মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বিশ্ব বাণিজ্য ও নৌপথ ঝুঁকিতে পড়ায় রাশিয়া থেকে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত সরাসরি বিকল্প রেলপথ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করছে মস্কো। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান হয়ে ভারত পর্যন্ত একটি নতুন বাণিজ্যিক স্থলপথ গড়ে উঠবে, যা মস্কো ও নতুন দিল্লির সরাসরি পণ্য পরিবহনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে।
সম্প্রতি রুশ বার্তা সংস্থা তাস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী মারাত খুসনুলিন এই বিকল্প বাণিজ্যপথের আভাস দেন।
বসফরাস ও হরমুজ সংকটে বিকল্পের খোঁজ
বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি। বৈশ্বিক মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় ২৫ শতাংশ এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ২০ শতাংশ এই রুট দিয়ে পরিবাহিত হয়। তবে মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাত এবং ইরান কর্তৃক প্রণালিটি বন্ধ করে দেওয়ায় আন্তর্জাতিক নৌপথে চরম অনিশ্চয়তা ও জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে।
রুশ উপপ্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত মহাসাগর পর্যন্ত একটি রেলপথ নির্মাণ করা যায় কি না, তা আমাদের গুরুত্ব দিয়ে ভেবে দেখা উচিত। বসফরাস ও হরমুজ প্রণালিসংক্রান্ত ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির কারণে বিকল্প পথের প্রয়োজন হতে পারে। তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান হয়ে ভারত পর্যন্ত সংযোগ তৈরি করতে পারে—এমন যেকোনো সম্ভাবনাই গ্রহণযোগ্য।
সম্ভাব্য রুট ও ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
প্রস্তাবিত রুটে রাশিয়া থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে দক্ষিণে নেমে তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে ভারত পর্যন্ত পৌঁছানোর একটি ভৌগোলিক সংযোগ তৈরির কথা বলা হয়েছে।
তবে এই বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়নে একাধিক দেশের ভূখণ্ড, অবকাঠামো, জাতীয় নিরাপত্তা ও জটিল আন্তঃদেশীয় রাজনৈতিক সহযোগিতার বিষয়টি জড়িত। উপপ্রধানমন্ত্রী খুসনুলিন এই প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয়, দৈর্ঘ্য বা কাজ শুরুর নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি জানাননি। প্রকল্পটি বর্তমানে প্রাথমিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর্যায়েই রয়েছে।
রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি ও নির্মাণ খাত
আন্তর্জাতিক এই বাণিজ্যিক পরিবহন ব্যবস্থার পাশাপাশি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন খুসনুলিন। তিনি জানান, দেশীয় নির্মাণ খাতকে দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। আগামী পাঁচ বছরের জন্য নির্দিষ্ট অর্থায়ন নিশ্চিত করা গেলে রাশিয়ার পরিবহন ও নির্মাণ খাতের সক্ষমতা আরও কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব হবে।
বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত
বিশ্লেষকদের মতে, প্রস্তাবিত এই রেল করিডোর বাস্তবে রূপ নিলে তা সামুদ্রিক পথের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাবে। ফলে রাশিয়া, ভারত এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পণ্য পরিবহনে সময় ও ঝুঁকি—উভয়ই উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
ভারত-রাশিয়া সরাসরি রেল সংযোগের উদ্যোগ!
ভারত-রাশিয়া সরাসরি রেল সংযোগের উদ্যোগ!
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বিশ্ব বাণিজ্য ও নৌপথ ঝুঁকিতে পড়ায় রাশিয়া থেকে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত সরাসরি বিকল্প রেলপথ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করছে মস্কো। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান হয়ে ভারত পর্যন্ত একটি নতুন বাণিজ্যিক স্থলপথ গড়ে উঠবে, যা মস্কো ও নতুন দিল্লির সরাসরি পণ্য পরিবহনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। সম্প্রতি রুশ বার্তা সংস্থা তাস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী মারাত খুসনুলিন এই বিকল্প বাণিজ্যপথের আভাস দেন। বসফরাস ও হরমুজ সংকটে বিকল্পের খোঁজ বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি। বৈশ্বিক মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় ২৫ শতাংশ এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ২০ শতাংশ এই রুট দিয়ে পরিবাহিত হয়। তবে মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাত এবং ইরান কর্তৃক প্রণালিটি বন্ধ
করে দেওয়ায় আন্তর্জাতিক নৌপথে চরম অনিশ্চয়তা ও জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। রুশ উপপ্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত মহাসাগর পর্যন্ত একটি রেলপথ নির্মাণ করা যায় কি না, তা আমাদের গুরুত্ব দিয়ে ভেবে দেখা উচিত। বসফরাস ও হরমুজ প্রণালিসংক্রান্ত ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির কারণে বিকল্প পথের প্রয়োজন হতে পারে। তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান হয়ে ভারত পর্যন্ত সংযোগ তৈরি করতে পারে—এমন যেকোনো সম্ভাবনাই গ্রহণযোগ্য। সম্ভাব্য রুট ও ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ প্রস্তাবিত রুটে রাশিয়া থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে দক্ষিণে নেমে তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে ভারত পর্যন্ত পৌঁছানোর একটি ভৌগোলিক সংযোগ তৈরির কথা বলা হয়েছে। তবে এই বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়নে একাধিক দেশের ভূখণ্ড, অবকাঠামো, জাতীয় নিরাপত্তা ও জটিল আন্তঃদেশীয় রাজনৈতিক সহযোগিতার বিষয়টি জড়িত। উপপ্রধানমন্ত্রী খুসনুলিন
এই প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয়, দৈর্ঘ্য বা কাজ শুরুর নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি জানাননি। প্রকল্পটি বর্তমানে প্রাথমিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর্যায়েই রয়েছে। রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি ও নির্মাণ খাত আন্তর্জাতিক এই বাণিজ্যিক পরিবহন ব্যবস্থার পাশাপাশি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন খুসনুলিন। তিনি জানান, দেশীয় নির্মাণ খাতকে দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। আগামী পাঁচ বছরের জন্য নির্দিষ্ট অর্থায়ন নিশ্চিত করা গেলে রাশিয়ার পরিবহন ও নির্মাণ খাতের সক্ষমতা আরও কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব হবে। বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত বিশ্লেষকদের মতে, প্রস্তাবিত এই রেল করিডোর বাস্তবে রূপ নিলে তা সামুদ্রিক পথের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাবে। ফলে রাশিয়া, ভারত এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পণ্য পরিবহনে সময় ও ঝুঁকি—উভয়ই উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত