শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
মতামত জাহেল তবলীগ ও জাহেল জামাত - শিবির একই পর্যায়ে

জাহেল তবলীগ ও জাহেল জামাত - শিবির একই পর্যায়ে

আমিনুল ইসলাম কাসেমী, শিক্ষক ও কলামিস্ট :

তাবলীগ জামাতের মধ্যে কিছু জাহেল মূর্খ লোক থাকে। ওরা তাবলীগ ছাড়া আর কিছু বোঝেনা। বরং কুরআন - সুন্নাহ এর অপব্যখ্যা দিয়ে  সারা জীবন শুধু তাবলীগ করে যায়।  মুলত: ওরা নামে তাবলীগ করে, আসলে তারা তাবলীগের কেউ নয়।

জাহেল কিছু তাবলীগওয়ালা এমন রয়েছে, দীর্ঘ ৫০/৬০ ষাট বছর ধরে তাবলীগ করে যাচ্ছে, বছরের পর বছর চিল্লা লাগাচ্ছে,   কিন্তু আজো তাদের কুরআন পড়া সহী হয়নি। এখনো তাদের  ইমামতি করার যোগ্যতা হাসিল হয়নি। আবার ওই সকল জাহেল তাবলীগওয়ালাদের ধ্যান- ধারনা ও  চরিত্র বিধর্মীদের মত। তাদের ক্রিয়া- কর্ম এবং বন্ধুত্ব বিধর্মীদের সাথে। আবার কিছু লোক তো আলেম বিদ্বেষী।  মোটকথা,  নামে তাবলীওয়ালা হলেও ওরা আদর্শ বিবর্জিত এক গোষ্ঠী। 

তেমনি কিছু জাহেল জামাত- শিবির রয়েছে। ওরাও যুগ যুগ ধরে ইসলামী সংগঠন করে আসছে। ইসলামী দল করতে করতে একেবারে দলের শীর্ষ পর্যায়ে চলে যাচ্ছেন। এমনকি হাজার হাজার কর্মির নেতৃত্ব তিনি দেন। অথচ আজো তারা কুরআন হাদীসে বড্ড মূর্খ। অধিকাংশ নেতা- কর্মির কুরআন পড়া শুদ্ধ নয়।  তাছাড়া অনেকেরই ধ্যান- ধারণা সেই বিধর্মীদের মত। চাল- চলন এখনো সেই বিধর্মীদের স্টাইলে।

দেখুন! আজ যদি  জামাত - শিবির ক্ষমতায় আসে, তাহলে তারা তো ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্টা করবেন। ইসলামী রাষ্ট্র গড়ে তুলবেন।  আর দেশ ও জাতির নেতৃত্ব তারাই দিবেন।  তাহলে ইসলামে যারা কাঁচা, যারা ইসলামের  প্রাথমিক বিষয়গুলো এখনো রপ্ত করতে পারেন নি, তাহলে তারা কীভাবে ইসলামী রাষ্ট্র গঠন করবেন? 

দল ক্ষমতায় গেলে দেশের প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই তারা হবেন, তাহলে জাতীয় মসজিদ, জাতীয় ঈদগাহ, এভাবে সময়ের বিবর্তনে তাদের ইমামতিতে আসা প্রয়োজন হবে। তাহলে যাদের কুরআন সহী নেই, যাদের ধ্যান- ধারণা শুদ্ধ নয়, তারা কীভাবে জাতির নেতৃত্ব দিবেন? 

ড: আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর ( রহ:) একবার বলেছিলেন, আপনারা ইসলামী সমাজ প্রতিষ্টা করতে চান, অথচ এ সমাজের অধিকাংশ মানুষ কুরআন পড়তে পারেনা। তাহলে যে সমাজের অধিকাংশ মানুষ কুরআন পড়তে পারেনা,  সেখানে ইসলামী সমাজ কীভাবে কায়েম হবে? 

তাই তো আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর সাহেব মানুষকে কুরআন শেখানোর ব্যাপারে জোর দিতে বলেছিলেন।

এজন্য জামাতে ইসলামী এর নেতৃ্বৃন্দের প্রতি আহবান থাকবে, আপনাদের কর্মিগণ প্রচুর সময় দিয়ে থাকে। যেহেতু জামাত - শিবির ক্যাডারভিত্তিক সংগঠন। ব্যাপক পড়াশুনা করার পরে একজন মানুষ জামাত এর নেতৃত্বে আসতে পারে, সুতরাং আপনারা যদি নেতা- কর্মিদের  কুরআন সহীশুদ্ধ করার ব্যাপারে জোর দেন, তাহলে আপনাদের সংগঠন আরো মজবুত হবে বলে আশাকরি।

আল্লাহ তায়ালা সকলকে সহী বুঝ দান করেন। আমিন।

খুঁজুন