একজন আলেমেদ্বীন, যিনি হাজার হাজার মানুষের ইমাম। যিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও জুমার নামাযে ইমামতি করেন। প্রতি জমুয়ার নামাযে মানুষকে দ্বীন ইসলামের বাণী শোনায়ে থাকেন। সেই ইমাম সাহেব জেলে বন্দী। এখনো জেলখানার অন্ধকার প্রকাষ্ঠে নির্যাতিত- নিপীড়িত অবস্থায় রয়েছে।
কেউ কী নেই তাকে মুক্ত করার? তারমত ২৭ জন মানুষ এখনও কারাগারে অন্তরীণ। প্রায় ৪ মাস হয়ে গেল। আজো কেউ তাদের জামিন পেল না। বড় দু:খজনক।
রাজবাড়ির গোয়ালন্দের সেই ঘটনা। ওইসকল আলেম- উলামা ও সাধারণ জনতা বড় প্রশান্ত হৃদয় নিয়ে বাতিলের প্রতিবাদ করতে গিয়েছিল। কিন্তু মাঝখানে নিরীহ কিছু মানুষ জুলুমের শিকার হল। যারা বন্দী হয়েছে, তারা তো নির্দোষ। বিশেষ করে আলেম- উলামাগণ তো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। তারপরেও আলেমদের দোষারোপ করে জেলে বন্দী করা হয়েছে।
বর্তমান বন্দী আলেম- উলামা ও সাধারণ দ্বীনদার ভাইদের পরিবারের করুণ অবস্হা চলছে। মানবেতর জীবনযাপন করছে তারা। খুবই কস্টের মধ্যে তারা রয়েছে। খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছে ।কেননা পরিবারের উপার্জনাক্ষম ব্যক্তি চার মাস যাবত জেলখানায় বন্দী। কীভাবে চলবে তাদের পরিবার? ছোট ছোট বাচ্চারা কত কস্টে আছে, সেটা দেখলে সহ্য করা যায় না।
এজন্য বন্দী আলেম- উলামাদের মুক্তি চাই। কত ডেঞ্জারাস মামলায় আসামীরা জামিন পেয়ে যাচ্ছে, আর দ্বীন- ইসলামের স্বার্থ রক্ষার্থে যারা জেলে গেছে তাদের কী জামিন হবে না? তারা কী মুক্তি পাবে না?
এদেশের কেউ কী রাজবাড়ির আলেমদের সাহায্যে এগিয়ে আসবে না? বিশেষ করে দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম- উলামা যারা আছেন, তারা বন্দী আলেমদের ব্যাপারে চেস্টা করেন। খুব তাড়াতাড়ি আলেমদের মামলা থেকে অব্যহতি দিয়ে মুক্ত করা হোক। সেই দাবী আমাদের।
একজন আলেম কতদিন জেলে থাকবে?
একজন আলেম কতদিন জেলে থাকবে?
একজন আলেমেদ্বীন, যিনি হাজার হাজার মানুষের ইমাম। যিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও জুমার নামাযে ইমামতি করেন। প্রতি জমুয়ার নামাযে মানুষকে দ্বীন ইসলামের বাণী শোনায়ে থাকেন। সেই ইমাম সাহেব জেলে বন্দী। এখনো জেলখানার অন্ধকার প্রকাষ্ঠে নির্যাতিত- নিপীড়িত অবস্থায় রয়েছে।কেউ কী নেই তাকে মুক্ত করার? তারমত ২৭ জন মানুষ এখনও কারাগারে অন্তরীণ। প্রায় ৪ মাস হয়ে গেল। আজো কেউ তাদের জামিন পেল না। বড় দু:খজনক। রাজবাড়ির গোয়ালন্দের সেই ঘটনা। ওইসকল আলেম- উলামা ও সাধারণ জনতা বড় প্রশান্ত হৃদয় নিয়ে বাতিলের
প্রতিবাদ করতে গিয়েছিল। কিন্তু মাঝখানে নিরীহ কিছু মানুষ জুলুমের শিকার হল। যারা বন্দী হয়েছে, তারা তো নির্দোষ। বিশেষ করে আলেম- উলামাগণ তো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। তারপরেও আলেমদের দোষারোপ করে জেলে বন্দী করা হয়েছে।বর্তমান বন্দী আলেম- উলামা ও সাধারণ দ্বীনদার ভাইদের পরিবারের করুণ অবস্হা চলছে। মানবেতর জীবনযাপন করছে তারা। খুবই কস্টের মধ্যে তারা রয়েছে। খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছে ।কেননা পরিবারের উপার্জনাক্ষম ব্যক্তি চার মাস যাবত জেলখানায় বন্দী। কীভাবে চলবে তাদের পরিবার? ছোট ছোট বাচ্চারা কত
কস্টে আছে, সেটা দেখলে সহ্য করা যায় না।এজন্য বন্দী আলেম- উলামাদের মুক্তি চাই। কত ডেঞ্জারাস মামলায় আসামীরা জামিন পেয়ে যাচ্ছে, আর দ্বীন- ইসলামের স্বার্থ রক্ষার্থে যারা জেলে গেছে তাদের কী জামিন হবে না? তারা কী মুক্তি পাবে না? এদেশের কেউ কী রাজবাড়ির আলেমদের সাহায্যে এগিয়ে আসবে না? বিশেষ করে দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম- উলামা যারা আছেন, তারা বন্দী আলেমদের ব্যাপারে চেস্টা করেন। খুব তাড়াতাড়ি আলেমদের মামলা থেকে অব্যহতি দিয়ে মুক্ত করা হোক। সেই দাবী আমাদের।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত