নিজস্ব সংবাদদাতা, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম সুরক্ষায় আগামীকাল বুধবার মধ্যরাত থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এইসময় সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, বাজারজাত ও ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই আইন অমান্যকারীকে কমপক্ষে ১ থেকে সর্বোচ্চ ২ বছরের সশ্রম কারাদÐ কিংবা জরিমানাসহ উভয় দণ্ড দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞাকালীন বেকার ও কর্মহীন দিন কাটবে উপকূলীয় পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত অন্তত ২০ হাজার জেলের। মাছ ধরা বন্ধ হলে কীভাবে তাদের সংসার চলবে, এ নিয়েই দুশ্চিন্তায় তারা।
জেলেরা বলছেন, অনিবন্ধিত অসংখ্য জেলে রয়েছে। যারা নিষেধাজ্ঞাকালীন সরকারের সহায়তাটুকুও পাচ্ছেন না। এছাড়া নিবন্ধিত সব জেলেও সহায়তার আওতায় আসছে না।
আর মৎস্য বিভাগ বলছে, এ উপজেলায় নিবন্ধিত জেলে সংখ্যা মোট ১৬ হাজার ৮১৭জন। এরমধ্যে এই নিষেধাজ্ঞায় ১১ হাজার ৬৬৬ জন জেলে সরকারি সহায়তা পাবেন। তাদের প্রত্যেকে ভিজিএফ সহায়তার আওতায় ২৫ কেজি করে চাল দেওয়া হবে। যা দিয়ে সংসার চলানো সম্ভব নয়; বলছেন জেলেরা।
এদিকে, সরকারের এই সহায়তার বাহিরে থাকছে নিবন্ধিত ৫ হাজার ১৫১ জন এবং অনিবন্ধিত আরও ৩ থেকে ৪ হাজার জেলে। নিষেধাজ্ঞাকালীন তাদের দিন কাটবে চরম কষ্টে। ধারদেনায় হবেন জর্জরিতÑএমনটাই বলছেন জেলেরা।
কাল মধ্যরাত থেকে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা
কাল মধ্যরাত থেকে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা
নিজস্ব সংবাদদাতা, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম সুরক্ষায় আগামীকাল বুধবার মধ্যরাত থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এইসময় সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, বাজারজাত ও ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই আইন অমান্যকারীকে কমপক্ষে ১ থেকে সর্বোচ্চ ২ বছরের সশ্রম কারাদÐ কিংবা জরিমানাসহ উভয় দণ্ড দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে। এদিকে নিষেধাজ্ঞাকালীন বেকার ও কর্মহীন দিন
কাটবে উপকূলীয় পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত অন্তত ২০ হাজার জেলের। মাছ ধরা বন্ধ হলে কীভাবে তাদের সংসার চলবে, এ নিয়েই দুশ্চিন্তায় তারা। জেলেরা বলছেন, অনিবন্ধিত অসংখ্য জেলে রয়েছে। যারা নিষেধাজ্ঞাকালীন সরকারের সহায়তাটুকুও পাচ্ছেন না। এছাড়া নিবন্ধিত সব জেলেও সহায়তার আওতায় আসছে না। আর মৎস্য বিভাগ বলছে, এ উপজেলায় নিবন্ধিত জেলে সংখ্যা মোট ১৬ হাজার ৮১৭জন। এরমধ্যে এই নিষেধাজ্ঞায়
১১ হাজার ৬৬৬ জন জেলে সরকারি সহায়তা পাবেন। তাদের প্রত্যেকে ভিজিএফ সহায়তার আওতায় ২৫ কেজি করে চাল দেওয়া হবে। যা দিয়ে সংসার চলানো সম্ভব নয়; বলছেন জেলেরা। এদিকে, সরকারের এই সহায়তার বাহিরে থাকছে নিবন্ধিত ৫ হাজার ১৫১ জন এবং অনিবন্ধিত আরও ৩ থেকে ৪ হাজার জেলে। নিষেধাজ্ঞাকালীন তাদের দিন কাটবে চরম কষ্টে। ধারদেনায় হবেন জর্জরিতÑএমনটাই বলছেন জেলেরা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত