নিজস্ব প্রতিবেদক :
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ওয়ার্কশপের মালিক মেরাজুল ইসলামকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় আহত ওয়ার্কশপ শ্রমিক আল আমীনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার রাতে এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ আব্দুর রব নামের এক যুবককে আটক করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনরা জানান, নিহত মেরাজুল ইসলাম- আয়মান ইন্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক ও একই ঘটনায় গুরুতর জখম আল আমিন ওই ওয়ার্কশপের শ্রমিক। সোমবার রাতে মুখে কাপড় বাঁধা ১০/১২ জন যুবক অতর্কীত হামলা করে মেঘরাজ ও আল-আমীনকে ধারালো অস্ত্রদিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাদের দুইজনকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদেরকে ঢাকা ম্যাডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে নেয়া হলে মেরাজুলকে মৃত ঘোষনা করেন চিকিৎসক।
মেরাজ নিহত হওয়ার খবরে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত এলাকাবাসী কয়েকটি বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু বকর সিদ্দিক জানান, নিহত মেরাজুল ইসলাম ছালেহনগর এলাকার আজহারুল ইসলাম এজা মিয়ার ছেলে। আহত আল আমিন রুপালী আবাসিক এলাকার জাভেদ মিয়ার ছেলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আব্দুর রব নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।
নারায়ণগঞ্জের বন্দর প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা
নারায়ণগঞ্জের বন্দর প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা
নিজস্ব প্রতিবেদক :নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ওয়ার্কশপের মালিক মেরাজুল ইসলামকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় আহত ওয়ার্কশপ শ্রমিক আল আমীনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার রাতে এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ আব্দুর রব নামের এক যুবককে আটক করেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনরা জানান, নিহত মেরাজুল ইসলাম- আয়মান ইন্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক ও একই ঘটনায় গুরুতর জখম আল
আমিন ওই ওয়ার্কশপের শ্রমিক। সোমবার রাতে মুখে কাপড় বাঁধা ১০/১২ জন যুবক অতর্কীত হামলা করে মেঘরাজ ও আল-আমীনকে ধারালো অস্ত্রদিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাদের দুইজনকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদেরকে ঢাকা ম্যাডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে নেয়া হলে মেরাজুলকে মৃত ঘোষনা করেন চিকিৎসক। মেরাজ নিহত হওয়ার খবরে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত এলাকাবাসী কয়েকটি বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
আনে।বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু বকর সিদ্দিক জানান, নিহত মেরাজুল ইসলাম ছালেহনগর এলাকার আজহারুল ইসলাম এজা মিয়ার ছেলে। আহত আল আমিন রুপালী আবাসিক এলাকার জাভেদ মিয়ার ছেলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আব্দুর রব নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত