বিশ্ব দেখেছে সাধু, আমরা দেখেছি মাফিয়া সিন্ডিকেট’: ড. ইউনূসের ‘ছায়া রাষ্ট্র’, বুদ্ধিবৃত্তিক চুরি ও গুমের হুমকির ভয়ানক দস্তাবেজ ফাঁস!
নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কথিত ‘সাধু’ ইমেজের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক অন্ধকার জগত ও মাফিয়া স্টাইলের ‘ছায়া রাষ্ট্র’ (Shadow State) পরিচালনার লোমহর্ষক তথ্য ফাঁস করেছেন বাংলাদেশের সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও কূটনীতিক আমিনুল হক পলাশ। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নির্বাসিত এই কর্মকর্তা ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘নিউজ১৮’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ইউনূসের বিরুদ্ধে বুদ্ধিবৃত্তিক ডাকাতি, রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটপাট এবং ভিন্নমত দমনে গুম-খুনের হুমকির মতো গুরুতর অভিযোগ এনেছেন।
এক নজরে
১. বুদ্ধিবৃত্তিক চোর ও ‘আইডিয়া’ হাইজ্যাককারী:
ড. ইউনূস মাইক্রোক্রেডিটের উদ্ভাবক নন। তিনি ফোর্ড ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রজেক্ট এবং তরুণ গবেষক (স্বপন আদনান, নাসিরউদ্দিন, লতিফী)-দের আইডিয়া চুরি বা ‘হাইজ্যাক’ করে নিজের নামে চালিয়ে দিয়েছেন। তিনি মূলত অন্যের মেধা চুরি করে নিজেকে ‘জনক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং আসল উদ্ভাবকদের নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলেছেন।
ড. ইউনূস মাইক্রোক্রেডিটের উদ্ভাবক নন। তিনি ফোর্ড ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রজেক্ট এবং তরুণ গবেষক (স্বপন আদনান, নাসিরউদ্দিন, লতিফী)-দের আইডিয়া চুরি বা ‘হাইজ্যাক’ করে নিজের নামে চালিয়ে দিয়েছেন। তিনি মূলত অন্যের মেধা চুরি করে নিজেকে ‘জনক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং আসল উদ্ভাবকদের নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলেছেন।
২. ‘ছায়া রাষ্ট্র’ ও লুটপাটের সিন্ডিকেট:
ইউনূস কেবল একজন ব্যক্তি নন, তিনি একটি দুর্নীতিগ্রস্ত ‘সিস্টেম’। তিনি এমন এক কাঠামো তৈরি করেছিলেন যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কুক্ষিগত করা হয়েছে এবং জনগণের টাকা বা ‘পাবলিক মানি’ কৌশলে ব্যক্তিগত তহবিলে (Private Vehicles) সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখানে জবাবদিহিতার কোনো বালাই ছিল না।
৩. মাফিয়া কায়দায় ‘গুম’ ও হত্যার হুমকি:
ইউনূসের আর্থিক কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির তদন্ত করলেই নেমে আসে মৃত্যুভয়। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ‘নিউট্রালাইজ’ (নিষ্ক্রিয়) বা ‘গুম’ (Disappear) করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। পলাশ দাবি করেন, তার নাম এমন সব ঘরে আলোচিত হচ্ছিল যেখানে মানুষকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
৪. অসাংবিধানিক ক্ষমতা দখল:
ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ‘অসাংবিধানিক’ এবং অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী হিসেবে অভিহিত করেছেন সাবেক এই কর্মকর্তা।
৫. মিথ্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত ‘গ্লোবাল হিরো’:
বিশ্ববাসী তাকে ‘হিরো’ বা সাধু হিসেবে জানলেও, দেশের নিরাপত্তা সংস্থার ভেতরের লোকেরা তাকে দেখেছেন এক ভয়ঙ্কর ‘ক্ষমতালোভী’ হিসেবে। তার পুরো অর্জনই মূলত মিডিয়া ম্যানিপুলেশন এবং মিথ্যার ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
৬. আন্তর্জাতিক অডিটে ভীতি:
ইউনূসের সততা নিয়ে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, যদি তিনি সৎ হন, তবে তার সকল প্রতিষ্ঠান ও অর্থের উৎসের ওপর ‘আন্তর্জাতিক ফরেনসিক অডিট’ করা হোক। কিন্তু তিনি তা করবেন না, কারণ তার ‘মিথ’ ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে।
বিস্তারিত সংবাদ....
সাবেক কূটনীতিক আমিনুল হক পলাশ বলেন, “আমি কখনোই ভাবিনি আমাকে অন্য দেশে বসে আমার নিজের দেশের প্রতিষ্ঠানের পতনের গল্প শোনাতে হবে। কিন্তু ড. ইউনূসের ‘ফিনান্সিয়াল আর্টারি’ বা আর্থিক নালীতে হাত দেওয়ার পরই আমার জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ে। আমাকে ভারত থেকে প্রত্যাহার করা ছিল মূলত একটি ‘ডেথ সেন্টেন্স’ বা মৃত্যু পরোয়ানার মতো। দেশে ফিরলেই আমাকে গুম করা হতো।”
জোবরা গ্রামের গ্রামীণ ঋণ প্রকল্প নিয়ে পলাশ বলেন, “এটি ছিল নির্লজ্জ বুদ্ধিবৃত্তিক ডাকাতি। ড. ইউনূস তখন অন্য বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন, কিন্তু তিনি পুরো কৃতিত্ব নিজের পকেটে ভরেছেন। তার দুর্নীতির শুরু টাকা দিয়ে নয়, মেধা চুরি দিয়ে।”
তিনি আরও বলেন, “বিশ্বের দেখা উচিত মিথ বা গল্পের আড়ালে আসলে কী ঘটছে। ড. ইউনূস যে ‘স্ট্রাকচার’ বানিয়েছেন, তা দেশের মানুষের রক্ত চুষে খাওয়ার এবং বিচারের ঊর্ধ্বে থাকার এক নিখুঁত মাফিয়া ব্যবস্থা।”