শুধুমাত্র সেনাপ্রধানের একান্ত ইচ্ছাতেই হাসনাত আবদুল্লাহ সংসদে গিয়েছে।
আজ লিখছি,শুধুমাত্র হাসনাত নয়! নাহিদ ইসলাম, আমিরে জামাতও সেনাপ্রধানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনার অংশ হিসাবে কথিত সংসদে যাচ্ছে।
তবে কুমিল্লা ৪ আসনে বিএনপির মঞ্জুর মুন্সী কখনো ভোটে পরাজিত হতো না। ভোট এবং ব্যালট পর্যন্ত মঞ্জুর মুন্সী আসতে পারলে সেনাপ্রধান তার যাবতীয় সিস্টেম দিয়ে হয়তো পাহাড় চুরি করতে পারতেন কিন্তু সাগর চুরি করতে পারতেন না। হাসনাতের হার ছিলো অনিবার্য। তাই ঋণখেলাপির দায়ে ভোটের আগেই মঞ্জুর মুন্সী কে ব্যালট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
কিন্তু আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে- সেনাপ্রধান এই কাজ কেন করবেন। তার উদ্দেশ্য কি?
সেনাপ্রধানের একক কোনো উদ্দেশ্য ছিলো না। সম্মিলিত উদ্দেশ্য নিয়ে সেনাপ্রধান তার নিজের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা এবং বাংলাদেশের রাজনীতি অন্য দেশের পারপার্স সার্ভ করার জন্য এই কাজ করেছেন। চলুন একটু বিস্তারিত ব্যাখ্যা করি।
২ আগস্ট ২০২৪ সালে নাহিদদের উপর সেনাবাহিনী ও ডিজিএফআইয়ের একটা অংশ প্রেশারাইজ করছিলো এক দফা ঘোষণা দেওয়ার জন্য। যা বিভিন্ন সময় তাঁদের কথোপকথনে উঠে এসেছে। নাহিদরা সেনাবাহিনীর সেই অংশের ভরসায় এবং আশ্বাসে এক দফা ঘোষণা করেছিল পরদিনই। আপনাদের কি মনে হয়? উপযুক্ত কার্যকরী সাপোর্ট এবং নাহিদ দের সেই লেভেলের ইনশিওরিটি না দিলে ও পর্দার আড়ালে এমন কোনো রাঘব বোয়াল না থাকলে, তারা কি কখনো ১ দফা ঘোষণা করার হিম্মত রাখতো? তাহলে প্রশ্ন আসেনা? সেনাবাহিনীর সেই অংশ টা কি কোনো ভাবে সেনাপ্রধানের অংশ না তো❓
জুলাই জঙ্গি অভ্যুত্থানের সবচেয়ে আবেগী এবং এগ্রেসিভ ফেস হচ্ছে জঙ্গি হাসনাত আবদুল্লাহ। বিভিন্ন সময় হাসনাতের এগ্রেসিভনেস সেনাপ্রধানের বিশেষ নজরে আসে। হাসনাতের ফিল্টার ছাড়া কথা বলার জন্য সেনাপ্রধান তাকেই জুলাই জঙ্গিদের উপযুক্ত নেতা হিসেবে সমস্ত রকম সমর্থন দিতে থাকেন। সেনাপ্রধান নিজেই হাসনাতকে নার্সিং করতে থাকেন। যা সেনাপ্রধানের বক্তব্যেও এসেছে। সেনাপ্রধানের সমর্থন পেয়ে,হাসনাত আরো এগ্রেসিভ হয়ে উঠেন। কার সামনে কি কথা বলছে, হাসনাত তার তোয়াক্কা না করে সর্বদাই জঙ্গিপনা করে বেড়িয়েছেন। এবার কি সূত্র মিলছে? কেন হাসনাত আউট অফ কন্ট্রোল হয়ে পড়েছিল? কেন হাসনাতের এগ্রেসিভনেস সব সময় ডে বাই ডে বেড়েই চলেছিলো?
মূলত জুলাই জঙ্গিদের উপযুক্ত নেতা হিসেবে সেনাপ্রধান হাসনাত কে নির্বাচিত ও গড়ে তুলেছেন নিজের মন মত করে।
তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়, কেন হাসনাত কে সংসদে পাঠাতে হলো! বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সমীকরণে জামাত যখন সরকার গঠন প্রক্রিয়া থেকে ছিটকে যায়,তখন সেনাপ্রধান নিজেও ইনসিকিউরড হয়ে উঠেছিলেন। কিছু সংখ্যক মানুষ কে তার সংসদে পাঠাতেই হতো। জুলাই ছাত্র জঙ্গিদের নেতা হিসেবে হাসনাতকে সংসদে পাঠানো ছাড়া সেনাপ্রধানের অন্য বিকল্প ছিলোই না। মূলত তারেক কে চাপে রাখার জন্য হাসনাতের সংসদে যাওয়া অনিবার্য হয়ে পড়েছিলো। কেননা ছাত্র নেতাদের মধ্যে এক হাসনাত ছাড়া বাকিদের সেই ক্যাপাসিটি নেই তারেকের বিরুদ্ধে বেঁফাস মন্তব্য করার। চোখে চোখ রেখে কথা বলার। এছাড়া তারেকও বাকি জুলাই জঙ্গিদের ঘাটাবে না,সেই বিশ্বাসে হাসনাতের বাজিকেই সেনাপ্রধান নিরাপদ মনে করেছিল। সাথে হাসনাত সংসদে গেলে বাকি জুলাই জঙ্গিরাও কিছুটা হলেও নিরাপত্তার চাদরে চলে আসবে।
এছাড়াও, ডিপস্টেটের প্রোডাক্ট হিসেবে এসব জুলাই জঙ্গিদের রাজনৈতিক ভাবে প্রতিষ্ঠা করাও সেনাপ্রধানের একটি অপরিহার্য চ্যালেঞ্জ ছিলো। আল্টিমেটলি ডিপ স্টেটের ইশারায় তো ২ আগস্ট সেনাবাহিনীর একটি অংশ কর্তৃক ১ দফা ঘোষণা"র চাপ দেওয়া হয়। তাই ডিপ স্টেটের চাহিদার কথাও স্মরণে রাখা অনিবার্য ছিলো।
আরো একটি উদ্দেশ্যের কথা সম্পর্কে জানতে পেরেছিলাম। মূলত সেনাবাহিনীর মুখপাত্র হিসেবেও এদের ভাবা হয়েছিলো।সেনাপ্রধানের মুখপাত্র হিসেবে তারা সংসদে যাবে এবং সেনাপ্রধানের স্বার্থ রক্ষার জন্য তারা কাজ করবে।
ডিপ স্টেটের এজেন্ট হিসেবে এদের সংসদে যাওয়াও অপরিহার্য ছিলো। ডিপস্টেট, ইউনূস,ওয়াকার, ও নির্বাচন কমিশনের সম্মিলিত চেষ্টায় এরা নির্বাচন সার্ভাইব করে অবশেষে কথিত সংসদে যাচ্ছে।
ডিপস্টেটের পলিসি হিসেবে, এসব জুলাই জঙ্গিদের দিয়ে,ভবিষ্যতের রাজনীতি ও বাংলাদেশ অস্থিতিশীল করা,ভারত বিরোধী প্রপাগাণ্ডা তৈরি করা এবং এদেশে কট্টরপন্থী রাজনীতির উত্থান ঘটানোর জন্য এদের সংসদে যাওয়া অনিবার্য ছিলো। যা পুরোটা নিজ দায়িত্বে তদারকি করেন আমাদের জামাতা।
ইউএস, তুরস্ক ও পাকিস্তান। এই দূতাবাসের বিভিন্ন বিভিন্ন চয়েজ থাকলেও,দিনশেষে তারাও হাসনাতের উপর আস্থা রেখে,সর্বোচ্চ প্রেশারাইজ করেছিলেন হাসনাতের এম্পি হওয়ার জন্য। এই দূতাবাস গুলোর পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সুপারিশ করা হয় হাসনাতের জন্য।
পরিশেষে মাস্টারমাইন্ড মাহফুজের রিসেন্ট এক ইন্টারভিউ"র কথা আমার মনে পড়ে। সে বলেছিলো, সবাই কে দেখানো হয়েছে ক্ষমতা আমাদের দেওয়া হয়েছে। আমাদের ভিলেন বানানো হয়েছে। অথচ ক্ষমতা ছিলো অন্য কারো কাছে। খুব শীগ্রই, মাহফুজ নিজেই এসে বলবে, জঙ্গি আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড মাহফুজ ছিলেন না। ছিলেন আমাদের আপনাদের.............
আজ লিখছি,শুধুমাত্র হাসনাত নয়! নাহিদ ইসলাম, আমিরে জামাতও সেনাপ্রধানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনার অংশ হিসাবে কথিত সংসদে যাচ্ছে।
তবে কুমিল্লা ৪ আসনে বিএনপির মঞ্জুর মুন্সী কখনো ভোটে পরাজিত হতো না। ভোট এবং ব্যালট পর্যন্ত মঞ্জুর মুন্সী আসতে পারলে সেনাপ্রধান তার যাবতীয় সিস্টেম দিয়ে হয়তো পাহাড় চুরি করতে পারতেন কিন্তু সাগর চুরি করতে পারতেন না। হাসনাতের হার ছিলো অনিবার্য। তাই ঋণখেলাপির দায়ে ভোটের আগেই মঞ্জুর মুন্সী কে ব্যালট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
কিন্তু আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে- সেনাপ্রধান এই কাজ কেন করবেন। তার উদ্দেশ্য কি?
সেনাপ্রধানের একক কোনো উদ্দেশ্য ছিলো না। সম্মিলিত উদ্দেশ্য নিয়ে সেনাপ্রধান তার নিজের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা এবং বাংলাদেশের রাজনীতি অন্য দেশের পারপার্স সার্ভ করার জন্য এই কাজ করেছেন। চলুন একটু বিস্তারিত ব্যাখ্যা করি।
২ আগস্ট ২০২৪ সালে নাহিদদের উপর সেনাবাহিনী ও ডিজিএফআইয়ের একটা অংশ প্রেশারাইজ করছিলো এক দফা ঘোষণা দেওয়ার জন্য। যা বিভিন্ন সময় তাঁদের কথোপকথনে উঠে এসেছে। নাহিদরা সেনাবাহিনীর সেই অংশের ভরসায় এবং আশ্বাসে এক দফা ঘোষণা করেছিল পরদিনই। আপনাদের কি মনে হয়? উপযুক্ত কার্যকরী সাপোর্ট এবং নাহিদ দের সেই লেভেলের ইনশিওরিটি না দিলে ও পর্দার আড়ালে এমন কোনো রাঘব বোয়াল না থাকলে, তারা কি কখনো ১ দফা ঘোষণা করার হিম্মত রাখতো? তাহলে প্রশ্ন আসেনা? সেনাবাহিনীর সেই অংশ টা কি কোনো ভাবে সেনাপ্রধানের অংশ না তো❓
জুলাই জঙ্গি অভ্যুত্থানের সবচেয়ে আবেগী এবং এগ্রেসিভ ফেস হচ্ছে জঙ্গি হাসনাত আবদুল্লাহ। বিভিন্ন সময় হাসনাতের এগ্রেসিভনেস সেনাপ্রধানের বিশেষ নজরে আসে। হাসনাতের ফিল্টার ছাড়া কথা বলার জন্য সেনাপ্রধান তাকেই জুলাই জঙ্গিদের উপযুক্ত নেতা হিসেবে সমস্ত রকম সমর্থন দিতে থাকেন। সেনাপ্রধান নিজেই হাসনাতকে নার্সিং করতে থাকেন। যা সেনাপ্রধানের বক্তব্যেও এসেছে। সেনাপ্রধানের সমর্থন পেয়ে,হাসনাত আরো এগ্রেসিভ হয়ে উঠেন। কার সামনে কি কথা বলছে, হাসনাত তার তোয়াক্কা না করে সর্বদাই জঙ্গিপনা করে বেড়িয়েছেন। এবার কি সূত্র মিলছে? কেন হাসনাত আউট অফ কন্ট্রোল হয়ে পড়েছিল? কেন হাসনাতের এগ্রেসিভনেস সব সময় ডে বাই ডে বেড়েই চলেছিলো?
মূলত জুলাই জঙ্গিদের উপযুক্ত নেতা হিসেবে সেনাপ্রধান হাসনাত কে নির্বাচিত ও গড়ে তুলেছেন নিজের মন মত করে।
তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়, কেন হাসনাত কে সংসদে পাঠাতে হলো! বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সমীকরণে জামাত যখন সরকার গঠন প্রক্রিয়া থেকে ছিটকে যায়,তখন সেনাপ্রধান নিজেও ইনসিকিউরড হয়ে উঠেছিলেন। কিছু সংখ্যক মানুষ কে তার সংসদে পাঠাতেই হতো। জুলাই ছাত্র জঙ্গিদের নেতা হিসেবে হাসনাতকে সংসদে পাঠানো ছাড়া সেনাপ্রধানের অন্য বিকল্প ছিলোই না। মূলত তারেক কে চাপে রাখার জন্য হাসনাতের সংসদে যাওয়া অনিবার্য হয়ে পড়েছিলো। কেননা ছাত্র নেতাদের মধ্যে এক হাসনাত ছাড়া বাকিদের সেই ক্যাপাসিটি নেই তারেকের বিরুদ্ধে বেঁফাস মন্তব্য করার। চোখে চোখ রেখে কথা বলার। এছাড়া তারেকও বাকি জুলাই জঙ্গিদের ঘাটাবে না,সেই বিশ্বাসে হাসনাতের বাজিকেই সেনাপ্রধান নিরাপদ মনে করেছিল। সাথে হাসনাত সংসদে গেলে বাকি জুলাই জঙ্গিরাও কিছুটা হলেও নিরাপত্তার চাদরে চলে আসবে।
এছাড়াও, ডিপস্টেটের প্রোডাক্ট হিসেবে এসব জুলাই জঙ্গিদের রাজনৈতিক ভাবে প্রতিষ্ঠা করাও সেনাপ্রধানের একটি অপরিহার্য চ্যালেঞ্জ ছিলো। আল্টিমেটলি ডিপ স্টেটের ইশারায় তো ২ আগস্ট সেনাবাহিনীর একটি অংশ কর্তৃক ১ দফা ঘোষণা"র চাপ দেওয়া হয়। তাই ডিপ স্টেটের চাহিদার কথাও স্মরণে রাখা অনিবার্য ছিলো।
আরো একটি উদ্দেশ্যের কথা সম্পর্কে জানতে পেরেছিলাম। মূলত সেনাবাহিনীর মুখপাত্র হিসেবেও এদের ভাবা হয়েছিলো।সেনাপ্রধানের মুখপাত্র হিসেবে তারা সংসদে যাবে এবং সেনাপ্রধানের স্বার্থ রক্ষার জন্য তারা কাজ করবে।
ডিপ স্টেটের এজেন্ট হিসেবে এদের সংসদে যাওয়াও অপরিহার্য ছিলো। ডিপস্টেট, ইউনূস,ওয়াকার, ও নির্বাচন কমিশনের সম্মিলিত চেষ্টায় এরা নির্বাচন সার্ভাইব করে অবশেষে কথিত সংসদে যাচ্ছে।
ডিপস্টেটের পলিসি হিসেবে, এসব জুলাই জঙ্গিদের দিয়ে,ভবিষ্যতের রাজনীতি ও বাংলাদেশ অস্থিতিশীল করা,ভারত বিরোধী প্রপাগাণ্ডা তৈরি করা এবং এদেশে কট্টরপন্থী রাজনীতির উত্থান ঘটানোর জন্য এদের সংসদে যাওয়া অনিবার্য ছিলো। যা পুরোটা নিজ দায়িত্বে তদারকি করেন আমাদের জামাতা।
ইউএস, তুরস্ক ও পাকিস্তান। এই দূতাবাসের বিভিন্ন বিভিন্ন চয়েজ থাকলেও,দিনশেষে তারাও হাসনাতের উপর আস্থা রেখে,সর্বোচ্চ প্রেশারাইজ করেছিলেন হাসনাতের এম্পি হওয়ার জন্য। এই দূতাবাস গুলোর পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সুপারিশ করা হয় হাসনাতের জন্য।
পরিশেষে মাস্টারমাইন্ড মাহফুজের রিসেন্ট এক ইন্টারভিউ"র কথা আমার মনে পড়ে। সে বলেছিলো, সবাই কে দেখানো হয়েছে ক্ষমতা আমাদের দেওয়া হয়েছে। আমাদের ভিলেন বানানো হয়েছে। অথচ ক্ষমতা ছিলো অন্য কারো কাছে। খুব শীগ্রই, মাহফুজ নিজেই এসে বলবে, জঙ্গি আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড মাহফুজ ছিলেন না। ছিলেন আমাদের আপনাদের.............