সাহাদাত সায়মন :মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার
মেঘনা নদীতে গত এক সপ্তাহে প্রায় কয়েক টন দেশি চেউয়া মাছ ও পোনাসহ ছোট বিভিন্ন
প্রজাতির মাছ মরে ভেসে উঠছে। এতে পচা মাছের দুর্গন্ধে নদীর পাড়ের লোকজনের গোসলসহ
দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটছে।
স্থানীয়
মৎস্য বিভাগের দাবি,
আশপাশের শিল্পকারখানাগুলো নদীর পানিতে বর্জ্য ফেলছে। এছাড়া স্থানীয়
লোকজনও হাটবাজার ও বাসাবাড়ির আবর্জনা নদীতে ফেলছেন। এতে পানি দূষিত হয়ে এ অবস্থার
সৃষ্টি হয়েছে।
মেঘনা
নদীর পাশের ফুলদি নদী এলাকায় দেখা যায় পানিতে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পানি নষ্ট হয়ে
কালো রং ধারণ করেছে।
পরিতোষ
নামের এক জেলে জানান,
শিল্পাঞ্চলের কারখানার পরিত্যক্ত বর্জ্য নদীতে ফেলা হয়। বর্জ্যের
পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পানি কালো রং ধারণ করেছে।
বিষাক্ত পানিতে টিকতে না পেরে মাছ মরে ভেসে উঠছে।
সুমন
সরকার, ইমাম হোসেন, সামশুল আলম , সুভাষসহ
একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, কারখানার দূষিত বর্জ্য ফেলার
কারণে গজারিয়া উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রায় সব নদীতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ
ব্যাপক হারে মারা যাচ্ছে। গত কয়েক দিন ধরে শতশত লোকজন মৃত মাছ সংগ্রহ করে নিয়ে
যাচ্ছেন।
গজারিয়া
শিল্পাঞ্চলের কারখানার পরিত্যক্ত বর্জ্য নদীতে ফেলার কারণে মেঘনা নদীতে এরকম
মাঝেমধ্যে হয়। সেই বর্জ্যের কেমিক্যালের প্রভাব এখানের নদীর মাছের উপর পড়ে। গত
কয়েক দিনের বৃষ্টির পানির স্রোতে বর্জ্যযুক্ত পানি বেশি আসার কারণে মাছগুলো হয়ত
মারা গেছে। তবে মাছ মরার পরিমাণ এবার একটু বেশী, মাছের জন্য উপযুক্ত বিশেষ করে
অক্সিজেন, পিএইচ ও অ্যামোনিয়া উপাদান স্বাভাবিক আছে। কোন কারণে মাছগুলো মারা গেছে
বিষয়টি বুঝা যাচ্ছে না।
গজারিয়ায় কারখানার বর্জ্য, মরে ভেসে উঠছে মাছ
গজারিয়ায় কারখানার বর্জ্য, মরে ভেসে উঠছে মাছ
সাহাদাত সায়মন :মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার মেঘনা নদীতে গত এক সপ্তাহে প্রায় কয়েক টন দেশি চেউয়া মাছ ও পোনাসহ ছোট বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেসে উঠছে। এতে পচা মাছের দুর্গন্ধে নদীর পাড়ের লোকজনের গোসলসহ দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটছে।স্থানীয় মৎস্য বিভাগের দাবি, আশপাশের শিল্পকারখানাগুলো নদীর পানিতে বর্জ্য ফেলছে। এছাড়া স্থানীয় লোকজনও হাটবাজার ও বাসাবাড়ির আবর্জনা নদীতে ফেলছেন। এতে পানি দূষিত হয়ে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।মেঘনা নদীর পাশের ফুলদি নদী এলাকায় দেখা যায় পানিতে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পানি নষ্ট
হয়ে কালো রং ধারণ করেছে।পরিতোষ নামের এক জেলে জানান, শিল্পাঞ্চলের কারখানার পরিত্যক্ত বর্জ্য নদীতে ফেলা হয়। বর্জ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পানি কালো রং ধারণ করেছে। বিষাক্ত পানিতে টিকতে না পেরে মাছ মরে ভেসে উঠছে।সুমন সরকার, ইমাম হোসেন, সামশুল আলম , সুভাষসহ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, কারখানার দূষিত বর্জ্য ফেলার কারণে গজারিয়া উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রায় সব নদীতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ব্যাপক হারে মারা যাচ্ছে। গত কয়েক দিন ধরে শতশত
লোকজন মৃত মাছ সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন। গজারিয়া শিল্পাঞ্চলের কারখানার পরিত্যক্ত বর্জ্য নদীতে ফেলার কারণে মেঘনা নদীতে এরকম মাঝেমধ্যে হয়। সেই বর্জ্যের কেমিক্যালের প্রভাব এখানের নদীর মাছের উপর পড়ে। গত কয়েক দিনের বৃষ্টির পানির স্রোতে বর্জ্যযুক্ত পানি বেশি আসার কারণে মাছগুলো হয়ত মারা গেছে। তবে মাছ মরার পরিমাণ এবার একটু বেশী, মাছের জন্য উপযুক্ত বিশেষ করে অক্সিজেন, পিএইচ ও অ্যামোনিয়া উপাদান স্বাভাবিক আছে। কোন কারণে মাছগুলো মারা গেছে বিষয়টি বুঝা যাচ্ছে না।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত