নাঈম হোসাইন ,দশমিনা,পটুয়াখালী প্রতিনিধি :
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় দক্ষিন আরজবেগী দাখিল মাদ্রাসার সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে সুপার আটকের ঘটনা ঘটে।
ব্যাংক সুত্রে জানা যায় উপজেলার দক্ষিন আরজবেগী দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোশারেফ হোসেন মঙ্গল বার সকাল ১১ঘটিকায় আগ্রনী বাংক দশমিনা শাখায় ৪৩ হাজার টাকা উত্তোলনের জন্য একটি চেক দেন। ব্যবস্থাপক চেকের স্বাক্ষর জাচাই বাচাই করে দেখেন ঐ মাদ্রাসার সভাপতির স্বাক্ষর মিলছেনা । তখন সুপারকে জিঞ্জাসা করলে তিনি বলেন এ স্বাক্ষর সভাপতির । সভাপতিকে জিঞ্জাসা করলে তিনি অস্বীকার করেন। পরে দশমিনা থানাকে অবহতি করলে থানা পুলিশ মাওলানা মোশারেফ সুপার কে থানা হেফাযতে নিয়ে যায়।
দশমিনা শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ ইমাম হোসেন বলেন আমি ১লা আক্টেবর যোগদান করি সকলের সাথে আমার পরিচয় হয়ে ওঠেনি। সকালে দক্ষিন আরজবেগী দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোশারেফ হোসেন ৪৩ হাজার টাকার চেক দিলে আমি স্বাক্ষর জাচাই করে দেখি সভাপতির স্বাক্ষর জাল। দশমিনা থানায় অবহিত করলে থানা পুলিশ এসে নিয়ে য়ায়। মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, সুপার এর আগেও আমাদের টিউশন ফি, এমপি মহোদয়ের মাদ্রাসা উন্নয়নের টাকা সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে উত্তোলন করে আত্নসাধ করেন। আমরা এ দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করছে।
দক্ষিন আরজবেগী দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন মুঠোফোনে জানান সুপার মাওলানা মোশারফ হোসেন দীর্ঘদিন এমন কাজ করে আসছে আমাকে না বলে মাদ্রাসার সাধারন তহবিলে থাকা টাকা আত্নসাধ কারার জন্য এভাবে ১৫-১৬ টি চেক আমার স্বাক্ষরজাল করে টাকা আত্নসাধ করেন। আজ ব্যবস্থাপক আগ্রনী ব্যাংক দশমিনা শাখা আমাকে ফোন করে বিষয়টি জানান। তিনি দশমিনা থানা হেফাজতে আছেন। কমিটির সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন,আগ্রনী ব্যাংক দশমিনা উপজেলা শাখার ব্যবস্থাপক দুপুর ১ টায় ফোন করে বিষয়টি জানান। থানার উপ-পুলিশ পরদির্শক (এসআই) মনির হোসেনকে পাঠিয়ে দক্ষিন আরজবেগী দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোশারেফ হোসেনকে চেক সহ থানা হেফাজতে আনা হয়। পরবর্তী আইনী কার্যক্রম চলোমান আছে।
দশমিনায় সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের সময় সুপার আটক
দশমিনায় সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের সময় সুপার আটক
নাঈম হোসাইন ,দশমিনা,পটুয়াখালী প্রতিনিধি :পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় দক্ষিন আরজবেগী দাখিল মাদ্রাসার সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে সুপার আটকের ঘটনা ঘটে। ব্যাংক সুত্রে জানা যায় উপজেলার দক্ষিন আরজবেগী দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোশারেফ হোসেন মঙ্গল বার সকাল ১১ঘটিকায় আগ্রনী বাংক দশমিনা শাখায় ৪৩ হাজার টাকা উত্তোলনের জন্য একটি চেক দেন। ব্যবস্থাপক চেকের স্বাক্ষর জাচাই বাচাই করে দেখেন ঐ মাদ্রাসার সভাপতির স্বাক্ষর মিলছেনা । তখন সুপারকে জিঞ্জাসা করলে তিনি বলেন এ স্বাক্ষর সভাপতির । সভাপতিকে জিঞ্জাসা করলে তিনি অস্বীকার করেন। পরে দশমিনা থানাকে অবহতি করলে থানা পুলিশ মাওলানা মোশারেফ সুপার কে থানা হেফাযতে নিয়ে যায়। দশমিনা
শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ ইমাম হোসেন বলেন আমি ১লা আক্টেবর যোগদান করি সকলের সাথে আমার পরিচয় হয়ে ওঠেনি। সকালে দক্ষিন আরজবেগী দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোশারেফ হোসেন ৪৩ হাজার টাকার চেক দিলে আমি স্বাক্ষর জাচাই করে দেখি সভাপতির স্বাক্ষর জাল। দশমিনা থানায় অবহিত করলে থানা পুলিশ এসে নিয়ে য়ায়। মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, সুপার এর আগেও আমাদের টিউশন ফি, এমপি মহোদয়ের মাদ্রাসা উন্নয়নের টাকা সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে উত্তোলন করে আত্নসাধ করেন। আমরা এ দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করছে। দক্ষিন আরজবেগী দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন মুঠোফোনে জানান সুপার মাওলানা মোশারফ হোসেন দীর্ঘদিন
এমন কাজ করে আসছে আমাকে না বলে মাদ্রাসার সাধারন তহবিলে থাকা টাকা আত্নসাধ কারার জন্য এভাবে ১৫-১৬ টি চেক আমার স্বাক্ষরজাল করে টাকা আত্নসাধ করেন। আজ ব্যবস্থাপক আগ্রনী ব্যাংক দশমিনা শাখা আমাকে ফোন করে বিষয়টি জানান। তিনি দশমিনা থানা হেফাজতে আছেন। কমিটির সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহন করবো। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন,আগ্রনী ব্যাংক দশমিনা উপজেলা শাখার ব্যবস্থাপক দুপুর ১ টায় ফোন করে বিষয়টি জানান। থানার উপ-পুলিশ পরদির্শক (এসআই) মনির হোসেনকে পাঠিয়ে দক্ষিন আরজবেগী দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোশারেফ হোসেনকে চেক সহ থানা হেফাজতে আনা হয়। পরবর্তী আইনী কার্যক্রম চলোমান আছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত