২০২৪ সালের জুলাই মাসে জারিকৃত ‘ঢিলেঢালা’ কার্ফিউ বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের আরও সাহসী করে তুলেছিল এবং এটিই শেষ পর্যন্ত ৫
আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পথ প্রশস্ত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পাভেল হায়দার
চৌধুরী। তার নিয়মিত অনুষ্ঠান ‘জানিয়ে রাখি’-র ৩০১তম পর্বে তিনি এই বিশ্লেষণ তুলে
ধরেন।
পাভেল হায়দার চৌধুরী উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গণভবনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আন্দোলন দমাতে ২০ জুলাই মধ্যরাত থেকে সারাদেশে কার্ফিউ
জারি করা হয়। কিন্তু সরকারের এই সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার বদলে
হিতে বিপরীত হয়েছিল।
তার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কার্ফিউ চলাকালীন আন্দোলনকারীরা রাজপথ ছেড়ে না গিয়ে বরং
কৌশল পরিবর্তন করেছিলেন। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ১৫-২০ জনের ছোট ছোট দলে বিভক্ত
হয়ে তারা সাধারণ মানুষের বেশে রাস্তায় অবস্থান নেন। প্রচণ্ড গরমের অজুহাত দেখিয়ে
খালি গায়ে গলিতে বা প্রধান সড়কে ঘোরাফেরা করার মাধ্যমে তারা কার্ফিউর
প্রভাবকে তুচ্ছজ্ঞান করতে শুরু করেন। আন্দোলনকারীদের কাছে এই
কার্ফিউ একটি ‘টেস্ট কেস’ হিসেবে কাজ করেছিল, যা তাদের মনোবল বহুগুণ
বাড়িয়ে দেয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যখন আন্দোলনকারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় কৌশলগত
অবস্থান নিচ্ছিলেন, তখন আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা
কার্ফিউকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ঘরে অবস্থান করছিলেন। কেন্দ্রীয়
নেতারা বা এমপি-মন্ত্রীরা মাঝে মাঝে দলীয় কার্যালয়ে আসলেও তা ছিল কেবল গল্পগুজবের
মধ্যে সীমাবদ্ধ। এমনকি কার্যালয় ছাড়ার সময় তারা নেতা-কর্মীদের কার্ফিউর ভয়ে
দ্রুত বাসায় ফেরার তাগিদ দিতেন।
পাভেল হায়দার চৌধুরী দাবি করেন, কার্ফিউর ওই সময়টিতে আওয়ামী লীগের চরম সাংগঠনিক
দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একদিকে নেতা-কর্মীদের মাঠ ছেড়ে ঘরে বসে থাকা,
অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের রাজপথে সাহসের সঙ্গে টিকে থাকা—এই বিপরীতমুখী
অবস্থানই ৫ আগস্টের চূড়ান্ত পরিবর্তনের পটভূমি তৈরি করে দিয়েছিল।
তিনি বলেন, "কার্ফিউর ওই কয়েক দিনে আন্দোলনকারীরা আওয়ামী লীগের দুর্বলতা টের পেয়ে
গিয়েছিল এবং তারা আরও চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল। যার চূড়ান্ত ফল হিসেবে ৫ আগস্টের ঘটনা
ঘটে।"
সাংগঠনিক দুর্বলতা ৫ আগস্টের পথ প্রশস্ত করেছে
সাংগঠনিক দুর্বলতা ৫ আগস্টের পথ প্রশস্ত করেছে
২০২৪ সালের জুলাই মাসে জারিকৃত ‘ঢিলেঢালা’ কার্ফিউ বৈষম্যবিরোধীছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের আরও সাহসী করে তুলেছিল এবং এটিই শেষ পর্যন্ত ৫আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পথ প্রশস্ত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পাভেল হায়দারচৌধুরী। তার নিয়মিত অনুষ্ঠান ‘জানিয়ে রাখি’-র ৩০১তম পর্বে তিনি এই বিশ্লেষণ তুলেধরেন। পাভেল হায়দার চৌধুরী উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গণভবনে সাবেক প্রধানমন্ত্রীশেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেইসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আন্দোলন দমাতে ২০ জুলাই মধ্যরাত থেকে সারাদেশে কার্ফিউজারি করা হয়। কিন্তু সরকারের এই সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার বদলেহিতে বিপরীত হয়েছিল। তার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী,
কার্ফিউ চলাকালীন আন্দোলনকারীরা রাজপথ ছেড়ে না গিয়ে বরংকৌশল পরিবর্তন করেছিলেন। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ১৫-২০ জনের ছোট ছোট দলে বিভক্তহয়ে তারা সাধারণ মানুষের বেশে রাস্তায় অবস্থান নেন। প্রচণ্ড গরমের অজুহাত দেখিয়েখালি গায়ে গলিতে বা প্রধান সড়কে ঘোরাফেরা করার মাধ্যমে তারা কার্ফিউরপ্রভাবকে তুচ্ছজ্ঞান করতে শুরু করেন। আন্দোলনকারীদের কাছে এইকার্ফিউ একটি ‘টেস্ট কেস’ হিসেবে কাজ করেছিল, যা তাদের মনোবল বহুগুণবাড়িয়ে দেয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যখন আন্দোলনকারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় কৌশলগতঅবস্থান নিচ্ছিলেন, তখন আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরাকার্ফিউকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ঘরে অবস্থান করছিলেন। কেন্দ্রীয়নেতারা বা এমপি-মন্ত্রীরা মাঝে মাঝে
দলীয় কার্যালয়ে আসলেও তা ছিল কেবল গল্পগুজবেরমধ্যে সীমাবদ্ধ। এমনকি কার্যালয় ছাড়ার সময় তারা নেতা-কর্মীদের কার্ফিউর ভয়েদ্রুত বাসায় ফেরার তাগিদ দিতেন। পাভেল হায়দার চৌধুরী দাবি করেন, কার্ফিউর ওই সময়টিতে আওয়ামী লীগের চরম সাংগঠনিকদুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একদিকে নেতা-কর্মীদের মাঠ ছেড়ে ঘরে বসে থাকা,অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের রাজপথে সাহসের সঙ্গে টিকে থাকা—এই বিপরীতমুখীঅবস্থানই ৫ আগস্টের চূড়ান্ত পরিবর্তনের পটভূমি তৈরি করে দিয়েছিল। তিনি বলেন, "কার্ফিউর ওই কয়েক দিনে আন্দোলনকারীরা আওয়ামী লীগের দুর্বলতা টের পেয়েগিয়েছিল এবং তারা আরও চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল। যার চূড়ান্ত ফল হিসেবে ৫ আগস্টের ঘটনাঘটে।"
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৮),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত