ভ্যাপসা
গরম ও বিদুৎবিভ্রাটে জনজীবন অতিষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বিরূপ প্রভাব পড়েছে কৃষি ও
পোল্ট্রি খামারে। এমন পরিস্থিতিতে গরমে মারা যাচ্ছে খামারের মুরগি। কমতে শুরু
করেছে ডিমের উৎপাদন। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন খামারিরা। এদিকে গরম থেকে খামার রক্ষায়
প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে খামারিদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ
জেলা পল্ট্রি মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, জেলায় লেয়ার মুরগীর খামার ২ হাজার
২০০টি এবং সোনালী বয়লার মিলে প্রায় ৬ হাজার মুরগীর খামার রয়েছে। পোলট্রি খামারিদের
মতে, তাপপ্রবাহের কারণে মুরগি মারা যাচ্ছে। কারণ প্রতিটি খামারের ঘরের চালা টিনের।
আর রোদের তাপ টিনে বেশি লাগে। যে কারণে মুরগির গরমও লাগে বেশি। এই গরমে দিনে পাঁচ
থেকে ছয়বার মুরগির শরীরে পানি ছিটিয়েও কাজ হচ্ছে না। গরমে মুরগি ছটফট করছে।
স্ট্রোক করে মারা যাচ্ছে। মুরগিকে ঠিকমতো খাবার দেওয়া যাচ্ছে না। এতে কমতে শুরু
করেছে ডিমের উৎপাদন।
সরেমজমিনে
গত রবিবার সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল এলাকায় দেখা গেছে, খামারে মুরগি
পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কর্মচারীরা। কেউ মুরগির শরীরে পানি স্প্রে করছেন,
কেউবা ডিম সংগ্রহ করছেন। খামারের ভেতর ঠান্ডা রাখতে চলছে বৈদ্যুতিক ফ্যান। কিন্তু
তাতেও যেন কাজ হচ্ছে না। মুরগিগুলো হাঁসফাঁস করছে গরমে।
খামারের
শ্রমিক সাইদুর জানান, গরম শুরুর পর থেকেই খামারে মুরগির ছটফটানি শুরু হয়েছে।
ফ্যানের বাতাসেও ঘর ঠান্ডা হচ্ছে না। প্রতিদিন কয়েকবার করে মুরগির শরীরে পানি
ছিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এরপরও মুরগি মারা যাচ্ছে। তাদের খামারে দুই হাজার মুরগি
রয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই ৪-৫ টি মুরগি মারা যাচ্ছে।
কান্দাপাড়া
গ্রামের লেয়ার মুরগির খামারের মালিক জাহিদুল ইসলাম বলেন, গরম শুরুর পর থেকে
মুরগিকে ওষুধ ও স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারও
কম দেওয়া হচ্ছে। এতে ডিমের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। গরমে স্ট্রোক করে মুরগি মারা
যাচ্ছে।
জেলা
পল্ট্রি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জানান, তার নিজের খামারে ৩৬
হাজার মুরগী রয়েছে। গরমজনিত রোগ ও হিটষ্ট্রোকে শতকরা এক ভাগ মুরগী মারা যাচ্ছে। এ
ছাড়া ডিমের উৎপাদন কমেছে শতকরা ৫ ভাগ। সব মিলে দৈনিক প্রায় অর্ধ লাখ টাকার ক্ষতির
মুখে পড়তে হচ্ছে। তীব্র গরম ও বিদুৎবিভ্রাটে এ খামার মালিকেরা দিশেহারা হয়ে পরেছে।
এ বিষয়ে
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার এ কে এম আনোয়ারুল হক জানান, খামারের ঘরের
টিনের চালে চটের বস্তা বিছিয়ে পানি ঢালা, মুরগির শরীরে পানি ছিটানো এবং মুরগিকে
স্যালাইনসহ ভিটামিন সি জাতীয় খাবার বেশি দিতে বলা হচ্ছে। অন্যদিকে দুপুরে অতিরিক্ত
গরমের সময় খাবার না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। প্রচণ্ড গরম থেকে খামার রক্ষায়
প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে খামারিদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ভ্যাপসা গরমে মরছে মুরগি
ভ্যাপসা গরমে মরছে মুরগি
ভ্যাপসা গরম ও বিদুৎবিভ্রাটে জনজীবন অতিষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বিরূপ প্রভাব পড়েছে কৃষি ও পোল্ট্রি খামারে। এমন পরিস্থিতিতে গরমে মারা যাচ্ছে খামারের মুরগি। কমতে শুরু করেছে ডিমের উৎপাদন। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন খামারিরা। এদিকে গরম থেকে খামার রক্ষায় প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে খামারিদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।সিরাজগঞ্জ জেলা পল্ট্রি মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, জেলায় লেয়ার মুরগীর খামার ২ হাজার ২০০টি এবং সোনালী বয়লার মিলে প্রায় ৬ হাজার মুরগীর খামার রয়েছে। পোলট্রি খামারিদের মতে, তাপপ্রবাহের কারণে মুরগি মারা যাচ্ছে। কারণ প্রতিটি খামারের ঘরের চালা টিনের। আর রোদের তাপ টিনে বেশি লাগে। যে কারণে মুরগির গরমও লাগে বেশি। এই গরমে দিনে পাঁচ থেকে ছয়বার মুরগির শরীরে পানি ছিটিয়েও কাজ হচ্ছে না। গরমে মুরগি ছটফট করছে। স্ট্রোক করে মারা যাচ্ছে। মুরগিকে ঠিকমতো খাবার দেওয়া যাচ্ছে না। এতে কমতে
শুরু করেছে ডিমের উৎপাদন।সরেমজমিনে গত রবিবার সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল এলাকায় দেখা গেছে, খামারে মুরগি পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কর্মচারীরা। কেউ মুরগির শরীরে পানি স্প্রে করছেন, কেউবা ডিম সংগ্রহ করছেন। খামারের ভেতর ঠান্ডা রাখতে চলছে বৈদ্যুতিক ফ্যান। কিন্তু তাতেও যেন কাজ হচ্ছে না। মুরগিগুলো হাঁসফাঁস করছে গরমে।খামারের শ্রমিক সাইদুর জানান, গরম শুরুর পর থেকেই খামারে মুরগির ছটফটানি শুরু হয়েছে। ফ্যানের বাতাসেও ঘর ঠান্ডা হচ্ছে না। প্রতিদিন কয়েকবার করে মুরগির শরীরে পানি ছিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এরপরও মুরগি মারা যাচ্ছে। তাদের খামারে দুই হাজার মুরগি রয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই ৪-৫ টি মুরগি মারা যাচ্ছে।কান্দাপাড়া গ্রামের লেয়ার মুরগির খামারের মালিক জাহিদুল ইসলাম বলেন, গরম শুরুর পর থেকে মুরগিকে ওষুধ ও স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারও কম দেওয়া হচ্ছে। এতে ডিমের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। গরমে স্ট্রোক করে
মুরগি মারা যাচ্ছে।জেলা পল্ট্রি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জানান, তার নিজের খামারে ৩৬ হাজার মুরগী রয়েছে। গরমজনিত রোগ ও হিটষ্ট্রোকে শতকরা এক ভাগ মুরগী মারা যাচ্ছে। এ ছাড়া ডিমের উৎপাদন কমেছে শতকরা ৫ ভাগ। সব মিলে দৈনিক প্রায় অর্ধ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। তীব্র গরম ও বিদুৎবিভ্রাটে এ খামার মালিকেরা দিশেহারা হয়ে পরেছে। এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার এ কে এম আনোয়ারুল হক জানান, খামারের ঘরের টিনের চালে চটের বস্তা বিছিয়ে পানি ঢালা, মুরগির শরীরে পানি ছিটানো এবং মুরগিকে স্যালাইনসহ ভিটামিন সি জাতীয় খাবার বেশি দিতে বলা হচ্ছে। অন্যদিকে দুপুরে অতিরিক্ত গরমের সময় খাবার না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। প্রচণ্ড গরম থেকে খামার রক্ষায় প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে খামারিদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত