সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
দেশের খবর রাত-দিন চলে ড্রেজার মেশিন; উখিয়ায় বেপরোয়া সরওয়ার সিন্ডিকেট!

রাত-দিন চলে ড্রেজার মেশিন; উখিয়ায় বেপরোয়া সরওয়ার সিন্ডিকেট!

মুসলিম উদ্দিন :


  • সিন্ডিকেট প্রধান সরওয়ার আলম
  • সিন্ডিকেটে রয়েছে, কামাল উদ্দিন, শাহ আলম, উদ্দিন ও জহির চৌধুরী

উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের তুতুর বিল এলাকার আবু আহমেদের ছেলে সরওয়ার আলমের নেতৃত্বে চলছে পাহাড় কাটা ও অবৈধভাবে বালি উত্তোলন। এসবের সংবাদ প্রকাশ করলে সাংবাদিকদের হুমকি ধমকি ও হামলা স্বীকার হতে হয়। সূত্রে জানা যায়, রাজাপালংয়ের তুতুরবিলের কবিরের টেক (হব্বার টেক) ও কলাবাগান এলাকায়  রাতের আঁধারে পাহাড় ও খালে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ধরে বালি তুলে আসছে সরওয়ার সিন্ডিকেট।


সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তুতুরবিল খালে রাজাপালং বাঘঘোনা-হরিণমারা সড়কের পাশ ঘেষেই বালির স্তুুপ করে রেখেছে তাঁরা, এরপর সুবিধাজনক সময়ে পিকআপ ( ডাম্পার) দিয়ে পাচার করছে বালি। স্থানীয়রা জানান,গত কয়েক বছর ধরে ইনানী রেঞ্জের অধীনে রাজা পালংয়ের তুতুরবিল, ঘোনাপাড়া, বাগঘোনাসহ একাধিক এলাকায় পাহাড় কেটে ডাম্পার নিয়ে মাটি পাচার করে আসছিলো সরওয়ার সিন্ডিকেট। তুতুরবিলের কয়েকটা পয়েন্ট থেকে প্রতিদিন রাতে তুলা হয় বালি, তুতুরবিল রাবার ড্রাম এলাকার বাসিন্দা মৃত আবু আহমদের ছেলে সরোয়ার আলমের নেতৃত্বে ৫-৬ জনের একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলে বালির বিশাল পয়েন্ট। 


তুতুরবিল এলাকার রশিদ আহমদের পুত্র  কামাল উদ্দিন, মৃত পেঠান আলীর পুত্র শাহ আলম, শামশুল আলমের পুত্র সালাহ উদ্দিন ও আব্দু সত্তারের পুত্র জহির চৌধুরীসহ স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় এসব বালি তুলে, পরে সেগুলো পাচার করে তাঁরা। ইজারা ছাড়া অবৈধভাবে শুধু বালি নয়, তুতুরবিলের পাহাড়ি এলাকায় সারা রাত ডাম্পার দিয়ে পাহাড়ের মাটি পাচার করে বলেও জানান স্থানীয়রা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি জানান, এসব কাজে সরাসরি সহযোগীতা করছে রাজাপালং বিট কর্মকর্তা। কিন্তু বিট কর্মকর্তা জানান, পাহাড় খেকো ও বালি সন্ত্রাসীরা অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করছে এমন খবর পেয়ে বিট অফিস থেকে বাহির হওয়ার সাথে সাথে কোন এক অদৃশ্য কারণে বালি খেকোরা সংবাদ পেয়ে সতর্ক হয়ে যায়। যার কারণে ব্যবস্থা নিতে ঘটনাস্থলে গেলেও ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। কিন্তু রেঞ্জ অফিসার বলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিতে।  


ইনানী রেঞ্জ কর্মকর্তা ফিরোজ আল আমিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা ড্রেজার মিশিন, বালির গাড়িসহ আটকের চেষ্টা চলছে। আটক করে যে কোন সময় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খুঁজুন