পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা লাভের আগেই আওয়ামী লীগ ‘বাংলাদেশ’ নামটি রেখেছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও নামটি এখনো রয়েছে। এই নামটি শুধু একটি ভূখণ্ডের পরিচয় নয়, বরং বাঙালি জাতির ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক।
১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হলে পূর্ব বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তান নামে অভিহিত করা হয়। কিন্তু ভাষা, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের কারণে পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে একটি স্বতন্ত্র জাতীয় চেতনা গড়ে ওঠে।
এই চেতনাকে ধারণ করেই আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ’ নামটি ব্যবহার করতে শুরু করে। ষাটের দশকে এই নামটি রাজনৈতিক আন্দোলনে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে ওঠে।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘বাংলাদেশ’ নামটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পরিচিতি পায়।
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, মুক্তিযোদ্ধাদের সংগ্রাম এবং জনগণের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ‘বাংলাদেশ’ একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বিজয় অর্জনের পর এই নামটিই দেশের সাংবিধানিক পরিচয় হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
স্বাধীনতার পর নানা রাজনৈতিক পরিবর্তন, সরকার পরিবর্তন এবং সামাজিক রূপান্তর ঘটলেও দেশের নাম পরিবর্তনের কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়নি। কারণ ‘বাংলাদেশ’ নামটি দেশের জনগণের আবেগ, সংগ্রাম এবং স্বাধীনতার ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এটি বাঙালি জাতির আত্মমর্যাদা ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক।
আজও ‘বাংলাদেশ’ নামটি একইভাবে বহাল রয়েছে এবং বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে সম্মানের সঙ্গে পরিচিত। এই নামের মধ্যেই নিহিত রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের গৌরব, ভাষা আন্দোলনের চেতনা এবং একটি জাতির দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস।
আওয়ামী লীগের দেওয়া ‘বাংলাদেশ’ নাম আজও বহাল
আওয়ামী লীগের দেওয়া ‘বাংলাদেশ’ নাম আজও বহাল
পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা লাভের আগেই আওয়ামী লীগ ‘বাংলাদেশ’ নামটি রেখেছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও নামটি এখনো রয়েছে। এই নামটি শুধু একটি ভূখণ্ডের পরিচয় নয়, বরং বাঙালি জাতির ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হলে পূর্ব বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তান নামে অভিহিত করা হয়। কিন্তু ভাষা, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের কারণে পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে একটি স্বতন্ত্র জাতীয় চেতনা গড়ে ওঠে। এই চেতনাকে ধারণ করেই আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন
রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ’ নামটি ব্যবহার করতে শুরু করে। ষাটের দশকে এই নামটি রাজনৈতিক আন্দোলনে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে ওঠে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘বাংলাদেশ’ নামটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পরিচিতি পায়। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, মুক্তিযোদ্ধাদের সংগ্রাম এবং জনগণের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ‘বাংলাদেশ’ একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বিজয় অর্জনের পর এই নামটিই দেশের সাংবিধানিক পরিচয় হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। স্বাধীনতার
পর নানা রাজনৈতিক পরিবর্তন, সরকার পরিবর্তন এবং সামাজিক রূপান্তর ঘটলেও দেশের নাম পরিবর্তনের কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়নি। কারণ ‘বাংলাদেশ’ নামটি দেশের জনগণের আবেগ, সংগ্রাম এবং স্বাধীনতার ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এটি বাঙালি জাতির আত্মমর্যাদা ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক। আজও ‘বাংলাদেশ’ নামটি একইভাবে বহাল রয়েছে এবং বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে সম্মানের সঙ্গে পরিচিত। এই নামের মধ্যেই নিহিত রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের গৌরব, ভাষা আন্দোলনের চেতনা এবং একটি জাতির দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৮),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত