এহসান ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক :
আপনার কথাই সত্য— দুই হাজারই সই। কারণ এর মধ্যে লুকিয়ে আছে মহান নমরুদের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কৌশল। যে কারণে ১৯৭১ এর আগে অত লোকের জন্মই হয় নাই। তাঁদের মধ্যে P-না-কি’র বাবা-মায়েরও পড়েন, তাঁদের জন্মও হয় নাই। তাহলে!
মানে, P-না-কি’র জন্ম বায়োলজিক্যালি হয় নাই। তাই তিনি প্রেরিত পুরুষ। তিনি কিছু বলেন না, তাঁর কাছে ওহী (বাণী) আসে, তিনি সেটুকু বাণী দেন। সেই লোক যখন কইছেন— তাইলে ঠিকই কইছেন।
P-না-কি যেহেতু নন-বায়োলজিক্যাল, তাই তিনি কাউকে জন্মও দিতে পারেন না। তারপরও তাঁকে যারা বাপ মনে করে চরন চুমেন, তাঁহাদের জন্ম পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুললে কি আপনারা রাগ করবেন!
অথচ খোদ P-না-কি’ই যাকে ‘মগজের পিতা’ বলে পুজো করে আসছেন, সেই পা-কি’রাই কিনা তারও বাবার দেশ পশ্চিমে গিয়ে স্বীকার করেছে— অন্তত সাড়ে বারো লাখ মানুষ তাঁরা মেরেছেন! তাহলে পুত্র P-না-কি কেন মগজ-পিতার কুকীর্তি কমিয়ে বলেন?
কারণ আর কিছু নয়, বাবা কলঙ্কে তো পুত্রও অধিক কলঙ্কিত এখানে, কেননা তিনি বাবার কুর্কীর্তি সমর্থন করেন। তার চেয়েও বড় কথা, পুত্র তাঁর বাবার পুনর্বিয়ে দিতে চাইছেন এই বঙ্গভূমে।
তাহলে ভাবুন, এই নন-বায়োলজিক্যাল পুত্র দু’হাজার হত্যার দায় নিতেও কতটা অপারগ! অসহায়। এখনো সেই ‘মগজ-পিতার অবৈধ সন্তান’ ইনিয়ে-বিনিয়ে, যদি-কিন্তু-যেহেতু দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার ভান করেন। হায় হায়! তবে কি দু’হাজার মানুষ (বিশেষত নমসূধ্র) পা-কি’রা হত্যা করেছে, বাকিদের হ*ত্যা করেছেন খান’দের সেই ‘অবৈধ সন্তান’রা!
পুত্র যখন মগজ পিতার পুনর্বিবাহের ঘটকি করছেন, তখন তো চরম মিথ্যা বলতেই পারেন। ১০১ মিথ্যা না বললে না কি সম্বন্ধই হয় না। সে ক্ষেত্রে বলতেই পারেন, তাঁর মগজ পিতা কাউকে হত্যাই করেননি। মরছে বাতাসে আর হুতাসে!
দেখছেন না, P-না-কি’র মগজ-পিতার বিবাহের আসরে তাঁরই অবৈধ সন্তান এদেশে মুখে রুমাল দিয়ে বসেছে। তাহলে বিবেথা করবে আসলে কে? তাই তো ঘরে ঘরে হুলো বিড়াল কোমড় বেঁধেছে!
ও হ্যাঁ, আজ তো ১৭ আগস্ট চলে গেল। ‘এপ্রিল ফুল’র মতো ব্যাপার। মনে আছে, ২০০৪ সালে এই দিনে সারা দেশে সিরিজ বো*মা বি/স্ফো/র/ণ করা হয়েছিল। দিনটির কথা মনে রেখে বলতেই পারেন, P-না-কি দা’ আজ তো একটা বি/স্ফো/র/ক বাণী ফাটাতেই পারেন, তাতে দোষেরই বা কি!
শুধু আপনাকে সর্তক থাকতে হবে, বিবাহের আসরে মাগনা খাওয়ার লোভে, মাতলামিতে পড়ে আপনার মাতাকেই না তুলে দেন তাঁহাদের পাতে!
পুত্রের ঘটকিতে পিতার বিয়ে!
পুত্রের ঘটকিতে পিতার বিয়ে!
এহসান ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক : আপনার কথাই সত্য— দুই হাজারই সই। কারণ এর মধ্যে লুকিয়ে আছে মহান নমরুদের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কৌশল। যে কারণে ১৯৭১ এর আগে অত লোকের জন্মই হয় নাই। তাঁদের মধ্যে P-না-কি’র বাবা-মায়েরও পড়েন, তাঁদের জন্মও হয় নাই। তাহলে!মানে, P-না-কি’র জন্ম বায়োলজিক্যালি হয় নাই। তাই তিনি প্রেরিত পুরুষ। তিনি কিছু বলেন না, তাঁর কাছে ওহী (বাণী) আসে, তিনি সেটুকু বাণী দেন। সেই লোক যখন কইছেন— তাইলে ঠিকই কইছেন।P-না-কি যেহেতু নন-বায়োলজিক্যাল, তাই তিনি কাউকে জন্মও দিতে পারেন না। তারপরও তাঁকে যারা বাপ মনে করে চরন চুমেন, তাঁহাদের জন্ম পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুললে কি আপনারা রাগ করবেন! অথচ খোদ P-না-কি’ই যাকে ‘মগজের পিতা’
বলে পুজো করে আসছেন, সেই পা-কি’রাই কিনা তারও বাবার দেশ পশ্চিমে গিয়ে স্বীকার করেছে— অন্তত সাড়ে বারো লাখ মানুষ তাঁরা মেরেছেন! তাহলে পুত্র P-না-কি কেন মগজ-পিতার কুকীর্তি কমিয়ে বলেন?কারণ আর কিছু নয়, বাবা কলঙ্কে তো পুত্রও অধিক কলঙ্কিত এখানে, কেননা তিনি বাবার কুর্কীর্তি সমর্থন করেন। তার চেয়েও বড় কথা, পুত্র তাঁর বাবার পুনর্বিয়ে দিতে চাইছেন এই বঙ্গভূমে। তাহলে ভাবুন, এই নন-বায়োলজিক্যাল পুত্র দু’হাজার হত্যার দায় নিতেও কতটা অপারগ! অসহায়। এখনো সেই ‘মগজ-পিতার অবৈধ সন্তান’ ইনিয়ে-বিনিয়ে, যদি-কিন্তু-যেহেতু দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার ভান করেন। হায় হায়! তবে কি দু’হাজার মানুষ (বিশেষত নমসূধ্র) পা-কি’রা হত্যা করেছে, বাকিদের হ*ত্যা করেছেন খান’দের সেই ‘অবৈধ সন্তান’রা!পুত্র যখন মগজ পিতার পুনর্বিবাহের ঘটকি করছেন, তখন তো চরম মিথ্যা বলতেই পারেন। ১০১ মিথ্যা
না বললে না কি সম্বন্ধই হয় না। সে ক্ষেত্রে বলতেই পারেন, তাঁর মগজ পিতা কাউকে হত্যাই করেননি। মরছে বাতাসে আর হুতাসে! দেখছেন না, P-না-কি’র মগজ-পিতার বিবাহের আসরে তাঁরই অবৈধ সন্তান এদেশে মুখে রুমাল দিয়ে বসেছে। তাহলে বিবেথা করবে আসলে কে? তাই তো ঘরে ঘরে হুলো বিড়াল কোমড় বেঁধেছে! ও হ্যাঁ, আজ তো ১৭ আগস্ট চলে গেল। ‘এপ্রিল ফুল’র মতো ব্যাপার। মনে আছে, ২০০৪ সালে এই দিনে সারা দেশে সিরিজ বো*মা বি/স্ফো/র/ণ করা হয়েছিল। দিনটির কথা মনে রেখে বলতেই পারেন, P-না-কি দা’ আজ তো একটা বি/স্ফো/র/ক বাণী ফাটাতেই পারেন, তাতে দোষেরই বা কি! শুধু আপনাকে সর্তক থাকতে হবে, বিবাহের আসরে মাগনা খাওয়ার লোভে, মাতলামিতে পড়ে আপনার মাতাকেই না তুলে দেন তাঁহাদের পাতে!
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত