জেলা প্রতিনিধি (নেত্রকোনা) :
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় চাঞ্চল্যকর কাঠমিস্ত্রি রমজান হত্যা মামলার প্রধান আসামি মাহমুদুল হাসানকে (২২) গ্রেফতার করেছে র্যাব ১৪।
শনিবার (১ এপ্রিল) ভোররাতে নরসিংদী জেলা সদরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব—১৪, ময়মনসিংহের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (অপারেশন ও মিডিয়া অফিসার) মো আনোয়ার হোসেনের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য।
গ্রেফতারকৃত মাহমুদুল কেন্দুয়া উপজেলার হারাবকান্দি গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, কেন্দুয়া উপজেলার হারাবকান্দি গ্রামের কাঠমিস্ত্রি রমাজান মিয়ার (৩০) একটি স্যালো মেশিন মাহামুদুল হাসান তিন বছর ভাড়ায় চালিয়ে তেলের ট্যাংক ছাড়াই ফেরত দেয়। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে তর্ক—বিতর্ক বাধে এবং ঝগড়ার সৃষ্টি হয়।
পরে স্থানীয়রা বিরোধ মিটাতে গত ২৬ মার্চ বিকালে একতা বাজারে দরবারে বসেন।
কিন্তু দরবারের সিদ্ধান্তকে মেনে না নিয়ে উত্তেজিত হয়ে মাহমুদুল হাসান ধারালো কিরিচ দিয়ে রমজানকে জখম করে।
পরবতীর্তে দ্বিতীয় দফায় লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালালে রমজান গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা আহত রমজানকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে কর্তব্যরত ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন।
পরদিন ২৭ মার্চ রমাজান চিকিৎসাধীন অবস্থায় ময়মনসিংহে মারা যায়।
এ ঘটনায় ৩১ মার্চ রমজানের মা মিনা আক্তার বাদী হয়ে কেন্দ্রয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের চৌকস দল নরসিংদী জেলার সদর থানাধীন দাসপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার মূলহোতা মাহমুদুল হাসানকে গ্রেফতার করে।
র্যাব আরও জানায় গ্রেফতারকৃত আসামী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বর্ণিত ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে কেন্দুয়া থানায় ধৃত মাহমুদুলকে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান র্যাবের এই উর্ধতন কর্মকর্তা।
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার
জেলা প্রতিনিধি (নেত্রকোনা) :নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় চাঞ্চল্যকর কাঠমিস্ত্রি রমজান হত্যা মামলার প্রধান আসামি মাহমুদুল হাসানকে (২২) গ্রেফতার করেছে র্যাব ১৪।শনিবার (১ এপ্রিল) ভোররাতে নরসিংদী জেলা সদরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।র্যাব—১৪, ময়মনসিংহের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (অপারেশন ও মিডিয়া অফিসার) মো আনোয়ার হোসেনের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য। গ্রেফতারকৃত মাহমুদুল কেন্দুয়া উপজেলার হারাবকান্দি গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে। বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, কেন্দুয়া উপজেলার হারাবকান্দি গ্রামের কাঠমিস্ত্রি রমাজান মিয়ার (৩০) একটি স্যালো মেশিন মাহামুদুল হাসান তিন বছর ভাড়ায়
চালিয়ে তেলের ট্যাংক ছাড়াই ফেরত দেয়। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে তর্ক—বিতর্ক বাধে এবং ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়রা বিরোধ মিটাতে গত ২৬ মার্চ বিকালে একতা বাজারে দরবারে বসেন। কিন্তু দরবারের সিদ্ধান্তকে মেনে না নিয়ে উত্তেজিত হয়ে মাহমুদুল হাসান ধারালো কিরিচ দিয়ে রমজানকে জখম করে।পরবতীর্তে দ্বিতীয় দফায় লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালালে রমজান গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা আহত রমজানকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে কর্তব্যরত ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন। পরদিন ২৭ মার্চ রমাজান চিকিৎসাধীন
অবস্থায় ময়মনসিংহে মারা যায়।এ ঘটনায় ৩১ মার্চ রমজানের মা মিনা আক্তার বাদী হয়ে কেন্দ্রয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের চৌকস দল নরসিংদী জেলার সদর থানাধীন দাসপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার মূলহোতা মাহমুদুল হাসানকে গ্রেফতার করে।র্যাব আরও জানায় গ্রেফতারকৃত আসামী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বর্ণিত ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।আইনি প্রক্রিয়া শেষে কেন্দুয়া থানায় ধৃত মাহমুদুলকে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান র্যাবের এই উর্ধতন কর্মকর্তা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত