কৃষি ও পরিবেশ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় 'মুরাসু' আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করে একটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসরমান এই প্রাকৃতিক দুর্যোগটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান ধরে রেখে ভারতের অন্ধ্র উপকূলের দিকে ধেয়ে চলেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে এটি দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার আবহাওয়া পরিস্থিতি বর্তমানে বেশ বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।
বিশেষ বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি নির্দিষ্ট অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছে এবং এটি উপকূলের দিকে ঘনীভূত হচ্ছে। ভোররাতে রেকর্ড করা অবস্থান অনুযায়ী এটি দেশের বিভিন্ন সমুদ্রবন্দর থেকে বেশ দূরে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এর কেন্দ্রের কাছাকাছি বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ এবং ঝড়ো হাওয়ার তীব্রতা অনেক বেশি রেকর্ড করা হয়েছে। প্রচণ্ড ক্ষিপ্রগতির এই সিস্টেমটির কারণে সাগর অত্যন্ত উত্তাল রয়েছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে দেশের প্রধান চার সমুদ্রবন্দরকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিশেষ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে গভীর সাগরে থাকা সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদে চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জেলে ও ট্রলারচালকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, মুরাসু উত্তর-পশ্চিম দিকে তার গতিপথ অব্যাহত রেখে অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে। আগামী সোমবার রাতের মধ্যেই এটি উপকূলভাগে আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রবল এই ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য আঘাত ও এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে সতর্কতা জারি রাখা হয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে ‘মুরাসু’, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে ‘মুরাসু’, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
কৃষি ও পরিবেশ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় 'মুরাসু' আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করে একটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসরমান এই প্রাকৃতিক দুর্যোগটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান ধরে রেখে ভারতের অন্ধ্র উপকূলের দিকে ধেয়ে চলেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে এটি দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার আবহাওয়া পরিস্থিতি বর্তমানে বেশ বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।বিশেষ বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি নির্দিষ্ট অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছে এবং এটি উপকূলের দিকে ঘনীভূত হচ্ছে। ভোররাতে রেকর্ড করা অবস্থান
অনুযায়ী এটি দেশের বিভিন্ন সমুদ্রবন্দর থেকে বেশ দূরে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এর কেন্দ্রের কাছাকাছি বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ এবং ঝড়ো হাওয়ার তীব্রতা অনেক বেশি রেকর্ড করা হয়েছে। প্রচণ্ড ক্ষিপ্রগতির এই সিস্টেমটির কারণে সাগর অত্যন্ত উত্তাল রয়েছে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে দেশের প্রধান চার সমুদ্রবন্দরকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিশেষ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে গভীর সাগরে থাকা সব ধরনের মাছ
ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদে চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জেলে ও ট্রলারচালকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে।আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, মুরাসু উত্তর-পশ্চিম দিকে তার গতিপথ অব্যাহত রেখে অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে। আগামী সোমবার রাতের মধ্যেই এটি উপকূলভাগে আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রবল এই ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য আঘাত ও এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে সতর্কতা জারি রাখা হয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত