ঠাকুরগাঁওয়ে ঐতিহ্যবাহী ২শ’ বছরের পুরনো এশিয়ার সর্ববৃহৎ আম গাছ ও সমতলের চা বাগান পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।
গতকাল সোমবার বিকেলে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী সীমান্তের আমগাছ ও সীমান্তের নিটলডোবা গ্রামে সমতলের চা বাগান পরিদর্শন করেন। তিনি চা বাগানের শ্রমিকদের সাথে কথা বলেন এবং নিজে শ্রমিক সেজে বাগানে চা এর পাতা তোলেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি করে বলেন, আমি সমতলে চা কখনো দেখিনি। এই প্রথম বাংলাদেশে সমতলে চা চাষ দেখে সীমাহীন খুশি হয়েছি। আরো খুশি হয়েছি এত পুরনো আম গাছ দেখে। আমরা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। এখানকার মানুষ খুবই পরিশ্রমী। তাদের সহযোগিতা করলে তারা দ্রুত উন্নতি করবেন। আমরা সবসময় আপনাদের সাথে থাকবো। ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করেছে।
এ সময় তার সাথে টি স্টেটের মালিক ফয়জুল ইসলাম হিরু, জেলা বিএনপি’র সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন ও বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রদূতের এ সফরকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। এ সময় তিনি স্থানীয় ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থানগুলোর বিষয়ে খোঁজ খবর নেন এবং সুলতান টি ও ঐতিহাসিক আম গাছের গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত হন।
ঠাকুরগাঁওয়ে চা বাগান পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত
ঠাকুরগাঁওয়ে চা বাগান পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত
ঠাকুরগাঁওয়ে ঐতিহ্যবাহী ২শ’ বছরের পুরনো এশিয়ার সর্ববৃহৎ আম গাছ ও সমতলের চা বাগান পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। গতকাল সোমবার বিকেলে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী সীমান্তের আমগাছ ও সীমান্তের নিটলডোবা গ্রামে সমতলের চা বাগান পরিদর্শন করেন। তিনি চা বাগানের শ্রমিকদের সাথে কথা বলেন এবং নিজে শ্রমিক সেজে বাগানে চা এর পাতা তোলেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের
সঙ্গে আলাপকালে তিনি করে বলেন, আমি সমতলে চা কখনো দেখিনি। এই প্রথম বাংলাদেশে সমতলে চা চাষ দেখে সীমাহীন খুশি হয়েছি। আরো খুশি হয়েছি এত পুরনো আম গাছ দেখে। আমরা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। এখানকার মানুষ খুবই পরিশ্রমী। তাদের সহযোগিতা করলে তারা দ্রুত উন্নতি করবেন। আমরা সবসময় আপনাদের সাথে থাকবো। ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ
করেছে। এ সময় তার সাথে টি স্টেটের মালিক ফয়জুল ইসলাম হিরু, জেলা বিএনপি’র সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন ও বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রদূতের এ সফরকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। এ সময় তিনি স্থানীয় ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থানগুলোর বিষয়ে খোঁজ খবর নেন এবং সুলতান টি ও ঐতিহাসিক আম গাছের গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত হন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত