মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমিকে দেশের প্রতিটি শিশুর অন্তর্নিহিত প্রতিভা বিকাশ, মুক্তচিন্তা ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, শিশুদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি তাদের সৃজনশীলতা, মুক্তচিন্তা ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনে শিশু একাডেমিকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
আজ বুধবার বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে একাডেমি পরিদর্শন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আগামী ৬ অক্টোবর বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন এবং শিশু অধিকার দিবস ও বিশ্ব শিশু সপ্তাহের বিভিন্ন কর্মসূচির অগ্রগতি নিশ্চিত করতে এ প্রস্তুতিমূলক সভার আয়োজন করা হয়। জাতীয় পর্যায়ের এ আয়োজনকে সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর করার বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী শিশু একাডেমির মূল মিলনায়তন, লাইব্রেরি, ব্রেইল কর্নার, স্টোর রুম এবং একাডেমির সীমানা প্রাচীরসহ সংলগ্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি একাডেমির সার্বিক পরিবেশ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অবকাঠামোগত অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।
আগে থেকেই অব্যবহৃত থাকা শিশু একাডেমির বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনটি অনতিবিলম্বে সচল করার জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর ও ডিপিডিসিকে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেন মন্ত্রী।
পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে একাডেমি ভবনের ছাদে অবিলম্বে আধুনিক সোলার প্যানেল স্থাপনেরও নির্দেশ দেন তিনি।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষার সুযোগ প্রসারে ব্রেইল কর্নারে ব্রেইল বইয়ের সংগ্রহ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে সহায়ক প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে ব্রেইল কর্নারকে আরও শিশুবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার নির্দেশনা দেন তিনি।
আগত শিশুদের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে একাডেমির প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন বলে সভায় জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও জাতীয় আয়োজনকে সামনে রেখে শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং পার্শ্ববর্তী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ সংলগ্ন অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়েও ডিএমপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ সময় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সমন্বিত নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা, সুনির্দিষ্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং একাডেমির সীমানার বিভিন্ন পয়েন্টে সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
মতবিনিময় সভায় গণপূর্ত অধিদপ্তর ও ডিপিডিসির প্রধান প্রকৌশলীবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক, একাডেমি পরিচালনা বোর্ডের সদস্যবৃন্দ, ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শিশু একাডেমিকে প্রতিভা বিকাশের নিরাপদ আশ্রয়স্থল করা হবে
শিশু একাডেমিকে প্রতিভা বিকাশের নিরাপদ আশ্রয়স্থল করা হবে
মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমিকে দেশের প্রতিটি শিশুর অন্তর্নিহিত প্রতিভা বিকাশ, মুক্তচিন্তা ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, শিশুদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি তাদের সৃজনশীলতা, মুক্তচিন্তা ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনে শিশু একাডেমিকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। আজ বুধবার বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে একাডেমি পরিদর্শন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ৬ অক্টোবর বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন এবং শিশু অধিকার দিবস ও বিশ্ব শিশু সপ্তাহের বিভিন্ন কর্মসূচির অগ্রগতি নিশ্চিত করতে এ প্রস্তুতিমূলক সভার আয়োজন করা হয়। জাতীয় পর্যায়ের এ আয়োজনকে সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর করার বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়। পরিদর্শনকালে
মন্ত্রী শিশু একাডেমির মূল মিলনায়তন, লাইব্রেরি, ব্রেইল কর্নার, স্টোর রুম এবং একাডেমির সীমানা প্রাচীরসহ সংলগ্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি একাডেমির সার্বিক পরিবেশ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অবকাঠামোগত অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। আগে থেকেই অব্যবহৃত থাকা শিশু একাডেমির বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনটি অনতিবিলম্বে সচল করার জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর ও ডিপিডিসিকে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেন মন্ত্রী। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে একাডেমি ভবনের ছাদে অবিলম্বে আধুনিক সোলার প্যানেল স্থাপনেরও নির্দেশ দেন তিনি। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষার সুযোগ প্রসারে ব্রেইল কর্নারে ব্রেইল বইয়ের সংগ্রহ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে সহায়ক প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে ব্রেইল কর্নারকে আরও শিশুবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার নির্দেশনা দেন তিনি। আগত শিশুদের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে একাডেমির প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক কাজ দ্রুত সম্পন্ন
করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন বলে সভায় জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও জাতীয় আয়োজনকে সামনে রেখে শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং পার্শ্ববর্তী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ সংলগ্ন অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়েও ডিএমপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সমন্বিত নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা, সুনির্দিষ্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং একাডেমির সীমানার বিভিন্ন পয়েন্টে সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। মতবিনিময় সভায় গণপূর্ত অধিদপ্তর ও ডিপিডিসির প্রধান প্রকৌশলীবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক, একাডেমি পরিচালনা বোর্ডের সদস্যবৃন্দ, ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত