সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ছোট ভাই আরিফুল হকের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হকের নামে থাকা ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি, বনানী শাখার হিসেবে থাকা ৪ কোটি ৮৯ লাখ ৬৩ হাজার টাকা অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন।
আবেদনে বলা হয়, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সরকারি কর্মচারী হিসেবে অপরাধমূলক অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসাধু উপায়ে নিজের এবং তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১৪৬ কোটি ১৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন ও দখলে রাখা এবং ২৯টি ব্যাংক হিসাবে ৩৪৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা জমা ও ৩১৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন করায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।
মামলাটি তদন্তকালে দেখা যায়, এজাহারভুক্ত আসামি আনিসুল হক নিজ নামে এবং তদন্তে আগত আসামি মোহাম্মদ ইকবাল, শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম ও জেবুন্নেসা বেগম হকের নামে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া আসামিদের ২৩টি ব্যাংক হিসাবে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা জমা ও ৩৬১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন সংঘটিত হয়েছে।
তদন্তকালে আরও জানা গেছে, আসামি অবৈধ পন্থায় ব্যাংক হিসাবে জমাকৃত অর্থ উত্তোলন, হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টায় রয়েছেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অবিলম্বে তদন্তে আগত আসামি জেবুন্নেসা বেগম হকের নামীয় ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করা প্রয়োজন। তার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা না হলে বিচারকালে তা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা সম্ভব হবে না।
সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর ৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা অবরুদ্ধ
সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর ৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা অবরুদ্ধ
সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ছোট ভাই আরিফুল হকের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হকের নামে থাকা ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি, বনানী শাখার হিসেবে থাকা ৪ কোটি ৮৯ লাখ ৬৩ হাজার টাকা অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। আবেদনে বলা হয়, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সরকারি কর্মচারী হিসেবে অপরাধমূলক অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসাধু উপায়ে নিজের এবং তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত জ্ঞাত
আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১৪৬ কোটি ১৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন ও দখলে রাখা এবং ২৯টি ব্যাংক হিসাবে ৩৪৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা জমা ও ৩১৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন করায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তকালে দেখা যায়, এজাহারভুক্ত আসামি আনিসুল হক নিজ নামে এবং তদন্তে আগত আসামি মোহাম্মদ ইকবাল, শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম ও জেবুন্নেসা বেগম হকের নামে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়
বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া আসামিদের ২৩টি ব্যাংক হিসাবে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা জমা ও ৩৬১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন সংঘটিত হয়েছে। তদন্তকালে আরও জানা গেছে, আসামি অবৈধ পন্থায় ব্যাংক হিসাবে জমাকৃত অর্থ উত্তোলন, হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টায় রয়েছেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অবিলম্বে তদন্তে আগত আসামি জেবুন্নেসা বেগম হকের নামীয় ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করা প্রয়োজন। তার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা না হলে বিচারকালে তা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা সম্ভব হবে না।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত