশ করে। সে সময় এটি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করছিল। ঝড়টি ওঙ্গোল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং কাভালি থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থান করছিল। নেলোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঝড়টি পুরোপুরি স্থলভাগ অতিক্রম করে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উপকূলীয় এলাকায় দমকা হাওয়া এবং আগামী আরও বেশ কিছুদিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে প্রায় ১ থেকে ১
দশমিক ৫ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর ফলে দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলীয় নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে বাপাতলা, কৃষ্ণা ও প্রকাশম জেলায় জলোচ্ছ্বাসের বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।ঘূর্ণিঝড়ের এই প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আবহাওয়া বিভাগ থেকে বিভিন্ন সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সাধারণ মানুষকে নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত