মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম-অযোগ্য ১২৬ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে জিম্বাবুয়ে টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন ক্রিমার মহানবীর (সা.) আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল ২০২৬ শুরু মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলবে বাংলাদেশ : ডি ভিলিয়ার্স রদ্রিকে না পেলেও স্কোয়াড নিয়ে সন্তুষ্ট মরিনহো ট্রাম্পের নতুন শুল্কের পাল্টা পদক্ষেপ ঘোষণা করবে কানাডা
দেশের খবর শিক্ষকের থাপ্পড়ে কানের পর্দা ফাটল শিক্ষার্থীর

শিক্ষকের থাপ্পড়ে কানের পর্দা ফাটল শিক্ষার্থীর

নওগাঁর মহাদেবপুরে শিক্ষকের থাপ্পড়ে কানের পর্দা ফেটেছে রাব্বি হোসেন (৯) নামের ৫ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর। এ ঘটনার পর মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল দুপুরে শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে ১২ হাজার টাকায় আপোষ-মিমাংসা করেছেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পাহাড়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। জানা যায়, গত মঙ্গলবার ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রাব্বি হোসেনের সাথে তার এক সহপাঠীর বাগবিতণ্ডা হয়। এটা জানার পর ঐ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শামিম রেজা শিক্ষার্থী রাব্বি হোসেনকে ডেকে নিয়ে বাম কানের উপর সজোরে বেশ কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। সাথে সাথেই ঐ শিক্ষার্থীর কান দিয়ে রক্ত পড়তে শুরু করে। এ সময় রাব্বি ছুটে বাড়িতে গেলে তার অভিভাবকরা গ্রাম্য ডাক্তার আনিসুর রহমান চঞ্চলের কাছে নিয়ে যায়। ডাক্তার তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার এক দিন পার হলেও তার কানের রক্ত পড়া বন্ধ না হওয়ায় ডাক্তারের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য নওগাঁর নাক-কান ও গলা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসা নেওয়ার পরে তার কানের রক্ত পড়া বন্ধ হলেও এখনো কানে ঠিকমতো শুনতে পাচ্ছেন না। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হলে  বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের মধ্যস্থতায় অভিভাবকদের ডেকে স্থানীয়দের মাধ্যমে ক্ষমা চেয়ে চিকিৎসার খরচ বাবদ ১২ হাজার টাকা দেন শিক্ষক শামিম রেজা। পরবর্তীতে ঐ শিক্ষার্থীর কান অপারেশন করতে হলে তার যাবতীয় খরচ দিবেন বলে অঙ্গীকার করেন শিক্ষক শামীম রেজা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষার্থী রাব্বি হোসেনের মা বলেন, ঘটনার পর ঐ শিক্ষক আমার সন্তানের খোঁজ খবর পর্যন্ত নেননি। আমার ছেলের চিকিৎসা এখনো চলমান রয়েছে। এরমধ্যে আমরা অভিযোগ দেয়ার প্রস্তুতি নিলে বিষয়টি জানতে পেরে প্রধান শিক্ষক আমাদের ডেকে নিয়ে যায়। এ সময় অভিযুক্ত শিক্ষক শামীম রেজা ক্ষমা চেয়ে চিকিৎসা খরচ বাবদ ১২ হাজার টাকা দেন এবং ভবিষ্যতে অপারেশন করতে হলে সে খরচও দিতে চেয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক শামীম রেজা তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিদ্যালয়ে এমন কোন ঘটনায় ঘটেনি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ছোট-খাট একটি ঘটনা ঘটেছিল। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিটমাট করা হয়েছে।


খুঁজুন