পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শিশু সাঁতার জানলে পানিতে হঠাৎ পড়ে গেলে আত্মরক্ষার সুযোগ অনেক বেড়ে যায়। এজন্য পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকেও শিশুদের সাঁতার শেখানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।
তিনি বলেন, সাঁতার শুধু বিনোদন বা শারীরিক ব্যায়ামের বিষয় নয়, এটি জীবন রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা। তাই প্রত্যেক শিশুকে ছোটবেলা থেকেই সাঁতার শেখানোর উদ্যোগ নিতে হবে।
আজ রোববার পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বোদা উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নদী, খাল, বিল ও পুকুরসহ অসংখ্য জলাশয়ের দেশ। এসব জলাশয় দেশের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। জলাশয়ের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। তাই দেশের জলাশয়গুলো সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বাড়াতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত ও মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন করা হলে দেশের মৎস্য উৎপাদন আরও বাড়বে। একই সঙ্গে প্রাকৃতিক জলাশয়ের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পুকুর, খাল-বিল ও অন্যান্য জলাশয় দূষণমুক্ত রাখতে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ জরুরি।
শিশুদের জন্য সাঁতার প্রশিক্ষণ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সাঁতার একই সঙ্গে শরীরচর্চা, বিনোদন ও আত্মরক্ষার দক্ষতা হিসেবে কাজ করে। ফলে শিশুদের জন্য নিয়মিত ও নিরাপদ সাঁতার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। পরে শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে সাঁতার শেখানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বোদা উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলজ সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি শিশুদের সাঁতারে দক্ষ করে তোলার উদ্দেশ্যে এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে একদিকে স্থানীয় মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন হবে, অন্যদিকে শিশুদের পানিতে দুর্ঘটনা মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কর্মসূচিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক, শিশু ও অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষণ ও জলজ সম্পদ সংরক্ষণে এ ধরনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সাঁতার শেখানোর মাধ্যমে শিশুদের আত্মরক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
সাঁতার শেখানোর মাধ্যমে শিশুদের আত্মরক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শিশু সাঁতার জানলে পানিতে হঠাৎ পড়ে গেলে আত্মরক্ষার সুযোগ অনেক বেড়ে যায়। এজন্য পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকেও শিশুদের সাঁতার শেখানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। তিনি বলেন, সাঁতার শুধু বিনোদন বা শারীরিক ব্যায়ামের বিষয় নয়, এটি জীবন রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা। তাই প্রত্যেক শিশুকে ছোটবেলা থেকেই সাঁতার শেখানোর উদ্যোগ নিতে হবে। আজ রোববার পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বোদা উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নদী, খাল, বিল ও পুকুরসহ অসংখ্য জলাশয়ের দেশ।
এসব জলাশয় দেশের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। জলাশয়ের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। তাই দেশের জলাশয়গুলো সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বাড়াতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত ও মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন করা হলে দেশের মৎস্য উৎপাদন আরও বাড়বে। একই সঙ্গে প্রাকৃতিক জলাশয়ের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পুকুর, খাল-বিল ও অন্যান্য জলাশয় দূষণমুক্ত রাখতে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ জরুরি। শিশুদের জন্য সাঁতার প্রশিক্ষণ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সাঁতার একই সঙ্গে শরীরচর্চা, বিনোদন ও আত্মরক্ষার দক্ষতা হিসেবে কাজ করে। ফলে শিশুদের জন্য নিয়মিত ও
নিরাপদ সাঁতার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। পরে শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে সাঁতার শেখানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বোদা উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলজ সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি শিশুদের সাঁতারে দক্ষ করে তোলার উদ্দেশ্যে এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে একদিকে স্থানীয় মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন হবে, অন্যদিকে শিশুদের পানিতে দুর্ঘটনা মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্মসূচিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক, শিশু ও অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষণ ও জলজ সম্পদ সংরক্ষণে এ ধরনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত