স্টাফ রিপোর্টার :
ঘটনার সময় বুধবার ১১ অক্টোবর সকাল সারে ৮টা। নওগাঁর মান্দা উপজেলার বড়পই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তখন পর্যন্ত শিক্ষক বা শিক্ষার্থী কেউ আসেন নি। শ্রেণী কক্ষ খোলা না থাকায় রোকেয়া ভবনের বারান্দার গ্রিল ধরে একাই দাঁড়িয়ে ছিল দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া শিশু শিক্ষার্থী মুনমুন (৭)।
অপেক্ষা করছিল শিক্ষক ও সহ পাঠীদের জন্য। এর কিছু পরে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন প্রধান শিক্ষিকা আমিনা পারভীন। এ সময় বিদ্যালয় মাঠে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিবেশী জাহানারা বেগম নামের এক নারী এগিয়ে আসেন। কুশল বিনিময় করেন প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে। পরে তাঁরা দু'জনেই শিক্ষক রুমের তালা খুলে ভেতরে যান। ঐ নারীর সহায়তায় ঘর ঝাঁড়ু দিয়ে শিক্ষকদের কক্ষে থাকা বিদ্যুতের মেইন সুইস অন করেন প্রধান শিক্ষিকা আমিনা পারভীন। সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার দিয়ে রোকেয়া ভবনের বারান্দার গ্রিল থেকে অন্তত ৬-৭ ফিট দুরে ছিটকে পড়ে যায় শিশু শিক্ষার্থী মুনমুন। শিশুটির চিৎকার শুনে প্রধান শিক্ষিকা ও প্রতিবেশী নারী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা জ্ঞান হারানো অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে শিক্ষকদের রুমে নিয়ে শিশুটির জ্ঞান ফেরানো চেষ্টা করেন এক পর্যায়ে জ্ঞান ফিরলে শিশু মুনমুনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ প্রসঙ্গে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আমিনা পারভীন বলেন, বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন থেকে খোলা তার দিয়ে রোকেয়া ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া আছে। সেই তার কেটে ঐ ভবনের দরজার গ্রিলে সেটি জড়িয়ে দেয় কে বা কাহারা (দূর্বৃত্তরা)। বিদ্যুতের মেইন সুইস অন করার সঙ্গে সঙ্গে ঐ ভবনের পুরো বারান্দা বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়। এতে শিক্ষার্থী মুনমুন বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা জান্নাতুন ফেরদৌস বলেন, বিদ্যুতের মেইন সুইস বন্ধ ও শিক্ষার্থী উপস্থিতি কম থাকায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। এটি পরিকল্পিত বলেও দাবি করে তিনি। শিক্ষার্থী অভিভাবক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি করছি। জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাশার শাসমুজ্জামান বলেন, বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট ক্লাষ্টারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে তিনি সভা করবেন। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচল শিশু শিক্ষার্থী মুনমুন
অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচল শিশু শিক্ষার্থী মুনমুন
স্টাফ রিপোর্টার :ঘটনার সময় বুধবার ১১ অক্টোবর সকাল সারে ৮টা। নওগাঁর মান্দা উপজেলার বড়পই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তখন পর্যন্ত শিক্ষক বা শিক্ষার্থী কেউ আসেন নি। শ্রেণী কক্ষ খোলা না থাকায় রোকেয়া ভবনের বারান্দার গ্রিল ধরে একাই দাঁড়িয়ে ছিল দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া শিশু শিক্ষার্থী মুনমুন (৭)। অপেক্ষা করছিল শিক্ষক ও সহ পাঠীদের জন্য। এর কিছু পরে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন প্রধান শিক্ষিকা আমিনা পারভীন। এ সময় বিদ্যালয় মাঠে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিবেশী জাহানারা বেগম নামের এক নারী এগিয়ে আসেন। কুশল বিনিময় করেন প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে। পরে তাঁরা দু'জনেই শিক্ষক রুমের তালা খুলে ভেতরে যান। ঐ নারীর সহায়তায় ঘর ঝাঁড়ু দিয়ে শিক্ষকদের কক্ষে থাকা বিদ্যুতের মেইন সুইস অন করেন প্রধান শিক্ষিকা আমিনা পারভীন।
সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার দিয়ে রোকেয়া ভবনের বারান্দার গ্রিল থেকে অন্তত ৬-৭ ফিট দুরে ছিটকে পড়ে যায় শিশু শিক্ষার্থী মুনমুন। শিশুটির চিৎকার শুনে প্রধান শিক্ষিকা ও প্রতিবেশী নারী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা জ্ঞান হারানো অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে শিক্ষকদের রুমে নিয়ে শিশুটির জ্ঞান ফেরানো চেষ্টা করেন এক পর্যায়ে জ্ঞান ফিরলে শিশু মুনমুনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।এ প্রসঙ্গে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আমিনা পারভীন বলেন, বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন থেকে খোলা তার দিয়ে রোকেয়া ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া আছে। সেই তার কেটে ঐ ভবনের দরজার গ্রিলে সেটি জড়িয়ে দেয় কে বা কাহারা (দূর্বৃত্তরা)। বিদ্যুতের মেইন সুইস অন করার সঙ্গে সঙ্গে ঐ ভবনের পুরো বারান্দা বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়।
এতে শিক্ষার্থী মুনমুন বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা জান্নাতুন ফেরদৌস বলেন, বিদ্যুতের মেইন সুইস বন্ধ ও শিক্ষার্থী উপস্থিতি কম থাকায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। এটি পরিকল্পিত বলেও দাবি করে তিনি। শিক্ষার্থী অভিভাবক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি করছি। জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাশার শাসমুজ্জামান বলেন, বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট ক্লাষ্টারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে তিনি সভা করবেন। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত