মাহবুবুল আলম রিপন,(স্টাফ রিপোর্টার):
ঢাকার ধামরাইয়ে স্নোটেক্স আউটার ওয়্যার লিমিটেডের ৬ তলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে শিলা নামে এক গার্মেন্ট শ্রমিক আত্মহত্যা করেছে। এঘটনায় গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষের গাফিলতি রয়েছে বলে অভিযোগ শ্রমিক নেতার।
বৃহস্পতিবার সকাল আটটার দিকে ধামরাই ঢুলিভিটা বাসস্ট্যান্ডের পাশে স্নোটেক্স আউটার ওয়্যার লিমিটেডে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। নিহত গার্মেন্ট শ্রমিক বৃষ্টি আক্তার শিলা (২১) রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দরাপের ডাঙ্গা এলাকার মো. বাচ্চু শেখের মেয়ে।
পুলিশ ও কারখানা সূত্রে জানা যায়, স্নোটেক্স গার্মেন্টসের এস এস এল ভবনের ছয়তলা ছাদের উপর থেকে লাফ দিয়ে বৃষ্টি আক্তার নামে এক গার্মেন্টস শ্রমিক গুরুতর আহত হয়। আহত অবস্থায় গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ বৃষ্টি আক্তারকে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে চিকিৎসারত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বাংলাদেশ বস্ত্র ও পোশাক শিল্প শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক মো. রাসেল প্রমানিক বলেন, বৃষ্টি নামের শ্রমিক কেন আত্মহত্যা করেছে, কি কারণে ছাদে আত্মহত্যা করছে বা ছাদ থেকে কেন লাফিয়ে আত্মহত্যা করছে। এটা আসলে তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে। কিন্তু নিরাপত্তা কর্মী কর্তব্যরত থাকলে সে ছাদে উঠে আত্মহত্যা করতে পারতো না। এঘটনায় অবশ্যই কারখানা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি রয়েছে।
এবিষয়ে স্নোটেক্স কারখানার এসিস্টেন্ট ডিরেক্টর (অপারেশন) জয়দুল হোসাইন বলেন আমরা মুমূর্ষু অবস্থায় শিলাকে দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেই এবং চিকিৎসার জন্য এনাম মেডিকেল কলেজে পাঠাই সেখানে এক ঘন্টা চিকিৎসাধীন থাকার পরে তাকে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে, ফুটেজে দেখা যায় মেয়েটি একাই ছাদে গিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ছাদে কিভাবে গেলো এবং ছাদে নিরাপত্তা কর্মী থাকলে সে কিভাবে ছাদ থেকে লাফ দিলো এমন প্রশ্নের উত্তরে জয়দুল হোসাইন বলেন, সে সময় নিরাপত্তা কর্মী ওখানে ছিলো না। নিরাপত্তা কর্মী কি ছাদে কখনও থাকেন না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সবসময়ই ছাদে নিরাপত্তা কর্মী থাকে কিন্তু ওই সময়ে ছিলো না।
ধামরাই থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে একটি ছেলের সঙ্গে ওই নারী শ্রমিকের কথা বলার দৃশ্য দেখা যায়। পরে তিনি ছাদে গিয়ে লাফ দেন। এসব বিষয় পর্যবেক্ষণে তাঁদের ধারণা, প্রেমঘটিত কারণে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।
ছাদ থেকে লাফিয়ে গার্মেন্ট শ্রমিকের আত্মহত্যা
ছাদ থেকে লাফিয়ে গার্মেন্ট শ্রমিকের আত্মহত্যা
মাহবুবুল আলম রিপন,(স্টাফ রিপোর্টার):ঢাকার ধামরাইয়ে স্নোটেক্স আউটার ওয়্যার লিমিটেডের ৬ তলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে শিলা নামে এক গার্মেন্ট শ্রমিক আত্মহত্যা করেছে। এঘটনায় গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষের গাফিলতি রয়েছে বলে অভিযোগ শ্রমিক নেতার।বৃহস্পতিবার সকাল আটটার দিকে ধামরাই ঢুলিভিটা বাসস্ট্যান্ডের পাশে স্নোটেক্স আউটার ওয়্যার লিমিটেডে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। নিহত গার্মেন্ট শ্রমিক বৃষ্টি আক্তার শিলা (২১) রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দরাপের ডাঙ্গা এলাকার মো. বাচ্চু শেখের মেয়ে।পুলিশ ও কারখানা সূত্রে জানা যায়, স্নোটেক্স গার্মেন্টসের এস এস এল ভবনের ছয়তলা ছাদের উপর থেকে লাফ দিয়ে বৃষ্টি আক্তার নামে এক গার্মেন্টস শ্রমিক গুরুতর আহত হয়। আহত অবস্থায় গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ বৃষ্টি আক্তারকে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে
যায়। পরে চিকিৎসারত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।বাংলাদেশ বস্ত্র ও পোশাক শিল্প শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক মো. রাসেল প্রমানিক বলেন, বৃষ্টি নামের শ্রমিক কেন আত্মহত্যা করেছে, কি কারণে ছাদে আত্মহত্যা করছে বা ছাদ থেকে কেন লাফিয়ে আত্মহত্যা করছে। এটা আসলে তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে। কিন্তু নিরাপত্তা কর্মী কর্তব্যরত থাকলে সে ছাদে উঠে আত্মহত্যা করতে পারতো না। এঘটনায় অবশ্যই কারখানা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি রয়েছে।এবিষয়ে স্নোটেক্স কারখানার এসিস্টেন্ট ডিরেক্টর (অপারেশন) জয়দুল হোসাইন বলেন আমরা মুমূর্ষু অবস্থায় শিলাকে দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেই এবং চিকিৎসার জন্য এনাম মেডিকেল কলেজে পাঠাই সেখানে এক ঘন্টা চিকিৎসাধীন থাকার পরে তাকে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে, ফুটেজে
দেখা যায় মেয়েটি একাই ছাদে গিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ছাদে কিভাবে গেলো এবং ছাদে নিরাপত্তা কর্মী থাকলে সে কিভাবে ছাদ থেকে লাফ দিলো এমন প্রশ্নের উত্তরে জয়দুল হোসাইন বলেন, সে সময় নিরাপত্তা কর্মী ওখানে ছিলো না। নিরাপত্তা কর্মী কি ছাদে কখনও থাকেন না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সবসময়ই ছাদে নিরাপত্তা কর্মী থাকে কিন্তু ওই সময়ে ছিলো না।ধামরাই থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে একটি ছেলের সঙ্গে ওই নারী শ্রমিকের কথা বলার দৃশ্য দেখা যায়। পরে তিনি ছাদে গিয়ে লাফ দেন। এসব বিষয় পর্যবেক্ষণে তাঁদের ধারণা, প্রেমঘটিত কারণে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত